বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

ডিসেম্বরের শেষে মেট্রোরেলের উদ্বোধন, এবার শুরু পাতাল রেলের কাজ

ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে মেট্রোরেলের উদ্বোধন।
বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মেট্রোরেলের উদ্বোধন আগামী ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে হবে বলে জানিয়েছেন ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম এ এন ছিদ্দিক।

বুধবার (২৩ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে মেট্রোরেলের (এমআরটি লাইন-১) ডিপো এলাকার ভূমি উন্নয়ন বিষয়ক এক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

গত সেপ্টেম্বরে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী ডিসেম্বরে আমাদের বিজয়ের মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই এমআরটি লাইন-৬ এর উদ্বোধন করবেন।

মেট্রোরেলের (এমআরটি লাইন-৬) প্রতি কিলোমিটারের ভাড়া ৫ টাকা এবং সর্বনিম্ন ভাড়া ২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। উত্তরা থেকে কমলাপুর পর্যন্ত ভাড়া হবে ১০০ টাকা। যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ভাড়া মওকুফ থাকবে।

এম এ এন ছিদ্দিক বলেন, উদ্বোধনের কোনো তারিখ আমি এখনো পাইনি। ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহ প্রস্তাব করে এরইমধ্যে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। আমরা আশা করি, সেই প্রস্তাব অনুযায়ী ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দেবেন। ১৬ ডিসেম্বরের প্রস্তাবনা আমাদের কাছে নেই। কারণ ওইদিন অনেক প্রোগ্রাম রয়েছে। তাই ওইদিন মেট্রোরেল উদ্বোধন করা সম্ভব হচ্ছে না।

ডিএমটিসিএলের এই ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, আগামী বছর জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহ বা ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে এমআরটি লাইন-১ এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপরে পাতাল রেলপথের কাজ শুরু হয়ে যাবে। আপনারা জানেন ১২টি প্যাকেজের মাধ্যমে এটি সম্পন্ন করা হবে। প্রতিটি প্যাকেজের বিভিন্ন অংশে কাজ করছি আমরা। আর কিছুদিন পরে বলতে পারব কবে টিভিএম মেশিনের মাধ্যমে আন্ডারগ্রাউন্ড এর কাজ কবে শুরু করতে পারব।

তিনি বলেন, আমাদের কয়েকটি জায়গায় ৩০ মিটার আবার কয়েকটি জায়গায় ৭০ মিটার নিচ দিয়ে পাতাল রেলপথ বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর যাবে। নিচ দিয়ে যখন টিভিএম মেশিন মাটি কেটে কেটে কাজ করে এগিয়ে যাবে, তখন উপর থেকে কোনোভাবেই বোঝা যাবে না নিচে কাজ চলছে। কিন্তু এই পথে ১২টি স্টেশন আছে, যেগুলো ওপেন কাট পদ্ধতিতে কাজ করতে হবে। এই ১২টি স্টেশন ওপেন কাট পদ্ধতিতে কাজ শেষ করে নিচে চলে যাওয়ার জন্য সর্বোচ্চ ৬ মাস সময় লাগবে। এই ছয় মাস সময়ও রাস্তার অর্ধেকটা অংশ পুরোপুরি চালু থাকবে। বাকি অংশে আমরা কাজ করবো এবং পরে আবার সেই অংশ ভরাট করে দেওয়া হবে। যেখানে আমাদের স্টেশন আছে সেখানে সর্বোচ্চ ছয় মাস ট্রাফিক ড্রাইভারশন করতে হতে পারে। তবে অন্য কোনো জায়গায় ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টের প্রয়োজন হবে না।

তিনি আরও বলেন, আমরা অন্তত ৩০ মিটার নিচ দিয়ে কাজ করবো। বাংলাদেশের কোনো ইউটিলিটি লাইন এত নিচ দিয়ে নেই। যার ফলে পুরো রুট অ্যালাইমেন্টে আমাদের কোনো ইউটিলিটি লাইন সরানোর প্রয়োজন পড়বে না। শুধুমাত্র স্টেশন এলাকায় এটি প্রয়োজন পড়বে। সেখানে আমরা অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করব এবং সেই এলাকায় যে ইউটিলিটি লাইনগুলো যেভাবে আছে ঠিক সেভাবে রেখে আমরা নিচে চলে যাব।

একই রকম সংবাদ সমূহ

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দিয়েছেনবিস্তারিত পড়ুন

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাইতির প্রধানমন্ত্রী ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্টের সাইডলাইন বৈঠক

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানেরবিস্তারিত পড়ুন

ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ও মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাইডলাইন বৈঠক

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানেরবিস্তারিত পড়ুন

  • অবশেষে প্রাথমিকে ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষকের নিয়োগ চূড়ান্ত, যোগদান ১ অক্টোবর
  • শ্যামনগরের পদ্মপুকুর-গাবুরায় সড়ক নির্মাণে ২৩ কোটি ২৫ টাকা অনুমোদন
  • বাংলাদেশি সাংবাদিকদের ফ্রিতে সাংবাদিকতা শেখাবে ভারত
  • সরকার পাঁচ বছর থাকবে, এটা মেনে রাজনীতি করা উচিত: তথ্য উপদেষ্টা
  • অতিরিক্ত ভাড়া নিলে রুট পারমিট বাতিল: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী
  • কিলোমিটারপ্রতি যত বাড়লো বাসভাড়া
  • দিল্লিতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার আসাদ আলম, অনুমোদন দিল ভারত
  • রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন গাজী নজরুলের স্ত্রী : দাবি পুলিশের
  • একযোগে পুলিশের ৩১ কর্মকর্তার বদলি ও পদায়ন
  • জাতিসংঘ সফরে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী, ৪ দিনে যেসব কর্মসূচি
  • বেশ কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় ও বহুপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন
  • নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান