বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ৮, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

ঢাকার আশপাশের ৫০০ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে: পরিবেশমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: বায়ুদূষণ কমাতে আগামী ১০০ দিনের কর্মসূচি হিসেবে রাজধানীর আশপাশের ৫০০ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী।

বুধবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ঢাকায় নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত মারি মাসদুপুইর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

বায়ুদূষণ কমানোর পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে পরিবেশমন্ত্রী বলেন, বায়ুদূষণ রোধে এরই মধ্যে আমরা ঢাকার আশপাশের অবৈধ ইটভাটাগুলো গুঁড়িয়ে দিচ্ছি। এতে পুরো সমস্যার সমাধান হবে না। ঢাকা শহরে সিমেন্ট-বালি পরিবহন, নির্মাণকাজ ঢেকে রাখার নিয়ম আছে। এ জন্য সবার সহযোগিতা নিয়ে আমরা কাজটা করতে চাই। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) আমরা ১০০ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করব। সেখানে এসব বিষয়ে বিস্তারিত থাকবে।

কতগুলো অবৈধ ইটভাটা আছে বা কতগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আদালতের হিসেবে ২ হাজারের মতো অবৈধ ইটভাটা রয়েছে। আমরা প্রথমে ঢাকার আশপাশে স্থায়ী চিমনিগুলো চিহ্নিত করছি। ঢাকার চারপাশে ১ হাজার অবৈধ ইটভাটা রয়েছে৷ ১০০ দিনের কর্মসূচিতে দিনে গড়ে তিন থেকে চারটি ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেব। অর্থাৎ ১০০ কর্মদিবসে লক্ষ্য হচ্ছে ৫০০ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেওয়া।

মন্ত্রী বলেন, প্রথমে আমরা বায়ু দূষণের উৎসগুলো চিহ্নিত করছি। উৎস কি সেটা না জানলে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। আরেকটা বিষয় হলো বায়ুর মান যখন খারাপ পর্যায়ে চলে যায় তখন আমরা একটা এলার্ট ইস্যু করতে চাই। জনসাধারণকে বলতে চাই আজকে আমাদের বায়ুর যে মান আছে সেটা স্বাস্থ্যের জন্য প্রচণ্ড ঝুঁকি। সুতরাং তাদের যদি জরুরি কাজ না থাকে তাহলে যেন ঘরের বাইরে না যায়। এছাড়া ডব্লিউএইচও বলছে মাস্ক পরতে হবে। এখন সরকারের পক্ষ থেকে একটা ঘোষণা এটা আমাদের দায়িত্ব।

এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড ঘিরে দুর্নীতি হয়, এগুলোকে নির্মূল করতে কাজ করছেন জানিয়ে সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, আমরা চাই না এ ধরনের ইটভাটা থাকুক। ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্লক ইট নিয়েও ভাবতে হবে, উৎসাহিত করতে হবে। আমাদের বার্তা হচ্ছে, কোনো ধরনের অবৈধ ইটভাটা রাখতে চাচ্ছি না।

ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের মধ্যে যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আছে তার একটা অন্যতম দিক হচ্ছে জলবায়ু ও পরিবেশ নিয়ে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট যখন বাংলাদেশে এসেছিলেন- তখন বলে গিয়েছিলেন একটা জলবায়ু অভিযোজন চুক্তি ফ্রান্স ও বাংলাদেশের মধ্যে করতে আগ্রহী। আজ আমরা সেই চুক্তিতে কোন বিষয়গুলো থাকবে, অগ্রাধিকার দেওয়া হবে কোন বিষয়, সেটা নিয়ে আলোচনা করেছি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

ধর্ম, বর্ণ, পরিচয় অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে বাধা হবে না : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানেবিস্তারিত পড়ুন

১০ উড়োজাহাজ কিনতে এয়ারবাসের সঙ্গে বিমানের চুক্তি

বহর আধুনিকায়ন ও আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসেরবিস্তারিত পড়ুন

পোস্টাল ভোটিং শুরু করতে বাংলাদেশের সহায়তা নেবে নেপাল

নেপালের প্রাদেশিক নির্বাচনে পোস্টাল ভোটিং শুরু করতে বাংলাদেশের আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ভোটিংবিস্তারিত পড়ুন

  • রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ একনেকে ১৩ প্রকল্পের অনুমোদন
  • দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে মুক্তিযোদ্ধাদের নির্ভুল তালিকা করা হবে: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী
  • জামিন পেলে সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়তে পারে: গাজী নজরুলের বিষয়ে বিচারক
  • ওসি রাকিবুলের ভাইরাল অডিওর কণ্ঠ নিশ্চিত, তথ্য পাচার নিয়ে তদন্ত: ডিবিপ্রধান
  • দুর্গাপূজার ছুটি পাবে না জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান
  • শিশুদের শৈশব হতে হবে নিরাপদ ও সুরক্ষিত: ডা. জুবাইদা রহমান
  • চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
  • জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব: এলজিআরডি মন্ত্রী
  • রাষ্ট্রীয় সম্মানি পাবেন ২ লাখ ৫৬ হাজার ধর্মীয় ব্যক্তি
  • ২২ জেলায় হচ্ছে ‘শিশু স্বর্গ’: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
  • বাংলাদেশ পুলিশের নতুন মুখপাত্র কামারুম মুনিরা
  • জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী