সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

জাতীয় সংসদের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ইন্তেকাল করেছেন

আওয়ামী লীগের অন্যতম বড় স্তম্ভ সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। যিনি ছিলেন আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের কাণ্ডারি। যার ভরাট কণ্ঠের স্লোগানে বারবার পুনরুজ্জীবিত হয়েছে আওয়ামী লীগ।

নানা চড়াই উৎরাই এর মধ্যেও সাজেদা চৌধুরী ধরেছিলেন নৌকার হাল। যখনই দুঃসময় এসেছে তখনই এই সাহসী নারীর কণ্ঠে উচ্চারিত হয়েছে জয় বাংলা শ্লোগান।

রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টা ৪০ মিনিটে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে জাতীয় সংসদের এই উপনেতা ইন্তেকাল করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।

প্রবীণ এই রাজনীতিবিদের জন্ম ১৯৩৫ সালে। পঞ্চাশের দশকে সাজেদা চৌধুরী আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। সেই ১৯৫৬ সাল থেকে তিনি আওয়ামী লীগের সঙ্গে আছেন।

সেই শুরু। দলে নানা সময়ে বিভাজন, নেতৃত্ব সংকট হয়েছে কিন্তু কখনো বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি তিনি। সময়ে দুঃসময়ে সবার আগে এগিয়ে আসেন সাজেদা চৌধুরী।

আর এ কারণেই আওয়ামী লীগের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য খুঁটিগুলোর একটি হিসাবে ধরা হতো সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে। শেখ হাসিনার কাছে যিনি ফুপু।

পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর আওয়ামী লীগ যখন অস্তিত্ব সংকটে, তখন যে কজন মিলে দল পুনর্গঠিত করার কাজ করেছিলেন তাদের মধ্যে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ছিলেন অন্যতম।

তিনি শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি করা এবং তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

১৯৭৬ সালে সাজেদা চৌধুরী আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। পরে ১৯৮৬ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত তিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

এর আগে ১৯৬৯ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি। দলের সব ধরনের কর্মসূচিতে সাজেদা চৌধুরীকে পাওয়া যেতে সবার আগে।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর সাজেদা চৌধুরী বন ও পরিবেশমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তবে কখনই তিনি রাজনীতির মাঠ ছেড়ে যাননি।

২০০৭ সালে যখন দেশের রাজনীতিতে চরম সংকটময় মুহূর্তেও শক্ত হাতে মোকাবেলা করেন সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। দলের মধ্যে ঐক্য ধরে রাখতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।

২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়ের পর নবম জাতীয় সংসদে সাজেদা চৌধুরীকে প্রথমবার উপনেতা করা হয়। এরপর দশম সংসদেও তিনি উপনেতার দায়িত্ব পান।

স্বাধীনতা পদকসহ অসংখ্য দেশীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী টানা তৃতীয়বার মহিলা সংসদ উপনেতা হওয়ার রেকর্ড গড়েছেন।

১৯৯২ সাল থেকে তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য। রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক নানা কাজে নিজেকে জড়িয়ে ছিলেন বরেণ্য এ রাজনীতিক।

বঙ্গবন্ধু নারী পুনর্বাসন বোর্ড গঠন করে তা পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করেন তার ওপর। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ গার্লস গাইডের ন্যাশনাল কমিশনার নির্বাচিত হন তিনি।

আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধুর প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসের কারণে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী একজন সাধারণ কর্মী থেকে ধীরে ধীরে তিনি হয়ে উঠেন রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ নেতা।

একই রকম সংবাদ সমূহ

মাথাপিছু আয়ে ভারতকে পেছনে ফেলছে বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাথাপিছু জিডিপির দিক থেকে এশিয়ারবিস্তারিত পড়ুন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয়ভাবে কাউকে প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার সুযোগ নেই : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

নতুন আইন অনুযায়ী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয়ভাবে কাউকে প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার সুযোগবিস্তারিত পড়ুন

টিন সার্টিফিকেট আছে, রিটার্ন দেননি? ৫ হাজার টাকা জরিমানা নিয়ে যে বার্তা এলো

ই-টিন (e-TIN) নিবন্ধন থাকলেই আয়কর রিটার্ন জমা না দেওয়ার কারণে সবার ৫বিস্তারিত পড়ুন

  • ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে সেন্টমার্টিন
  • অন্যের নামে রেকর্ড হওয়া জমি নিজের নামে ফেরাবেন যেভাবে
  • শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতকে কয়েক দফা আবেদন জানানো হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • বাংলাদেশে ফ্যাসিস্ট বা পলাতক অপরাধীকে কোন অপতৎপরতা চালানোর সুযোগ দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫৪৮ ছাত্রীকে বাইসাইকেল দিলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
  • শুধু বেঞ্চ বাড়িয়ে মামলাজট কমানো সম্ভব নয়: অ্যাটর্নি জেনারেল
  • চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হলেন ডা. শাহাদাত
  • মেট্রোরেল স্টেশনগুলোতে আধুনিক নিরাপত্তা সরঞ্জাম স্থাপনের সিদ্ধান্ত
  • এবারের পূজায় কেউ নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেনি : পূজা উদযাপন ফ্রন্ট
  • তিন দিন বন্ধ থাকার পর সচল বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট
  • স্পেন ও যুক্তরাজ্য সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ
  • নতুন নম্বরপ্লেট ভুল নিয়মে বানালে হতে পারে শাস্তি