বুধবার, আগস্ট ১২, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

ভয়াল আম্ফানের ১ বছর : এখনো ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি সাতক্ষীরার কয়েক লাখ মানুষ

আজ সেই ভয়াল ২০ মে। প্রলংকারী ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের দীর্ঘ এক বছর পার হলেও ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারেনি সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকার কয়েক লাখ মানুষ। লবণাক্ততার তীব্রতায় কৃষিকাজ হয়না বিধায় তীব্র অভাবগ্রস্থ অধিকাংশ মানুষ। বেড়িবাঁধ ভাঙ্গনের আতঙ্কে এখনও তটস্থ সবাই। যোগাযোগ ব্যবস্থাও রয়েছে বিচ্ছিন্ন। চিকিৎসা, সুপেয় পানি, স্যানিটেশনসহ বিভিন্ন সংকটে বিপর্যস্থ উপকূলীয় এলাকার এখনও লক্ষাধিক মানুষ।

জানা যায়, ২০২০ সালের ২০ মে ঘূর্ণিঝড় আম্পানের তান্ডবে লন্ডভন্ড হয় গোটা সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকা। পানিবন্দী হয়ে পড়ে উপকূলীয় এলাকার ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ। ঘর-বাড়ি ধ্বসে পড়ে ২ হাজারেরও বেশি। এখনো ডুবে আছে শতাধিক ঘর-বাড়ি। এতে মাছের ক্ষতি হয় ১৭৬ কোটি ৩ লাখ টাকার। কৃষিতে মোট ক্ষতি হয় ১৩৭ কোটি ৬১ লাখ ৩০ হাজার টাকার। এলজিইডি ও সড়ক বিভাগের ক্ষতি হয় কমপক্ষে ৩০ কি. মি. সড়ক। কাজ না থাকায় সেখানকার লোকজন বর্তমানে বেকার হয়ে পড়েছেন। আম্পানের এক বছর পার হলেও উপকূলীয় এলাকায় গৃহহীনের সংখ্যা এখনও দুই শতাধিক। বেড়িবাঁধের রাস্তার ওপর খুপড়ী ঘরে বসবাস তাদের।

আশাশুনি উপজেলার শুভদ্রকাটি গ্রামের আতাউর রহমান ও কুড়িকাউনিয়া গ্রামের আবু সালেহসহ উপকুলীয় এলাকাবাসী জানান, তাদের এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা একেবারে ভেঙে পড়েছে। নেই চিকিৎসার ব্যবস্থা। সূপেয় পানির সংকট তীব্র। বেড়িবাঁধের অবস্থাও নাজুক। উপকূলীয় এলাকার এসব মানুষ সরকারের কাছে পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ ও টেকসই বেঁড়িবাধ নির্মাণের দাবি জানান।

আশাশুনি উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অসিম কুমার চক্রবর্তী জানান, প্রলংকারী ঘূর্ণিঝড়ের এক বছর পেরিয়ে গেলেও সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকার মানুষ এখনও মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারেননি। আজও সেখানকার মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানের অভাব রয়েছে। একই সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থাও রয়েছে বিচ্ছিন্ন। আর পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেঁড়িবাধগুলো রয়েছে ভয়াবহ অবস্থায়। দু’একটি জায়গায় সংস্কার করা হলেও অধিকাংশ জায়গায় রয়েছে ভয়াবহ ফাটল। যে কোন সময় প্রবল জোয়ারের চাপে তা আবারও ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হতে পারে। তিনি টেকসই বেঁড়িবাধ নির্মাণে এ সময় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল জানান, ভয়াবহ ক্ষতি হয়েছিল এ অঞ্চলের বেড়িবাঁধগুলোর। প্রধানমন্ত্রী পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে নির্দেশনা দিয়েছিলেন যে অতিসত্ত্বর ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাধ সংস্কারের। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা প্রশাসন, পানিউন্নয়ন বোর্ড, সেনাবাহিনীসহ জেলার সংশ্লিষ্ট সংস্থা অক্লান্ত পরিশ্রম করাই বেড়িবাঁধগুলো প্রাথমিকভাবে সংস্কার করা সম্ভব হয়েছে। তিনি এসময় সাতক্ষীরা জেলাকে দুর্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত জেলা ঘোষণার দাবী জানান।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবকে নাগরিক সংবর্ধনা

সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক জননেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে জেলা নাগরিক অধিকার ওবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় হাজী কল্যাণ সংস্থার মতবিনিময় সভা

সাতক্ষীরায় আগামি ২২ আগস্ট অনুষ্ঠিতব্য হাজী সম্মেলন উপলক্ষ্যে কলারোয়ায় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরায় ১০ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলা-২০২৬ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সমৃদ্ধ হোক বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় বৃক্ষরোপণ অভিযানবিস্তারিত পড়ুন

  • সাতক্ষীরায় অভিভাবক সমাবেশ ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ
  • সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে জামায়াতের দুই এমপির মতবিনিময়
  • ভোমরা স্থলবন্দরের যানজট নিরসনকল্পে যৌথ আলোচনা সভা
  • সাতক্ষীরায় দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার উদ্বোধন
  • সাতক্ষীরার ধুলিহরে জনগনের ভালোবাসায় সিক্ত হলেন সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক
  • সাতক্ষীরার সিলভার জুবিলি স্কুলের সভাপতি সাংবাদিক বেলাল হোসাইন
  • সাতক্ষীরায় জেলা সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে বর্ষাকালীন সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক উৎসব
  • সাতক্ষীরার আশাশুনিতে নিখোঁজের ২দিন পর ব্যবসায়ীর কাদামাখা ম*রদেহ উদ্ধার
  • সাতক্ষীরায় চার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী ফেল
  • সাতক্ষীরার আশাশুনিতে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার
  • সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে অন্তঃকক্ষ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন
  • সাতক্ষীরায় ড্রেনেজ, সবুজ এলাকা, জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে সমন্বয় দাবি