শুক্রবার, অক্টোবর ১৮, ২০২৪

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

অধ্যাপক তাহের হত্যা মামলায় দুই আসামির ফাঁসির রায় কার্যকর

অধ্যাপক তাহের হত্যায় দুই আসামির ফাঁসি কার্যকর অধ্যাপক তাহের আহমেদ (বামে) ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এস তাহের আহমেদ হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামির ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে।

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) রাত ১০টা ১ মিনিটে আসামি ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন এবং জাহাঙ্গীর আলমের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

ফাঁসি কার্যকরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. আব্দুল জলিল।

২০০৬ সালের (১ ফেব্রুয়ারি) নিখোঁজ হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক এস তাহের আহমেদ। দুইদিন পর (৩ ফেব্রুয়ারি) রাবিতে তার কোয়ার্টারের বাসার পেছনের ম্যানহোল থেকে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওইদিন রাতে তার ছেলে সানজিদ আলভি আহমেদ রাজশাহীর মতিহার থানায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় পুলিশ অধ্যাপক তাহেরের সহকর্মী সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের তৎকালীন সভাপতি মাহবুবুল আলম সালেহী ও স্থানীয় জাহাঙ্গীর আলমসহ আটজনকে গ্রেফতার করে।

২০০৭ সালের (১৭ মার্চ) ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। ২০০৮ সালের (২২ মে) রাজশাহীর দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক চারজনকে ফাঁসির আদেশ ও দুজনকে খালাস দেন।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, অধ্যাপক ড. তাহেরের বাসার কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীর আলম, তার ভাই নাজমুল আলম ও নাজমুল আলমের স্ত্রীর ভাই আব্দুস সালাম। তবে বিচারে খালাস পান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের তৎকালীন সভাপতি মাহবুবুল আলম সালেহী ও জাহাঙ্গীরের বাবা আজিমুদ্দিন মুন্সি।

পরবর্তীতে সাজাপ্রাপ্তরা উচ্চ আদালতে আপিল করেন। আপিল বিভাগ মিয়া মহিউদ্দিন ও জাহাঙ্গীর আলমের রায় বহাল রাখলেও নাজমুল আলম ও নাজমুলের স্ত্রীর ভাই আব্দুস সালামের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন করেন।

সর্বশেষ মহিউদ্দিন ও জাহাঙ্গীর রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেন। কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রায় ছয় মাস আগে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেছিলেন তারা। সে আবেদন নাকচ করেন রাষ্ট্রপতি। এরপর সব প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার রাতে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

এর আগে গত (২৫ জুলাই) দুই আসামির পরিবারের সদস্যরা তাদের সঙ্গে শেষ সাক্ষাৎ করেছেন। জাহাঙ্গীরের পরিবারের ৩৫ সদস্য তার সঙ্গে দেখা করেন। আর মহিউদ্দিনের সঙ্গে দেখা করে তার পরিবারের পাঁচ সদস্য।

একই রকম সংবাদ সমূহ

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষায় পাশ শহীদ আবু সাঈদ

জুলাইয়ের ১২ ও ১৩ তারিখে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।বিস্তারিত পড়ুন

সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী যেভাবে পালিয়ে ভারত থেকে রাশিয়ায়

শাহরিয়ার আলম রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের চারবারের সংসদ-সদস্য (এমপি)। এর মধ্যে দুই দফায়বিস্তারিত পড়ুন

দিল্লির কোনো গোলামকে আর দেশের জনগণের ওপর রাজত্ব করতে দেয়া হবে না: রিজভী

দিল্লির কোনো গোলামকে আর বাংলাদেশের জনগণের ওপর রাজত্ব করতে দেয়া হবে নাবিস্তারিত পড়ুন

  • সাতক্ষীরায় রাবি এলামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভা, কমিটি গঠন
  • ‘বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের রাজনৈতিক দল গঠনের বিষয়টি গুজব’
  • রাজশাহী-৪ আসনের আ.লীগের সাবেক এমপি এনামুল গ্রেপ্তার
  • আগামি নির্বাচন ইতিহাসের কঠিন পরীক্ষা: তারেক রহমান
  • অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে ক্ষমতাচ্যুত অনেককেই আশ্রয় দেয়া হয়েছে: সেনাপ্রধান
  • নারী পুলিশকে ‘কামড়’: মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কারাগারে
  • ‘কমপ্লিট শাটডাউনে’ উত্তাল ঢাকা
  • খামে ভরা টাকা নিলেন রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানার ওসি, ভিডিও ভাইরাল
  • যৌন হয়রানির দায়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক চাকরিচ্যুত
  • প্রভাবশালীরা উপজেলা নির্বাচনে প্রভাব খাটালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: ইসি রাশেদা
  • শনিবারও বন্ধ থাকবে যেসব জেলার স্কুল-কলেজ
  • প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় বিএনপি নেতা চাঁদ