শনিবার, আগস্ট ১৫, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

বেনাপোল-মোংলা রেলপথে ৩ লাখ দেশি খেজুরের আঁটি ছড়িয়ে ইতিহাস

হেলাল উদ্দিন, রাজগঞ্জ : দেশীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য খেজুরগাছের বিস্তার ঘটানোর প্রত্যয়ে বেনাপোল থেকে মোংলা পর্যন্ত প্রায় ২০০ কিলোমিটার সরকারি রেলপথের দুই ধারে প্রায় ৩ লাখ দেশি খেজুরের আঁটি ছড়িয়ে এক নজিরবিহীন সবুজায়ন কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সকাল থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ট্রেনে চড়ে পরিচালিত এই ব্যতিক্রমী কর্মযজ্ঞে অংশ নেন প্রায় অর্ধশতাধিক বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ। তাদের মধ্যে ছিলেন শিক্ষক, সাংবাদিক, ছোট ছোট শিক্ষার্থী, সমাজসেবক ও পরিবেশপ্রেমীরা। এমনকি ট্রেনের অনেক সাধারণ যাত্রীও স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই মহৎ উদ্যোগে শামিল হয়ে খেজুরের আঁটি ছড়িয়ে দেন। পুরো যাত্রাপথজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।

এই কর্মসূচির মূল উদ্যোক্তা ছিলেন মনিরামপুর উপজেলার মদনপুর সম্মিলনী ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. শফিয়ার রহমান। তাঁর পরিকল্পনা ও নেতৃত্বে ১৬০ কেজি দেশি খেজুরের আঁটি, অর্থাৎ আনুমানিক ৩ লাখ আঁটি, রেলপথের দুই পাশে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

সহকারী অধ্যাপক মো. শফিয়ার রহমান বলেন, “দেশি খেজুর যশোরের পরিচয়, ঐতিহ্য ও গৌরবের প্রতীক। অথচ অবহেলা ও নির্বিচারে গাছ কাটার কারণে এই ঐতিহ্যবাহী গাছ দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি, আজ ছড়িয়ে দেওয়া আঁটির একটি অংশও যদি গাছে পরিণত হয়, তাহলে আগামী প্রজন্ম আবার খেজুরগাছে ভরা যশোর দেখতে পাবে। এটি শুধু গাছ লাগানোর কর্মসূচি নয়, বরং আমাদের শিকড়, পরিবেশ ও ঐতিহ্য রক্ষার এক সামাজিক আন্দোলন। এই আন্দোলনে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।”

উপস্থিত শিক্ষক ও সাংবাদিক মো. আলমগীর হোসেন বলেন, “খেজুরের রস, গুড় ও পাটালির জন্য যশোর একসময় সারা দেশে পরিচিত ছিল। কিন্তু খেজুরগাছ কমে যাওয়ায় সেই ঐতিহ্যও আজ হুমকির মুখে। তাই আমরা প্রায় ৩ লাখ দেশি খেজুরের আঁটি রেলপথের দুই ধারে ছড়িয়ে দিয়ে হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনার ক্ষুদ্র প্রয়াস নিয়েছি।”

অংশগ্রহণকারীরা বলেন, পরিবেশ রক্ষা ও দেশীয় বৃক্ষ সংরক্ষণে এটি একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ। সরকারি ও স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে কয়েক বছরের মধ্যেই রেলপথের দুই পাশে গড়ে উঠতে পারে হাজারো দেশি খেজুরগাছের সবুজ সারি, যা যেমন পরিবেশের জন্য উপকারী হবে, তেমনি ফিরিয়ে আনবে যশোরের হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যও।

স্থানীয় সচেতন মহল এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও অনুকরণীয় উল্লেখ করে বলেন, ব্যক্তি উদ্যোগে এত বড় পরিসরে পরিবেশ ও ঐতিহ্য রক্ষার এমন কর্মসূচি দেশের অন্য এলাকাতেও ছড়িয়ে দেওয়া উচিত।

একই রকম সংবাদ সমূহ

যশোরের হরিদাসকাটিতে পানিবন্দি এলাকা পরিদর্শনে এমপি গাজী এনামুল হক

যশোরের মনিরামপুর উপজেলার হরিদাসকাটি ইউনিয়নের পাঁচকাটিয়া ও পাঁচবাড়িয়া গ্রামের পানিবন্দি এলাকা পরিদর্শনবিস্তারিত পড়ুন

যশোরের মণিরামপুরে ৭ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল!

এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় যশোর শিক্ষা বোর্ড ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডেরবিস্তারিত পড়ুন

যশোরের রাজগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসিতে ৮৪ জন উত্তীর্ণ

যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী রাজগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায়বিস্তারিত পড়ুন

  • জাতীয় অনূর্ধ্ব-২১ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক রাজগঞ্জের কালাম সিদ্দিকি অলিন
  • মণিরামপুরে পুকুর থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার
  • গণঅভ্যুত্থানের বিজয়ের প্রাক্কালে বুলেটে থেমে যায় ক্রিকেটার রিয়ানের স্বপ্ন
  • মণিরামপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার
  • রাজগঞ্জে হোটেলগুলোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত ও বিক্রি : ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য
  • যশোরের রাজগঞ্জের মোবারকপুরে প্রকাশ্যে জুয়ার আসর! মিলছে না প্রতিকার
  • মণিরামপুরের জালঝাড়া বাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির মৃ*ত্যু
  • শিশু আরাফাতের জীবন বাঁচাতে মানবিক সহায়তার আবেদন
  • যশোরের রাজগঞ্জে বাওড় থেকে ভ্যানচালকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার
  • রোদ-বৃষ্টি-ঝড়ে থেমে নেই যশোরের মনিরামপুরের কৃষকদের কর্মযজ্ঞতা
  • ভবদহ অঞ্চলের ফসলি জমি নষ্ট করে অবৈধ মাছের ঘের নির্মাণের অভিযোগ
  • যশোরের মণিরামপুরে পানিবন্দি এলাকা পরিদর্শনে এমপি এনামুল হক