রবিবার, নভেম্বর ৮, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

আওয়ামী লীগ ভোটের অধিকার জনগণের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে: শেখ হাসিনা

নিজস্ব প্রতিবেদক: সব বাধা উপেক্ষা করে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ভোট দেওয়ার জন্য জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ২০০৯ সালের পর প্রতিটি নির্বাচনে মানুষ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছে। কারণ, জনগণের ভোটের অধিকার জনগণের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে এই আওয়ামী লীগ। আজকের বাংলাদেশ বদলে যাওয়া বাংলাদেশ।

বুধবার (১০ জানুয়ারি) বিকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এবং দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয় উদযাপনের এক জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, বাঙালি জাতির ভাগ্য গড়তে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার পুরো জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। দেশের মানুষের কোনও কিছু ছিল না। থাকার ঘর ছিল না, বাড়ি ছিল না, শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত ছিল দেশের মানুষ। সেই জাতির জন্য, নিজের জীবন উৎসর্গ করেন জাতির পিতা। অনেক সংগ্রাম ত্যাগের মধ্য দিয়ে এই দেশ স্বাধীন করেন।

ঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, পাকিস্তানি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে ফিরে এসেছিলেন এই বাংলাদেশে, সবার আগে ছুটে এসেছিলেন ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। যেখানে তিনি ভাষণ দিয়েছিলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, এ দেশে মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য, অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য, কী কী কাজ করা দরকার, একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশকে কীভাবে গড়ে তুলবেন সেসব বিষয়ে বঙ্গবন্ধু তার ভাষণেই উল্লেখ করেছিলেন। যে ভাষণ তিনি এ জায়গায় দিয়েছিলেন। এই ভাষণ যখন শুনি আমি মাঝে মাঝে অবাক হয়ে যাই।

দীর্ঘ ৯ মাস বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কারাগারে বন্দি ছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেখানে তাকে ঠিকমতো খাবারও দেওয়া হতো না। সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্নভাবে রাখা হয়েছিল তাকে। এমনকি একটি পত্রিকাও তার জন্য রাখা হয়নি। তার ফাঁসির হুকুম হয়ে গিয়েছিল। সেই অবস্থা থেকে বেরিয়ে লন্ডন হয়ে বাংলাদেশে পৌঁছেছিলেন তিনি।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশে পা রেখেই বাংলার জনগণের কাছে ছুটে গিয়েছিলেন মন্তব্য করে তার কন্যা শেখ হাসিনা বলেন, ১০ জানুয়ারি এখানেই তিনি ভাষণ দেন। সেই ভাষণে একটি দেশের ভবিষ্যৎ, উন্নয়ন, সব পরিকল্পনা, দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর পরিকল্পনা, মহান মুক্তিযুদ্ধের যে আদর্শ, সেটাই তিনি তুলে ধরেছিলেন।

সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের অবস্থা বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, এ দেশে অন্ন, বস্ত্র ,বাসস্থান, শিক্ষার কোনও কিছু ছিল না। প্রায় ৮০ থেকে ৯০ ভাগ মানুষই দারিদ্র্যসীমার নিচের বাস করতো। একবেলা খাবার পেত না, দিনের পর দিন না খেয়ে তাদের জীবন কাটাতে হয়েছে। সেই মানুষদের মুক্তির জন্য অনেক ত্যাগ-স্বীকার করতে হয়েছিল তাকে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

যেকোনো মূল্যে দেশের সার্বভৌমত্ব এবং মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করব : প্রধানমন্ত্রী

জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আসুন, আজ এই জাতীয়বিস্তারিত পড়ুন

কোনো ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমিয়ে রাখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘কোনো ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণকে দমিয়ে রাখতে পারবেবিস্তারিত পড়ুন

৭ কিলোমিটার পথ হেঁটে নয়াপল্টন থেকে মানিক মিয়া এভিনিউয়ে প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাজধানীতে ঐতিহাসিক সার্বভৌমত্ব র‌্যালিতে পায়ে হেঁটে নেতাকর্মীদেরবিস্তারিত পড়ুন

  • গ্রাম পুলিশ সদস্যদের বেতন বাড়ানোর ঘোষণা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
  • দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
  • শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা
  • জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
  • তাহসিফ হ-ত্যা মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে দীপ
  • কারাগারে নিরাপত্তা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে ৭ দফা নির্দেশনা
  • কোস্টগার্ডের পাঁচ জাহাজের নাম বদল, জাতীয় চার নেতার নাম ও ‘জয় বাংলা’ বাদ
  • দেয়ালে আওয়ামী স্লোগান, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ৫ শিক্ষার্থী শনাক্ত
  • দেশে ৩ সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের
  • রমজান আসার আগেই ছোলার বাজারে উত্তাপ
  • ফ্যাসিবাদী শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে : জামায়াত আমির
  • ৭ নভেম্বর: বাংলাদেশের নিজের পথ খুঁজে নেওয়ার দিন