কন্যা হলেই উপহার দেন এই পুলিশ কর্মকর্তা


কন্যাসন্তান হলেই ওই পরিবারকে উপহার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন টাঙ্গাইলের কাগমারী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোশারফ হোসেন।
এ প্রসঙ্গে ফেসবুকে দিয়েছেন একটি পোস্ট। যা ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও।
মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি) রাতে পুলিশ কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন তার ফেসবুক আইডিতে লিখেন, কন্যাসন্তান সমাজের বোঝা নয়, আশীর্বাদ। কন্যাসন্তান আল্লাহর শ্রেষ্ঠ পুরস্কার। কন্যাসন্তান মা-বাবার জান্নাতের সুসংবাদ নিয়ে দুনিয়ায় আগমন করে।
তার এ ফেসবুক পোস্টের পর বুধবার (৬ জানুয়ারি) প্রথম দিনেই চার কন্যাসন্তানের বাবা-মা ওই পুলিশ কর্মকর্তার কাছে গিয়ে তাদের উপহার বুঝে নেন।
গণমাধ্যমকে কাগমারী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোশারফ হোসেন বলেন, চাকরি সূত্রে আমি চরাঞ্চল ও গ্রাম পর্যায়ে ঘুরেছি। ওইসব এলাকায় কন্যাসন্তান জন্ম হলে মায়েদের নানা বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। বিষয়টি খুবই খারাপ লেগেছে। সেই খারাপ লাগা থেকে আমি এ উদ্যোগ নিয়েছি। আমি ফেসবুকে বিষয়টি নিয়ে স্ট্যাটাসে ঘোষণা দেই। অনেকেই ফোন দিচ্ছেন। সচেতন মহল সাধুবাদও জানাচ্ছেন। প্রথম দিনই চার কন্যাসন্তানের বাবা-মাকে সামান্য উপহার দিয়েছি। এ উপহার অব্যাহত থাকবে।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। আমি নিজে গিয়ে দেখব। মায়েদের উপহার দিলে তো ভালোই।
তথ্যসূত্র: সময় টিভি নিউজ
কলারোয়া নিউজে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। (Unauthorized use of news, image, information, etc published by kalaroa News is punishable by copyright law. Appropriate legal steps will be taken by the management against any person or body that infringes those laws.)
একই রকম সংবাদ সমূহ

অবশেষে প্রাথমিকে ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষকের নিয়োগ চূড়ান্ত, যোগদান ১ অক্টোবর
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ জনবিস্তারিত পড়ুন

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের আত্মহত্যার সময় বাসায় খাচ্ছিলেন এমপি গাজী নজরুল
রাজধানীর ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাট থেকে দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত লাশবিস্তারিত পড়ুন

বসিয়েছিলেন ২০টি সিসিটিভি ক্যামেরা, ঘুমাতেন কবুতরের ঘরে, তবু শেষরক্ষা হয়নি
গ্রেপ্তার এড়াতে পুলিশের ওপর নজরদারি করার জন্য গ্রামের প্রধান সড়ক থেকে নিজবিস্তারিত পড়ুন


