শুক্রবার, অক্টোবর ১৬, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

এবার পাকা বাড়ি পাবেন বীরাঙ্গনারা

সরকার এবার বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধাদের পাকা বাড়ি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত সপ্তাহে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সূত্র জানায়, গত বুধবার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়।

আলোচনার সূত্রপাত করেন সভার সভাপতি মন্ত্রণালয়ের সচিব খাজা মিয়া।
তিনি বলেন, অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সরকার পাকা বাড়ি করে দিচ্ছে। এটি সবার কাছে প্রশংসনীয় উদ্যোগ বলে বিবেচিত হয়েছে। যদিও প্রকৃত অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধারা বাড়ি পাচ্ছে কিনা সেটি আমাদের আরও যাচাই করে দেখতে হবে। কেননা, অভিযোগ আছে, প্রভাব খাটিয়ে সচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের কেউ কেউ বাড়ি বরাদ্দ নিচ্ছেন। এরপর সচিব সভায় প্রস্তাব করে বলেন, ‘আমি মনে করি এ প্রকল্পের মাধ্যমে বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধাদের যদি আমরা পাকা বাড়ি করে দিতে না পারি, তাহলে সরকারের এই ভালো উদ্যোগ অসম্পন্ন থেকে যাবে।’

সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক সচিবের প্রস্তাব সমর্থন করে বক্তব্য দেন। এরপর প্রস্তাবটি সর্বসম্মভাবে গৃহীত হয়। রোববার সভার কার্যবিবরণী চূড়ান্ত করে তা অনুমোদনও দেওয়া হয়।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খাজা মিয়া বলেন, ‘বীরাঙ্গনারা জাতির অনেক বড় গৌরবের প্রতীক। ফলে তাদের যথাযথ সম্মান দিতে না পারলে আমরা বিজয়ী বীরের জাতি হিসাবে প্রকৃত অর্থে সামনে এগুতে পারব না। বরং আমি মনে করি, অনেক ক্ষেত্রে আমরা তাদের সময়মতো সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে পারিনি। এজন্য বিলম্বে হলেও সরকার এখন বীরাঙ্গনাদেরও পাকা বাড়ি করে দেবে।’

তিনি বলেন, ‘তালিকাভুক্ত ৪৭৩ জনকে বীরঙ্গনাকে পাকা বাড়ি করে দেওয়া হবে। তিনকক্ষ বিশিষ্ট বাড়িতে উপরে অবশ্যই ছাদ থাকবে। প্রতিটি বাড়ি নির্মাণে খরচ হবে প্রায় ১৫ লাখ টাকা। যদি কোনো বীরাঙ্গনার জমি না থাকে তাহলে সরকার খাসজমি বরাদ্দ দিয়ে বাড়ি করে দেবে। খাস জমি পাওয়া না গেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে সুবিধাজনক স্থানে সরকারি অর্থে জমি কিনে সেখানে বাড়ি করে দেওয়া হবে। এ ছাড়া যদি কোনো বীরাঙ্গনা বাড়ি নিতে না চান, তাহলে তিনি দেশের যেকোনো নাগরিককে সেটি দান দলিল করে দিতে পারবেন।’

সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা বলেন, বীরাঙ্গনাদের তালিকা অনুযায়ী সরাসরি মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে আদেশ জারি করা হবে। উপজেলা পর্যায়ে কোনো যাচাই-বাছাই করার প্রয়োজন নেই। যেহেতু আগে থেকে বীরাঙ্গনাদের তালিকা চূড়ান্ত করা আছে, তাই খুব দ্রুত অবশিষ্ট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদেশ (জিও) জারি করা হবে। এরপর প্রকল্প পরিচালক দরপত্র আহ্বানসহ আনুষঙ্গিক কাজ শুরু করবেন।

প্রসঙ্গত, সরকার ইতোমধ্যে দেশের অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ৩০ হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধার জন্য বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়ার প্রকল্প নিয়েছে। এ প্রকল্প থেকে অনেকে পাকা বাড়ি পেয়েছেন। অবশিষ্ট বাড়ি বরাদ্দ ও নির্মাণাধীন পর্যায়ে আছে।

তথ্যসূত্র: যুগান্তর

একই রকম সংবাদ সমূহ

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থা উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়নের জন্য আট সদস্যের একটি কমিটিবিস্তারিত পড়ুন

জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখা ও সংস্কারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখা, সবুজায়ন ও প্রয়োজনীয়বিস্তারিত পড়ুন

বস্তুনিষ্ঠতার প্রশ্নে সাংবাদিকদের আপসহীন থাকতে হবে: কাদের গনি চৌধুরী

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান সম্পাদক মুহাম্মদ কাদেরবিস্তারিত পড়ুন

  • বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সহযোগিতা জোরদারে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর ডেপুটি স্পিকারের গুরুত্বারোপ
  • আইনগত সহায়তার মাধ্যমে ন্যায়বিচারের পথ সুগম করতে হবে: আইনমন্ত্রী
  • আব্দুল হাইয়ের জানাজায় অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী
  • কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি
  • পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
  • অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো অভিযানের পরিকল্পনা নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • এআই বিপ্লবে পিছিয়ে পড়ছে প্রান্তিক শিশুরা
  • নিয়ন্ত্রণহীন এলপিজি বাজার, দাম বাড়িয়েও মিলছে না সিলিন্ডার
  • ধর্মঘট করলে এলপিজি ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে : জ্বালানিমন্ত্রী
  • চীনের অর্থায়নে ঋণের বদলে বিনিয়োগে জোর বাংলাদেশের
  • এশিয়ার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা জোর, বাংলাদেশের জন্য কী বার্তা?
  • এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার, নতুন দাম নির্ধারণে গণশুনানির সিদ্ধান্ত