শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

ভারতের বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে ‘উদ্বেগ’ যুক্তরাষ্ট্রের, প্রত্যাখ্যান ভারতের

বিতর্কিত নতুন নাগরিকত্ব আইন নিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ‘উদ্বেগ’ প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মার্কিন উদ্বেগকে ‘ভুল স্থানে, ভুল তথ্য দেওয়া এবং অযৌক্তিক’ বলে অভিহিত করেছে।

গত ১১ মার্চ নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কার্যকর করে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে ভারত সরকার। নয়াদিল্লির ভাষ্য, ‘ভারতের বহুত্ববাদী ঐতিহ্য এবং দেশভাগ পরবর্তী ইতিহাস সম্পর্কে যাদের সীমিত ধারণা রয়েছে, তাদের লেকচার দেওয়ার চেষ্টা না করাই ভালো।’

মার্কিন পররাষ্ট্র দিপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার ‘নতুন আইনটি কীভাবে বাস্তবায়িত হবে’ তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ওয়াশিংটন ‘নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ’ করছে বলে মন্তব্য করার কয়েক ঘণ্টা পর ভারত থেকে এই বিবৃতি এলো।

নয়াদিল্লির মুখপাত্র জানিয়েছেন, সংখ্যালঘুদের সঙ্গে আচরণ নিয়ে উদ্বেগের কোনো ভিত্তি নেই।

গত ১১ মার্চ নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কার্যকর করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ভারত সরকার। পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান থেকে আসা নথিবিহীন অমুসলিম অভিবাসীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার পথ প্রশস্ত করেছে এই আইন- যারা ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে ভারতে যান। আইনটিতে হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের অনিবন্ধিত অভিবাসীদের বসবাসের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ থাকলেও মুসলিমদের কথা উল্লেখ নেই।

আইনটির সমালোচকরা প্রশ্ন তুলেছেন, কেনো আইনটিতে মুসলিমদের কথা উল্লেখ করা হয়নি। ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা এবং সকল সম্প্রদায়ের জন্য আইনের অধীনে সমান আচরণ ভারতের সংবিধানে আছে।

বিদেশি নাগরিকদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে- এমন আশঙ্কার মধ্যেই বিশেষ করে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী আসাম রাজ্যে বিক্ষোভ সত্ত্বেও ২০১৯ সালে ভারতীয় সংসদে আইনটি পাস হয়। আইনটি পাস হওয়ার পরে দেশব্যাপী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েক মাস ধরে তা অব্যাহত ছিল।

ভারতের সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, আগামী ১৯ মার্চ তারা এই আইনের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি করবে। ২০১৯ সাল থেকে প্রায় ২০০টি সংযুক্ত পিটিশন আদালতে দায়ের করা হয়েছে, যা বিতর্কিত আইনটিকে চ্যালেঞ্জ করেছে।

২০২০ সালের মার্চ মাসে তৎকালীন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট দেশটির শীর্ষ আদালতে এই আইনের বিরুদ্ধে একটি হস্তক্ষেপের আবেদন দায়ের করেছিলেন। ভারত তখন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল যে, এই আইন তাদের দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো বিদেশি পক্ষের অধিকার নেই।

একই রকম সংবাদ সমূহ

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা, পুলিশের গুলিতে আসামি নিহত

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ মহকুমার গাইঘাটায় এক নাবালিকা স্কুলছাত্রীকেবিস্তারিত পড়ুন

ভারতের পার্লামেন্টের কাছে স্বরাষ্ট্র ও অর্থ মন্ত্রণালয় ভবনে ভয়াবহ আগুন

নয়াদিল্লির পার্লামেন্ট ভবনের কাছে অবস্থিত সরকারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভবন নর্থ ব্লকের ছাদেবিস্তারিত পড়ুন

মাথাপিছু আয়ে ভারতকে পেছনে ফেলছে বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাথাপিছু জিডিপির দিক থেকে এশিয়ারবিস্তারিত পড়ুন

  • শ্মশানের পাশে মোদির ছবি রেখে ‘কালো জাদু’, তদন্তে পুলিশ
  • কাজ বাঁচাতে জরায়ু কেটে বাদ দিচ্ছেন ভারতের আখ কাটা শ্রমিকরা
  • আসামে ১১০০ মুসলিম বাড়িঘর উচ্ছেদ, ভেঙে ফেলা হয়েছে ১০ মসজিদ
  • ককরোচদের ঠেকাতে আত্মপ্রকাশ করল ‘লাল হিট জনতা পার্টি’
  • কলকাতায় দুর্গাপূজার মণ্ডপ ভেঙে নিহত ১৮
  • ভারতে সরকারের পতন হবে গণতান্ত্রিকভাবে: অভিনেতা প্রকাশ রাজ
  • বাংলাদেশের আদলে সরকার পরিবর্তনের ষড়যন্ত্র চলছে: ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী
  • মমতা ও কেজরিওয়ালকে ছেড়ে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ
  • দিল্লিতে বাসার সামনে থেকে আটক সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল
  • এবার দিল্লিতে আটক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
  • দিল্লিতে আন্দোলন, বিমান থেকে আটক অভিজিৎ দিপকে
  • সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো যাবে না: কলকাতা হাইকোর্ট