শনিবার, জুন ২৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

পশ্চিমবঙ্গে মোদির ১৮টি জনসভা, জিতেছেন মাত্র ২টি

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিজেপিকে হারিয়ে তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় এল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস। ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য প্রয়োজন ছিল ১৪৮টি আসনের। তবে তৃণমূল ২১০টিরও বেশি আসন পেয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনে জয় পেতে এবার আদাজল খেয়েই লেগেছিল ক্ষমতাসীন বিজেপি। কিন্তু মাসের পর মাস খাটা-খাটুনি করেও লাভের লাভ হয়নি কিছুই।

রোববারের (২ মে) ফলে তৃণমূল শুধু জয়ীই নয়, একেবারে গো-হারা হেরেছে বিজেপি। ডাহা ফেল করেছে মোদি-শাহের নির্বাচনী রণকৌশল।

বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের জন্য ১৪৮টি আসন প্রয়োজন থাকলেও মমতার দল জয় পায় ২১০টির বেশি আসন। অন্যদিকে বিরোধী দল বিজেপি পায় ৭৫টির বেশি আসন। ভরাডুবি হয়েছে বাম-কংগ্রেস জোটের।

নির্বাচনে জয়ের জন্য এবার মরিয়া হয়ে উঠেছিল বিজেপি। বাংলার মোট ২২টি জনসভা করার কথা ছিল কেবল নরেন্দ্র মোদিরই। তবে করোনা পরিস্থিতির কারনে তা আর সম্ভব হয়নি। বাতিল করতে হয় বেশকিছু সফর। তবুও প্রায় ১৮টি জনসভা করেন তিনি।

কেবল মোদিই নয়, বাংলার প্রচারে সময় দিয়েছিলেন অমিত শাহ, স্মৃতি ইরানি, রাজনাথ সিং, জেপি নাড্ডা, কৈলাশ বিজয়বর্গীয় এমনকি যোগী আদিত্যনাথও।

বিজেপি সব সময়ই মোদি ম্যাজিকের বড়াই করে। কিন্তু এবার বাংলায় সে ম্যাজিকে কাজ হয়নি। মোদি জনসভা করেছেন এমন মাত্র ২টি আসনে জয় পেয়েছে তার দল। আসনগুলো হলো নন্দীগ্রাম আর হলদিয়া।

মোদি জনসভা করেছিলেন কাঁথিতে। তবে জয়ের নাগাল পায়নি তার দল। হুগলিতে কার্যত ভরাডুবি হয়েছে বিজেপির। ১৮ মার্চ পুরুলিয়া আর ২১ মার্চ বাঁকুড়ায় সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেও পরাজয় এড়ানো যায়নি। এ ছাড়া মার্চের ৭ তারিখ কলকাতায় ছিল বিজেপির ব্রিগেড সমাবেশ। সেখানেও হাজির ছিলেন নরেন্দ্র মোদি। তবে কলকাতাতেও একেবারেই আশানুরূপ হয়নি গেরুয়া শিবিরের ফলাফল।

এসব আসন ছাড়াও মোদি ছুটে গিয়েছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুরে। সভা করেছিলেন হাওড়ার উলুবেড়িয়া ও ডুমুরজলাতেও। তবে সব জায়গাতেই পরাজিত হয়েছেন গেরুয়া প্রার্থীরা। ভরাডুবি অব্যাহত বারাসাতেও।

এর আগে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, ২ তারিখের পর দিদি আপনি প্রাক্তনি হয়ে যাবেন। এমন কথা বলার পরও জয়ের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।

অন্যদিকে, ৩৪ বছর শাসন করে ২০১১ সালের পর গত এক দশকে কোনও রকম অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখলেও একুশের ঝড়ে একেবারেই নিশ্চিহ্ন বামফ্রন্ট-কংগ্রেস। আর ক্ষমতায় যাওয়ার গভীর আত্মবিশ্বাস দেখালেও শেষ পর্যন্ত বিরোধী আসনেই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে বিজেপিকে। পরাজয়ের কারণ খুঁজতে গেরুয়া শিবিরে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

সূত্র : এনডিটিভি

একই রকম সংবাদ সমূহ

চীনে বাংলাদেশের প্রথম বিনিয়োগ কার্যালয় খোলার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

চীনে শিগগিরই বাংলাদেশের প্রথম বিনিয়োগ কার্যালয় খোলার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বিস্তারিত পড়ুন

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগেরবিস্তারিত পড়ুন

মহাকাশে বিশ্বকাপের অফিশিয়াল বল ট্রাইওন্ডা নিয়ে গবেষণা

ফুটবল বিশ্বকাপের অফিশিয়াল বল ‘ট্রাইওন্ডা’ পৌঁছে গেছে পৃথিবীর সীমানা ছাড়িয়ে মহাকাশে। আন্তর্জাতিকবিস্তারিত পড়ুন

  • বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সমঝোতা স্মারক সই
  • বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার ও লাল গালিচা সংবর্ধনা
  • আমি ও আমার স্ত্রী মালয়েশিয়ার আতিথেয়তার জন্য কৃতজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী
  • মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত ও অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
  • মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
  • বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর
  • বাংলাদেশের জন্য দ্রুত মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে দেওয়ার আহ্বান
  • মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক: বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানে নতুন সম্ভাবনা
  • পুত্রাজায়ায় তারেক রহমানকে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর উষ্ণ অভ্যর্থনা
  • মালয়েশিয়ায় বন্দি বাংলাদেশিদের ফেরানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
  • প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মালয়েশিয়ায় লালগালিচা সংবর্ধনা
  • কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশিসহ নিহত ৬