মঙ্গলবার, অক্টোবর ৬, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

জাতীয় সংসদের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ইন্তেকাল করেছেন

আওয়ামী লীগের অন্যতম বড় স্তম্ভ সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। যিনি ছিলেন আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের কাণ্ডারি। যার ভরাট কণ্ঠের স্লোগানে বারবার পুনরুজ্জীবিত হয়েছে আওয়ামী লীগ।

নানা চড়াই উৎরাই এর মধ্যেও সাজেদা চৌধুরী ধরেছিলেন নৌকার হাল। যখনই দুঃসময় এসেছে তখনই এই সাহসী নারীর কণ্ঠে উচ্চারিত হয়েছে জয় বাংলা শ্লোগান।

রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টা ৪০ মিনিটে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে জাতীয় সংসদের এই উপনেতা ইন্তেকাল করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।

প্রবীণ এই রাজনীতিবিদের জন্ম ১৯৩৫ সালে। পঞ্চাশের দশকে সাজেদা চৌধুরী আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। সেই ১৯৫৬ সাল থেকে তিনি আওয়ামী লীগের সঙ্গে আছেন।

সেই শুরু। দলে নানা সময়ে বিভাজন, নেতৃত্ব সংকট হয়েছে কিন্তু কখনো বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি তিনি। সময়ে দুঃসময়ে সবার আগে এগিয়ে আসেন সাজেদা চৌধুরী।

আর এ কারণেই আওয়ামী লীগের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য খুঁটিগুলোর একটি হিসাবে ধরা হতো সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে। শেখ হাসিনার কাছে যিনি ফুপু।

পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর আওয়ামী লীগ যখন অস্তিত্ব সংকটে, তখন যে কজন মিলে দল পুনর্গঠিত করার কাজ করেছিলেন তাদের মধ্যে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ছিলেন অন্যতম।

তিনি শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি করা এবং তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

১৯৭৬ সালে সাজেদা চৌধুরী আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। পরে ১৯৮৬ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত তিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

এর আগে ১৯৬৯ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি। দলের সব ধরনের কর্মসূচিতে সাজেদা চৌধুরীকে পাওয়া যেতে সবার আগে।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর সাজেদা চৌধুরী বন ও পরিবেশমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তবে কখনই তিনি রাজনীতির মাঠ ছেড়ে যাননি।

২০০৭ সালে যখন দেশের রাজনীতিতে চরম সংকটময় মুহূর্তেও শক্ত হাতে মোকাবেলা করেন সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। দলের মধ্যে ঐক্য ধরে রাখতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।

২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়ের পর নবম জাতীয় সংসদে সাজেদা চৌধুরীকে প্রথমবার উপনেতা করা হয়। এরপর দশম সংসদেও তিনি উপনেতার দায়িত্ব পান।

স্বাধীনতা পদকসহ অসংখ্য দেশীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী টানা তৃতীয়বার মহিলা সংসদ উপনেতা হওয়ার রেকর্ড গড়েছেন।

১৯৯২ সাল থেকে তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য। রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক নানা কাজে নিজেকে জড়িয়ে ছিলেন বরেণ্য এ রাজনীতিক।

বঙ্গবন্ধু নারী পুনর্বাসন বোর্ড গঠন করে তা পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করেন তার ওপর। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ গার্লস গাইডের ন্যাশনাল কমিশনার নির্বাচিত হন তিনি।

আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধুর প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসের কারণে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী একজন সাধারণ কর্মী থেকে ধীরে ধীরে তিনি হয়ে উঠেন রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ নেতা।

একই রকম সংবাদ সমূহ

২২ অক্টোবর ছুটি অনুমোদন, পূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্যবিস্তারিত পড়ুন

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান বলেছেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকারবিস্তারিত পড়ুন

ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে মন্টেনিগ্রো পার্লামেন্টের সদস্যের সাক্ষাৎ

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে তার কার্যালয়ে মন্টেনিগ্রো পার্লামেন্টেরবিস্তারিত পড়ুন

  • ব্যবসা-বাণিজ্যে এগিয়ে আসতে তরুণদের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির
  • সবার জন্য নিরাপদ ও টেকসই বাসস্থান নিশ্চিতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী
  • সংবিধান সংশোধন কমিটির পঞ্চম বৈঠক শেষে যে তথ্য দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
  • পুলিশের ২৪ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বদলি
  • এক বছরের মধ্যে পুঁজিবাজারের চেহারা বদলে যাবে: অর্থমন্ত্রী
  • পুঁজিবাজারে ৮ মাসে বিদেশি লেনদেন বেড়েছে ৩৭.৬ শতাংশ
  • গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
  • ট্রাম্পের সঙ্গে বিশ্বনেতাদের ছবির ফ্রেমে বিতর্ক, পেছনের গল্প যা
  • এক বছরে তিন গুণ বেড়েছে ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহারকারী
  • বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণ কাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর