বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

মুক্তিযুদ্ধের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ এ কে খন্দকার আর নেই

মহান মুক্তিযুদ্ধের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ, সাবেক বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকার, বীর উত্তম আর নেই (ইন্না লিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রথম প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকার সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের আমলে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। পরে এইচ এম এরশাদের সামরিক শাসনামলে পরিকল্পনামন্ত্রী হন।

এরপর ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের টিকিটে পাবনা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর পাঁচ বছর শেখ হাসিনার মন্ত্রিসভায় পরিকল্পনামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন এ কে খন্দকার। মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকার জন্য ২০১১ সালে এ কে খন্দকারকে স্বাধীনতা পদক দেয় সরকার।

এ কে খন্দকারের মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোক

বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বীরউত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিমানবাহিনী প্রধান এবং সাবেক মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আবদুল করিম খন্দকার (এ কে খন্দকার)-এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

শনিবার (২০ ডিসেম্বর) শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এ কে খন্দকার ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক অবিস্মরণীয় সৈনিক। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি সাহসিকতা, দূরদর্শিতা ও নেতৃত্বগুণের পরিচয় দিয়ে দেশের স্বাধীনতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে মুক্তিবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ হিসেবে তার কৌশলগত সিদ্ধান্ত, সাংগঠনিক দক্ষতা ও অটল দেশপ্রেম স্বাধীনতার সংগ্রামকে আরও সুসংহত করেছিল।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর এ কে খন্দকার বাংলাদেশ বিমানবাহিনী গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন এবং দেশের প্রথম বিমানবাহিনী প্রধান হিসেবে এই বাহিনীকে একটি সুসংগঠিত ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে দাঁড় করাতে অসামান্য অবদান রাখেন।

ড. ইউনূস বলেন, এ কে খন্দকার রণাঙ্গনের একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দেশের স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে গ্রন্থ রচনা করে পতিত ফ‍্যাসিবাদী শাসনামনে ব‍্যাপক রোষানলে পড়েন। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরাই ছিল পতিত শাসনের দৃষ্টিতে তার অপরাধ।

তিনি বলেন, এ কে খন্দকার ছিলেন একজন দৃঢ়চেতা মুক্তিযোদ্ধা, সৎ ও সাহসী এবং আদর্শনিষ্ঠ দেশপ্রেমিক। তার কর্ম, চিন্তা ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, এ কে খন্দকারের মৃত্যুতে একজন বীর সন্তানকে হারাল দেশ। আমি তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন, সহযোদ্ধা ও গুণগ্রাহীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

ইউপি নির্বাচন বিধিমালার গেজেট প্রকাশ, এসেছে পরিবর্তন

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের সংশোধিত বিধিমালা চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নতুনবিস্তারিত পড়ুন

গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃত্যু: মামা ওবায়দুর কারাগারে

সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের আত্মহত্যার ঘটনায় করাবিস্তারিত পড়ুন

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের আত্মহত্যার সময় বাসায় খাচ্ছিলেন এমপি গাজী নজরুল

রাজধানীর ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাট থেকে দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত লাশবিস্তারিত পড়ুন

  • সরকার পাঁচ বছর থাকবে, এটা মেনে রাজনীতি করা উচিত: তথ্য উপদেষ্টা
  • অতিরিক্ত ভাড়া নিলে রুট পারমিট বাতিল: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী
  • কিলোমিটারপ্রতি যত বাড়লো বাসভাড়া
  • রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন গাজী নজরুলের স্ত্রী : দাবি পুলিশের
  • একযোগে পুলিশের ৩১ কর্মকর্তার বদলি ও পদায়ন
  • বাস্তবসম্মত ও কর্মমুখী শিক্ষায় বিশেষ জোর দিতে হবে: রাষ্ট্রপতি
  • লংমার্চে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা হলে বিএনপি হাত গুটিয়ে থাকবে না: রিজভী
  • কর্মস্থলে অনুপস্থিত, ৬ পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত
  • এমপি গাজী নজরুল ৪ দিনের ও প্রথম স্ত্রী এক দিনের রিমান্ডে
  • নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী
  • প্রতি লিটারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লো ২০ টাকা
  • গাজী নজরুলের বাসা থেকে পাওয়া মরিয়মের রেখে যাওয়া শেষ চিঠিতে যা লেখা