বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ৮, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

মেঘ আর জোয়ার দেখলেই আঁতকে উঠে মেঘনা ও ভূলুয়া পাড়ের মানুষ

লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও কমলনগরের বাসিন্দারা আকাশে মেঘ আর মেঘনার জোয়ার দেখলেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে টানা ভারি বর্ষণ ও অরক্ষিত মেঘনা নদীর জোয়ারের পানিতে হাজার হাজার পরিবার এখন দিশেহারা। তারা এখন আকাশে মেঘ দেখলেই আঁতকে উঠে।

শনিবার (২৪ আগষ্ট) সারা দিন রামগতি ও কমলনগরে ভারি বৃষ্টি পাত হয়নি। রোদ উজ্জ্বল ছিল দিনের বেশিরভাগ সময়। মেঘনা নদীর জোয়ারের পানি লোকালয়ে ঢুকেনি। যে কারণে মেঘনাপাড়ের বাসিন্দারা কিছুটা স্বস্তিতে থাকলেও তাদের আতঙ্ক কাটেনি।

এদিকে, ভূলুয়া নদীর পূর্ব পাড়ে চর কাদিরা ইউনিয়নের বাসিন্দারা পানিতে ডুবে আছে। আগের মত অপরিবর্তিত রয়েছে অবস্থা সেখানকার অবস্থা।

খবর নিয়ে জানা গেছে, কমলনগরে চর কাদিরা ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ জনপদ পানিতে তলিয়ে আছে। বাড়িতে বুক সমান পানি। বসতঘরে পানি ঢুকে পড়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশুদ্ধ খাবার পানির অভাব দেখা দিয়েছে। সব ডুবে থাকায় রান্না করা যাচ্ছে না। খাদ্যের অভাবে মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে শিশু ও বৃদ্ধদের নিয়ে চরম দুঃখে-কষ্টে ও দুর্ভোগে আছেন চরাঞ্চলের বাসিন্দারা।

তবে, পানিবন্দি এসব মানুষের পাশে শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানি নিয়ে দাঁড়িছেন উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

এদিকে দুপুরে কমলনগরে এবং বিকালে রামগতিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী পানিবন্দি মানুষের মাঝে ত্রাণ সমাগ্রী বিতরণ করেন। তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, কেন্দ্রীয় বিএনপির শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সহ সম্পাদক, লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান।

উপকূলীয় এলাকার লোকজন বলছেন, তারা জোয়ার আতঙ্কে ভুগছেন। মেঘনা নদীর তীর রক্ষা বাঁধ না থাকায় জোয়ার এলেই লোকালয়ে পানি ঢুকে ডুবিয়ে দেয় বাড়ি-ঘর। রাতে নির্ঘুম রাত কাটে এ জনপদের লাখো মানুষের। গত দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ভারি বৃষ্টির কারণে জোয়ার ও বৃষ্টির পানিতে ভেসে গেছে শত শত ঘের ও হাজার হাজার পুকুরের মাছ। ফসলের মাঠ ডুবে, আমনের বীজতলার ধানের চারা নষ্ট হয়ে কৃষেকর সর্বনাশ হয়ে গেছে। গবাদিপশুর জন্য নেই নিরাপদ আশ্রয়, নেই খাদ্য। এমন বিপর্যয়ের মধ্যে রয়েছে মেঘনা উপকূলের বসতিরা। এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত নদীর রক্ষা বাঁধ বাস্তবায়নের দাবি করছেন।

লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ-উজ জামান খান বলেন, মেঘনা নদীর তীর রক্ষা বাঁধ চলমান। নদীর তীর রক্ষায় জিও ব্যাগ ডাম্পিং হয়েছে। এখন বর্ষার কারণে কাজ করা যাচ্ছে না।

লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) সুরাইয়া জাহান বলেন, পানিবন্দি পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হচ্ছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ একনেকে ১৩ প্রকল্পের অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ১৬ হাজার ২০৭ কোটিবিস্তারিত পড়ুন

দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে মুক্তিযোদ্ধাদের নির্ভুল তালিকা করা হবে: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় অমুক্তিযোদ্ধাদের অন্তর্ভুক্তির অভিযোগ এবং ১৯৭১ সালের শহীদ ও বীরাঙ্গনাদের তালিকাবিস্তারিত পড়ুন

জামিন পেলে সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়তে পারে: গাজী নজরুলের বিষয়ে বিচারক

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তারের আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজীবিস্তারিত পড়ুন

  • দুর্গাপূজার ছুটি পাবে না জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান
  • রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে পে-স্কেল কার্যকরের নির্দেশ
  • দুর্গোৎসবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য আওয়ামী লীগ ভারতে বসে ষড়যন্ত্র করছে: রাশেদ খাঁন
  • ভোমরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জলাবদ্ধতা, নতুন ভবন নির্মাণের আবেদন
  • মাসউক’র ভিডব্লিউবি কর্মসূচীর প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষন জোরদার
  • প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চান: মাহদী আমিন
  • আগামী বছর চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে ৪টি নতুন বই: শিক্ষামন্ত্রী
  • রাষ্ট্রীয় সম্মানি পাবেন ২ লাখ ৫৬ হাজার ধর্মীয় ব্যক্তি
  • ২২ জেলায় হচ্ছে ‘শিশু স্বর্গ’: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
  • বাংলাদেশ পুলিশের নতুন মুখপাত্র কামারুম মুনিরা
  • কলারোয়ার হিজলদী হাইস্কুল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কমিটি গঠন
  • গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্যমন্ত্রী