বুধবার, অক্টোবর ৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কলারোয়ায় অনাবাদী জলাবদ্ধ জমিতে সাফল্যের ‘পানি ফল’

পানি ফল, দেখতে সিংড়ার মতো বলে স্থানীয়দের কাছে ফলটি পানি সিংড়া নামেও পরিচিত, খেতেও সুস্বাদু। সেই পানি ফল বা পানি সিংড়া চাষে সাফল্য পেয়েছেন সাতক্ষীরার কলারোয়ার বহু কৃষক। মূলত পতিত জলাবদ্ধ জমিতে এর চাষাবাদে ব্যাপক ফলন পরিলক্ষিত হচ্ছে গত কয়েক বছর ধরে। ফলে সাফল্য পেয়ে এই মৌসুমি পানি ফল চাষে অনেকে যেমন ঝুঁকছেন তেমনি পতিত ও জলাবদ্ধ জমিও কাজে লাগানো যাচ্ছে।

যশোর-সাতক্ষীরা আঞ্চলিক মহাসড়কের দু’ধারে পৌরসদরের গোপিনাথপুর ও যুগিবাড়ির কয়েকশত বিঘা জমি বছরের বেশিরভাগ সময় থাকতো জলাবদ্ধ। ফসল তেমন হতোই না। বাধ্য হয়ে কেউ কেউ ভেড়িবাঁধ দিয়ে মাছ চাষের ঘের তৈরি করেছে। তবে অনেকে সেটাও পারেনি। ফলে বেশির জমি থাকতো অনাবাদী। সেই অনাবাদী ও জলাবদ্ধ জমিতে পানি ফল বা পানি সিংড়া চাষাবাদে সাফল্য পাচ্ছেন প্রান্তিক কৃষকেরা। এখন সেই জলাবদ্ধ পতিত জমিতে শোভা পাচ্ছে পানি ফলের গাছ। প্রতিদিন ভোরে নারী-পুরুষ হাটুপানিতে বা কোমরপানিতে নেমে ফল তুলছেন। দিনভর সেখানে যশোর-সাতক্ষীরা আঞ্চলিক মহাসড়কের ধারে বসে পানি ফল বা পানি সিংড়া বিক্রি করতে দেখা যায়। আর ক্ষুদ্র মৌসুমি ব্যবসায়ীরা ভ্যান, ইজিবাইক বা অন্য যানবাহানে বস্তায় ভরে এই পানি ফল বিক্রির জন্য নিয়ে যান অন্যত্র। এছাড়াও এই পানি ফল বা পানি সিংড়া চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন এলাকায়।

পলাশ, সঞ্জু, সিয়াম, রাসেলসহ অনেকে জানান, উপজেলার পতিত জমিতে পানি ফলের চাষ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। মূলত কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় এ ফল চাষে আগ্রহী হচ্ছেন এখানকার কৃষকরা।

তারা জানান, প্রতি বছর বোরো ধান কাটার পর সেখানকার পতিত জমিতে পানি জমে থাকে। সেই জলাবদ্ধ জমি ও আশপাশের ডোবাসহ খাল-বিলের জমে থাকা পানির মধ্যে এই ফলের লতা রোপণ করা হয়। তিন থেকে সাড়ে তিন মাসের মধ্যে গাছে ফল আসে। এ ফল চাষে সার-কীটনাশকের প্রয়োজন হয় না।

পানি ফল চাষি ওসমান, তৌহিদ, আবুল, কাদের, কবিরসহ কয়েকজন জানান, সরকারি-বেসরকারি খাত থেকে ঋণ সহায়তা পেলে আরো অনেক প্রান্তিক কৃষক পানি ফল চাষের সুযোগ পেতে পারেন। ফলে জলাবদ্ধ ও পতিত জমি আর অনাবাদী থাকবে না, মানুষের আর্থিক স্বচ্ছলতা ও গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা হতে পারে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শুভ্রাংশু শেখর দাস জানান, পানি ফল সম্ভাবনাময় ফসল। এটি বর্ষজীবী জলজ উদ্ভিদ। উপজেলায় চলতি বছর প্রায় ৩৮ হেক্টর পতিত জমিতে পানিফল চাষ হয়েছে। পানিফলের পুষ্টির মান অনেক বেশি।
তিনি আরো জানান, যেকোনো পতিত পুকুর, ডোবা অথবা জলাশয়ে পানি ফল চাষ করা সম্ভব। এর উৎপাদন খরচও কম।

একই রকম সংবাদ সমূহ

দিল্লিতে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠক

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী অনির্ধারিত সফরে দিল্লি গিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রীবিস্তারিত পড়ুন

শেখ হাসিনাকে হস্তান্তরের প্রশ্নে বিশদ ব্যাখা দিলেন ত্রিবেদী

ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে বিশদ ব্যাখ্যাবিস্তারিত পড়ুন

বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি: ইন্টারনেট বন্ধ, সাতশ’র বেশি আটক

ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও গণহারে ভোটারের নামবিস্তারিত পড়ুন

  • ১২০ শতাংশ নিশ্চিত ভারত-বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হবে: দীনেশ ত্রিবেদী
  • ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ : হুমায়ুন কবির
  • ভারত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যেকোনো অভিযানের জন্য প্রস্তুত: রাজনাথ সিং
  • নাশকতার নির্দেশনা ভারতীয় নম্বর থেকে, বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ভিডিও পাঠালে ১০ হাজার
  • বাংলাদেশি সাংবাদিকদের ফ্রিতে সাংবাদিকতা শেখাবে ভারত
  • দিল্লিতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার আসাদ আলম, অনুমোদন দিল ভারত
  • কলকাতা নিউমার্কেট এলাকার ৮০০ রুপির ঘর এখন ৩ হাজার
  • নরেন্দ্র মোদির জন্মদিনে প্রদীপ না জ্বালানোয় জরিমানা
  • প্রতি লিটারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লো ২০ টাকা
  • ইন্দিরা পেরেছিলেন, দল-প্রতীক হারিয়ে মমতা কি ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন?
  • ‘নিজের ফাঁদেই আটকা ভারত’: বাংলাদেশকে পাকিস্তান না ভাবার সতর্কবার্তা শেখর গুপ্তের
  • ভারতের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্কের বিলে সই করলেন ট্রাম্প