শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কলারোয়ায় মকবুলের কলামোচার চপ সাড়া ফেলেছে সবখানে!

কলারোয়ার মকবুল ভাইয়ের কলার মোচার চপ স্বাদে ও মানে অতুলনীয়। কলার মোচা দিয়ে তৈরি করা এ চপ সাড়া ফেলে দিয়েছে সবখানে। প্রতিদিন বিকেল থেকে রাত অবধি এই প্রসিদ্ধ চপ বেচাবিক্রি হয়ে থাকে। এখন এক নামে সকলেই চেনেন মকবুল ভাইয়ের চপের দোকান। কলারোয়ার জালালাবাদ ইউনিয়নের সিংহলাল বাজার। এই বাজারে বটতলা হয়ে বাটরা অভিমুখী সড়কে মকবুল ভাইয়ের চপের দোকানটির অবস্থান। প্রতিদিন ২০টির বেশি কলার মোচা দিয়ে চপ তৈরি করে থাকেন মকবুল হোসেন।

সরেজমিনে মকবুল ভাইয়ের প্রসিদ্ধ চপের দোকানে যেয়ে দেখা যায়, কড়াই থেকে তিনি চপ ভেজে তুলছেন এবং সাথে সাথে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। এক কড়াইয়ে যতগুলো চপ ভেজে তৈরি করা হয়, তার চেয়ে বেশি সংখ্যক খরিদ্দার চপ পাবার অপেক্ষায় থাকেন। একটি মুখরোচক খাদ্যকে শিল্পে রূপ দিয়েছেন মকবুল হোসেন। বিকেল থেকে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত অবিরত চপ বানিয়ে চলেছেন তিনি। এক এক কড়াই চপ ডালায় ভরছেন আর নিমিষেই তা শেষ হয়ে যাচ্ছে। এ এক অভাবনীয় দৃশ্য! কোনো খাদ্য সামগ্রী বানানোর সাথে সাথে শেষ হয়ে যাওয়ার এমন দৃশ্য বিরল। এক এক জন মানুষ অনেকগুলো চপ দোকানে বসে খান। আবার বাড়ির অন্যদের জন্যও নিয়ে যান। একটি শখের খাবার সময়ের ব্যবধানে নিত্য খাবারে পরিণত হয়েছে।

এ বিষয়ে আলাপকালে মকবুল হোসেন বলেন, তার গ্রামের বাড়ি শংকরপুর। এ অঞ্চলে মাছের অনেক ঘের রয়েছে। ঘেরের পাড়ে কলা চাষও করা হয় যথেষ্ট। কলার কাঁদি পুষ্ট হওয়ার পর সাধারণত মোচা কেটে ফেলা হয়। তিনি জানান, প্রতিদিনই বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ১৫/২০টার মতো মোচা সংগ্রহ করেন। এগুলোর জন্য তার কোনো টাকা দেওয়া লাগে না। চপ প্রস্তুত পদ্ধতি সম্পর্কে তিনি জানান, মোচার সাথে পেঁয়াজ-ঝাল ও ও মসলার সংযুক্তি ঘটিয়ে বেসন দিয়ে এই চপ তৈরি করা হয়। প্রতিদিন যেরকম মোচা সংগৃহীত হয়, তেমন পরিমাণ চপ তৈরি করা হয়। তারপরও প্রতিদিন তিন-চার কেজি বেসন প্রয়োজন হয় বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, তার তৈরি করার চপ খেতে শুধু সুস্বাদুই নয়-এটি সহজে হজমও হয়।

তবে তিনি বলেন, এই চপ তৈরি করতে অন্যান্য চপের তুলনায় তেল বেশি প্রয়োজন হয়। এই সিংহলাল বাজারে বসে কথা হয় ইউপি সদস্য মোজাব্বর হোসেনের সাথে। তিনি জানান, অনেক দূর থেকে মানুষ এখানে আসেন চপ খেতে ও তা বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য। মকবুলের এই চপ, একবার যে খেয়েছে-বারবার তার খাওয়ার ইচ্ছে হবে। সব মিলিয়ে এই চপ প্রত্যন্ত গ্রাম সিংহলালকে অন্য ধরনের এক পরিচিতি এনে দিয়েছে। একজন ব্যক্তির বানানো একটি খাদ্যদ্রব্যের কারণে একটি জনপদ পরিচিতি লাভ করছে সবখানে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়ায় ৩দিন ব্যাপী তাফসিরুল কোরআন মাহফিলের প্রথম দিন অনুষ্ঠিত

কলারোয়ায় ৩দিন ব্যাপী তাফসিরুল কোরআন মাহফিলের প্রথম দিন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ICT কোচিংবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় বিএনপির মেম্বার প্রার্থী বাছাইয়ে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় বিএনপির এক মতবিনিময় সভাবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় সাংবাদিকদের সঙ্গে শফিউল আলম শফির মতবিনিময়

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নকে আধুনিকবিস্তারিত পড়ুন

  • কলারোয়ায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ এর উদ্বোধন
  • সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় ৭ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ
  • কলারোয়া পাইলট হাইস্কুল ও গার্লস হাইস্কুলে বিশুদ্ধ পানির পয়েন্ট উদ্বোধন
  • কলারোয়ার বিভিন্ন সড়কের উন্নয়নকাজ পরিদর্শনে এমপি ইজ্জত উল্লাহ
  • কলারোয়ায় পাটগুদামে আগুন, পুড়লো ৬৫লাখ টাকার পাট
  • কলারোয়ার সাবেক পৌর মেয়র আখতারুলের বিরুদ্ধে ইটভাটা দখলের অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট
  • সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ কিশোর আটক
  • কলারোয়ার কেঁড়াগাছি-কাকডাঙ্গা ছাফেদের মোড় সড়কের সংস্কার কাজ শুরু, স্বস্তির অপেক্ষায় এলাকাবাসী
  • কলারোয়া বাজারে ডেঙ্গু সচেতনতায় ইউএনও’র প্রচারাভিযান
  • রাস্তার মধ্যে পণ্য রাখায় কলারোয়ায় ৯জন দোকানীকে জরিমানা
  • কলারোয়ায় দোকান ভাংচুর ও মারপিটের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
  • সাতক্ষীরা সীমান্তে ২০ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্যসহ আটক ১