বুধবার, অক্টোবর ১৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

পদ্মা সেতুর নিচে মাটি অপসারণে ঝুঁকি নেই, এটি প্রকল্পেরই অংশ: সেতুমন্ত্রী

পদ্মা রেলওয়ে সেতুর নিচে মাটি অপসারণ প্রকল্পের প্রয়োজনেই করা হয়েছে এবং এতে সেতুর নিরাপত্তার কোনো ঝুঁকি নেই বলে জানিয়েছেন সড়ক, সেতু ও রেল পরিবহন মন্ত্রী রবিউল আলম।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) সকালে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার আলীগঞ্জ এলাকায় পদ্মা রেল সেতুর ভায়াডাক্টের নিচে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘সম্প্রতি ভায়াডাক্টের নিচে মাটি কাটার বিষয়ে যেভাবে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তাতে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। মাটি অপসারণের বিষয়টি সত্য হলেও এটি কোনো অপরিকল্পিত বা স্বেচ্ছাচারী কাজ নয়। বরং প্রকল্পের চুক্তি ও নকশা অনুযায়ী নির্ধারিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এই কাজ করা হচ্ছে।’

তিনি জানান, ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত ১৬ দশমিক ৭৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ভায়াডাক্ট নির্মাণের সময় ভারী যন্ত্রপাতি ও নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের জন্য জলাভূমির ওপর অস্থায়ী ভরাট করা হয়েছিল। প্রকল্প শেষ হওয়ার পর সেই ভরাট অপসারণ করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার বাধ্যবাধকতা চুক্তিতেই রয়েছে।

রবিউল আলম বলেন, ‘ইতোমধ্যে ১৬ দশমিক ৭৬ কিলোমিটারের মধ্যে ১৪ দশমিক ৪১ কিলোমিটার অংশের অস্থায়ী ভরাট অপসারণ করা হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ২ দশমিক ৩৪ কিলোমিটার অংশের কাজ বাকি রয়েছে। পরিবেশের স্বাভাবিক জলপ্রবাহ ও জলাভূমির ভারসাম্য রক্ষার স্বার্থেই এই কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘গড়ে প্রায় সাড়ে পাঁচ ফুট মাটি অপসারণের পর মূল প্রাকৃতিক স্তরে পৌঁছানো যাবে। আর সেই স্তরেরও প্রায় সাত থেকে আট ফুট নিচে রয়েছে পাইল ক্যাপ, যার পুরুত্ব ছয় ফুট। এর আরও নিচে প্রায় ২০০ ফুট গভীরে আটটি পাইলের ওপর পুরো ভায়াডাক্ট দাঁড়িয়ে আছে। ফলে মাটি অপসারণের সঙ্গে সেতুর কাঠামোগত নিরাপত্তার কোনো নেতিবাচক সম্পর্ক নেই।’

মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ রেলওয়ের বিশেষজ্ঞদের নকশা ও তত্ত্বাবধানে কাজটি পরিচালিত হচ্ছে। তাই নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। ভবিষ্যতে রেলপথ সম্প্রসারণের প্রয়োজন হলেও সংশ্লিষ্ট রেলওয়ের জমি দেশের স্বার্থেই সর্বোত্তমভাবে ব্যবহার করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘রেলওয়ের জায়গা রেলওয়ের প্রয়োজনেই ব্যবহার হবে। প্রকল্পের অংশ হিসেবে যেটুকু মাটি অপসারণ প্রয়োজন, সেটুকু অবশ্যই করা হবে। একই সঙ্গে পরিবেশ ও নিরাপত্তার বিষয়েও আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি।’

সংবাদ সম্মেলনে প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ছাড়াও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত জুলাই মাসের মধ্যবর্তী সময়ে নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লার আলীগঞ্জে পদ্মা রেল সেতুর পিলারের নিচে মাটি কেটে নেওয়ার সংবাদ সারা দেশে আলোচিত হয়, এভাবে পদ্মা, রেলস্টেশনের নিচে মাটি কেটে নেওয়া এবং বিক্রি করায় ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছিল।

একই রকম সংবাদ সমূহ

শ্রমবাজারে নতুন দিগন্ত, ৮ মাসে বিদেশে গেছেন প্রায় সাড়ে চার লাখ কর্মী

যুদ্ধের কালো মেঘ আর বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মেঘ কাটিয়েও বিদেশের শ্রমবাজারে নিজেদেরবিস্তারিত পড়ুন

নোবেলজয়ী ইউনূসকে হেনস্তা, সরকারের তীব্র নিন্দা

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশের সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারেরবিস্তারিত পড়ুন

থাইল্যান্ডে বিদেশি ব্যবসার প্রসার, বাংলাদেশের সম্ভাবনায় বাধা কেন?

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যকেন্দ্র থাইল্যান্ড। দেশটির বাজারে চীন, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, তাইওয়ান,বিস্তারিত পড়ুন

  • এসএসসিতে ফেল করলে ১৫ দিনের মধ্যে ফের পরীক্ষা : শিক্ষামন্ত্রী
  • পুলিশি পাহারায় ৩০ ঘণ্টা পর চুয়েট ছাড়লেন উপাচার্য
  • সৌদিতে আটকে পড়াদের ভিসার মেয়াদ নিয়ে ঢাকার দ্বিপক্ষীয় উদ্যোগ
  • ড. ইউনূস সম্পূর্ণ সুস্থ ও স্বাভাবিক আছেন, যা জানালেন সফরসঙ্গী
  • সৌদিগামী ৫১ ফ্লাইট বাতিল, ঢাকায় ভোগান্তিতে ৫৪১৮ যাত্রী
  • থাকছে না দলীয় প্রতীক : স্থানীয় নির্বাচনে তৃণমূলে ঐক্যের ওপর জোর বিএনপির
  • সংস্কারে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ ঐকমত্য, বিনিয়োগে জোর দিচ্ছে সরকার
  • উন্নয়ন অর্থায়নে বিশ্বব্যাংকের ‘ফিলানথ্রপি হাব’ চালু
  • ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও চারজনের, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ২১৬৭
  • বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ খাতে কানাডার প্রতি সহযোগিতার আহবান প্রধানমন্ত্রীর
  • ইউপি নির্বাচন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, ৫ ধাপের প্রথমটি ২১ জানুয়ারি
  • জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী