শুক্রবার, অক্টোবর ১৬, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

ছয় দফা নিপীড়িত মানুষের মুক্তি আন্দোলনের অনুপ্রেরণার উৎস : রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আবদুল হামিদ বলেছেন, ‘ঐতিহাসিক ছয় দফা কেবল বাঙালি জাতির মুক্তিসনদ নয়, সারা বিশ্বের নিপীড়িত-নির্যাতিত মানুষের মুক্তি আন্দোলনের অনুপ্রেরণার উৎস।’

তিনি বলেন, ‘তরুণ প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুর ছয় দফার দাবি থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে বলে আমার বিশ্বাস। বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়তে চেয়েছিলেন। তার সেই স্বপ্ন পূরণে তথা সুখি-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে আমি সকলের প্রতি আহ্বান জানাই।’

রাষ্ট্রপতি সোমবার (৭ জুন) ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম ও স্বাধীনতার ইতিহাসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ছয় দফা একটি অন্যতম মাইলফলক। ঐতিহাসিক এ দিনে আমি জাতির পিতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য যারা জীবন দিয়েছেন, আমি তাদের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই।’

তিনি বলেন, ‘বাঙালির স্বাধীনতা একদিনে অর্জিত হয়নি। ১৯৪৮ সালে বাংলা ভাষার দাবিতে যে আন্দোলনের সূত্রপাত হয়, তার সফল পরিসমাপ্তি ঘটে ’৫২-এর ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। রচিত হয় বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি।

এরপর ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট গঠন, ১৯৫৮ সালে সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, ১৯৬২ সালে শিক্ষা কমিশন আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় বাঙালির স্বায়ত্তশাসনের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬ সালে লাহোরে সর্বদলীয় সম্মেলনে ঐতিহাসিক ছয় দফা প্রস্তাব পেশ করেন। শাসনতান্ত্রিক কাঠামো, কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা, মুদ্রানীতি, রাজস্ব ও করনীতি, বৈদেশিক বাণিজ্য, আঞ্চলিক বাহিনী গঠনসহ এই ছয় দফার মধ্যেই তিনি পূর্ব বাংলার রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক স্বার্থকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরেন, যার মধ্যে নিহিত ছিল বাঙালির স্বাধিকার ও স্বায়ত্তশাসনের রূপরেখা।’

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, ‘ঐতিহাসিক ছয় দফা ঘোষণার পর শাসকগোষ্ঠী বঙ্গবন্ধুকে বারবার গ্রেফতার করে এবং তার ওপর অমানবিক নির্যাতন চালায়। তা সত্ত্বেও তিনি ছয় দফার দাবি থেকে পিছপা হননি। তার নেতৃত্বে দাবি আদায়ের আন্দোলন বেগবান হয় এবং তা অল্প সময়ের মধ্যে সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়ে। শাসকগোষ্ঠী ছয় দফার আন্দোলন স্থিমিত করতে গ্রেফতার, নির্যাতনসহ কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

১৯৬৬ সালের ৭ জুন ছয় দফা দাবির সমর্থনে আওয়ামী লীগের আহ্বানে সাধারণ ধর্মঘট চলাকালে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর মদদে পুলিশের গুলিতে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে ১১ জন নিহত হন। আহত ও গ্রেফতার হন অনেকে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থা উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়নের জন্য আট সদস্যের একটি কমিটিবিস্তারিত পড়ুন

জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখা ও সংস্কারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখা, সবুজায়ন ও প্রয়োজনীয়বিস্তারিত পড়ুন

বস্তুনিষ্ঠতার প্রশ্নে সাংবাদিকদের আপসহীন থাকতে হবে: কাদের গনি চৌধুরী

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান সম্পাদক মুহাম্মদ কাদেরবিস্তারিত পড়ুন

  • বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সহযোগিতা জোরদারে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর ডেপুটি স্পিকারের গুরুত্বারোপ
  • আইনগত সহায়তার মাধ্যমে ন্যায়বিচারের পথ সুগম করতে হবে: আইনমন্ত্রী
  • আব্দুল হাইয়ের জানাজায় অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী
  • কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি
  • পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
  • অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো অভিযানের পরিকল্পনা নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • এআই বিপ্লবে পিছিয়ে পড়ছে প্রান্তিক শিশুরা
  • নিয়ন্ত্রণহীন এলপিজি বাজার, দাম বাড়িয়েও মিলছে না সিলিন্ডার
  • ধর্মঘট করলে এলপিজি ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে : জ্বালানিমন্ত্রী
  • চীনের অর্থায়নে ঋণের বদলে বিনিয়োগে জোর বাংলাদেশের
  • এশিয়ার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা জোর, বাংলাদেশের জন্য কী বার্তা?
  • এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার, নতুন দাম নির্ধারণে গণশুনানির সিদ্ধান্ত