বুধবার, আগস্ট ২৬, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

ব্যস্ততা বেড়েছে কলারোয়ার দর্জি কারিগরদের

চলছে রমজান। দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদ ফিতর। আর মাত্র কয়েকদিন পরেই ঈদ। ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানেই খুশি। তবে এ আনন্দ ও খুশি কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয় নতুন পোশাক। তাই তো ঈদের সময় যতই ঘনিয়ে আসে, ততই ব্যস্ত সময় পার করছে দর্জি কারিগররা। এ সময় মানুষের আনাগোনা বাড়তে থাকে দর্জিদের দুয়ারেও।
এবারের ঈদুল ফিতর ঘিরেও এর ব্যতয় ঘটেনি।এই ঈদকে সামনে রেখে নতুন নতুন পোশাক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার দর্জি কারিগররা।রোজার আগে থেকেই অর্ডার নেয়া হচ্ছে। আজ থেকে নতুন অর্ডার নেয়া বন্ধ, বলে জানিয়েছেন উপজেলার টেইলার্স মালিকরা।

ঈদকে সামনে রেখে এখন সেলাই মেশিনের শব্দে মুখর দর্জির পল্লী। বাহারি নকশার কাপড় বানাতে সেখানে ভিড় করছেন অনেকেই। উপজেলার দর্জি কারিগরদের দম ফেলার ফুসরত নেই এখন। অবশ্য ব্যস্ততা শুরু হয়েছে রোজার আগে থেকেই।

সরেজমিনে পৌর সদরের ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামের হাট-বাজারের দর্জি দোকানগুলো ঘুরে দেখা গেছে, ছোটবড় প্রতিটি দোকানেই সেলাই কাজের প্রচুর অর্ডার পাচ্ছেন কারিগররা। প্রত্যেক কারিগর দিনে তৈরি করছে প্রকার ভেদে ৮ থেকে ১০টি অর্ডার করা পোশাক। সামনে ঈদ তাই রুজি-রোজগারের একমাত্র সম্বলটি যেন একমুহূর্তের জন্যও বন্ধ রাখার সুযোগ নেই। নতুন করে অর্ডার এখনো চলছে বলে জানা গেছে।

চাহিদামতো নতুন পোশাক পেয়ে খুশি ক্রেতারাও। পছন্দমতো পোশাক বানাতে ক্রেতারা ছুটছেন টেইলার্সগুলোতে।

কলারোয়া পৌর সদরের নুর টেইলার্সের নুরুজ্জামান ও স্টাইল টেইলার্স, স্নেহা টেইলার্সের মালিক বলছেন ও যমুনা টেলার্সের মালিক বিল্লাল বলছেন পছন্দের পোশাকের জন্য রেডিমেড থ্রিপিস ও থানকাপড় কিনে ক্রেতারা পাড়ি জমাচ্ছেন দর্জি দোকানগুলোতে। ক্রেতাদের পছন্দ মতো পোশাক বানাতে দিনরাত দোকান খোলা রেখে কাজ করছেন দর্জিরাও।

টেইলার্স মালিক নুরুজ্জামান বলেন, ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের পোশাক বানাতে অর্ডার বেশি। বিশেষ করে সুতি, সিল্ক, জর্জেট, কাপড়ের পোশাক বানানো হচ্ছে। এক সেট থ্রিপিস বানাতে মজুরি নেয়া হচ্ছে ২৫০ থেকে ৪৫০ টাকা পর্যন্ত। শার্ট বানাতে মজুরি লাগছে ২০০-৩০০ টাকা, প্যান্ট বানাতে মজুরি লাগছে ৪০০-৫০০ টাকা।বিভিন্ন মার্কেট ও স্থান ভেদে এসব মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছে বলে দর্জিরা জানান।

বাজারে নতুন পোশাক অর্ডার দিতে টেইলার্সের কাছে আসা কয়েকজন ক্রেতা বলেন, আর কিছুদিন পর আমাদের ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। ছেলে মেয়েদের নতুন পোশাকের অর্ডার দিতে বাজারে আসছি। কিন্তু পোশাকের মজুরির যে দাম আমরা তাতে হিমশিম খাচ্ছি। আমরা যারা নিম্নআয়ের মানুষ আছি তাদের জন্য খুবই সমস্যা। পোশাকের দাম ও মজুরির দাম বাড়লেও আমাদের তো আর আয় বাড়েনি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়া পৌরসভায় শিক্ষকদের নিয়ে পানির দায়িত্বশীল ব্যবহার বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় বিভিন্ন স্কুল শিক্ষকদের অংশগ্রহণে পানির দায়িত্বশীল ব্যবহার এবং পানিবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় গ্রাম আদালত ব্যবস্থাপনা কমিটির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় গ্রাম আদালত ব্যবস্থাপনা কমিটির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলাবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়া থানার নবাগত ওসির সাথে রিপোর্টার্স ক্লাবের নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়

কলারোয়া থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান কলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দেরবিস্তারিত পড়ুন

  • কলারোয়ায় ‘জাতীয় তরুন সংঘে’র নতুন কমিটি : সভাপতি রবিউল, সম্পাদক রঞ্জু, সাংগঠনিক মোস্তাক
  • কলারোয়া থানার নবাগত ওসির সাথে প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়
  • কলারোয়া ফুটবল মাঠ ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন
  • কলারোয়ায় বেত্রবতী নদীর নতুন কাঠের সাঁকো চালু, স্বস্তি
  • কলারোয়ায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
  • কলারোয়ায় বিভিন্ন প্রতিযোগিতা-অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সভা
  • কলারোয়ায় সিংগা হাইস্কুলে অভিভাবক সমাবেশ
  • কলারোয়ায় ১৩৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারী আটক
  • কলারোয়ার চাষীরা পাট কাটা জাগ দেওয়া ও আঁশ ছাড়াতে ব্যস্ত সময় পার করছে
  • কলারোয়া বেত্রবতী হাইস্কুলে অভিভাবক সমাবেশ
  • কলারোয়ায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন
  • কলারোয়ার দমদম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা