মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৩, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক সিদ্ধান্তে দারুণ সুবিধা পেল বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন বাণিজ্যিক শুল্ক ব্যবস্থায় বাংলাদেশ সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্কহার পেয়েছে। এর ফলে চীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডসহ প্রধান পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর তুলনায় মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা আরও শক্তিশালী হবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শুক্রবার (২৪ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ১৯৭৪ সালের যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেড অ্যাক্টের ৩০১ ধারার আওতায় জোরপূর্বক শ্রম ব্যবহারের অভিযোগে তদন্ত শেষে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় (ইউএসটিআর) বিশ্বের ৮৬টি দেশের প্রতিনিধিত্বকারী ৬০টি অর্থনীতির জন্য নতুন শুল্কহার ঘোষণা করেছে।

২৩ জুলাই ঘোষিত এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ (শুক্রবার) ওয়াশিংটন সময় রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে ১০ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত নতুন শুল্ক কার্যকর হয়েছে। এর মাধ্যমে ট্রেড অ্যাক্টের ১২২ ধারার আওতায় পূর্বে আরোপিত অস্থায়ী ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্কের পরিবর্তে নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হলো।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর বিদ্যমান মোস্ট ফেভার্ড নেশন (এমএফএন) শুল্কের পাশাপাশি অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ৮৬টি দেশের মধ্যে মাত্র ১৭টি দেশ সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্কস্তরে স্থান পেয়েছে। বাংলাদেশও এ তালিকায় থাকায় যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাকসহ সামগ্রিক রপ্তানি বাজারে দেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান অক্ষুণ্ন থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী পোশাক রপ্তানিকারক দেশ চীন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডকে সর্বোচ্চ ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্কস্তরে রাখা হয়েছে। ফলে এসব দেশের তুলনায় মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের তুলনামূলক সুবিধা আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

এদিকে ইউএসটিআর বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার জন্য তিন বছর মেয়াদি ট্যারিফ-রেট কোটা (টিআরকিউ) চালুর বিষয়টি বিবেচনা করছে। এ ব্যবস্থা কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ও বস্ত্র উপকরণ ব্যবহার করে উৎপাদিত পণ্যের ক্ষেত্রে ৩০১ ধারার অতিরিক্ত শুল্ক মওকুফ করা হতে পারে। এটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা আরও একটি প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা পাবেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বস্ত্র উপকরণের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি সম্প্রসারণেও এটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, আন্তর্জাতিক শ্রমমান বজায় রাখা এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি খাতগুলোর টেকসই প্রবৃদ্ধি, নীতিমালা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ সরকার।

একই রকম সংবাদ সমূহ

শ্রমবাজারে নতুন দিগন্ত, ৮ মাসে বিদেশে গেছেন প্রায় সাড়ে চার লাখ কর্মী

যুদ্ধের কালো মেঘ আর বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মেঘ কাটিয়েও বিদেশের শ্রমবাজারে নিজেদেরবিস্তারিত পড়ুন

নোবেলজয়ী ইউনূসকে হেনস্তা, সরকারের তীব্র নিন্দা

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশের সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারেরবিস্তারিত পড়ুন

থাইল্যান্ডে বিদেশি ব্যবসার প্রসার, বাংলাদেশের সম্ভাবনায় বাধা কেন?

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যকেন্দ্র থাইল্যান্ড। দেশটির বাজারে চীন, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, তাইওয়ান,বিস্তারিত পড়ুন

  • এসএসসিতে ফেল করলে ১৫ দিনের মধ্যে ফের পরীক্ষা : শিক্ষামন্ত্রী
  • পুলিশি পাহারায় ৩০ ঘণ্টা পর চুয়েট ছাড়লেন উপাচার্য
  • সৌদিতে আটকে পড়াদের ভিসার মেয়াদ নিয়ে ঢাকার দ্বিপক্ষীয় উদ্যোগ
  • ড. ইউনূস সম্পূর্ণ সুস্থ ও স্বাভাবিক আছেন, যা জানালেন সফরসঙ্গী
  • সৌদিগামী ৫১ ফ্লাইট বাতিল, ঢাকায় ভোগান্তিতে ৫৪১৮ যাত্রী
  • থাকছে না দলীয় প্রতীক : স্থানীয় নির্বাচনে তৃণমূলে ঐক্যের ওপর জোর বিএনপির
  • সংস্কারে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ ঐকমত্য, বিনিয়োগে জোর দিচ্ছে সরকার
  • উন্নয়ন অর্থায়নে বিশ্বব্যাংকের ‘ফিলানথ্রপি হাব’ চালু
  • ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও চারজনের, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ২১৬৭
  • বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ খাতে কানাডার প্রতি সহযোগিতার আহবান প্রধানমন্ত্রীর
  • ইউপি নির্বাচন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, ৫ ধাপের প্রথমটি ২১ জানুয়ারি
  • জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী