শনিবার, অক্টোবর ১৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

রোববার বিধিনিষেধের মেয়াদ শেষ হচ্ছে, এরপর?

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চলমান বিধিনিষেধের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামীকাল রোববার (৩০ মে) মধ্যরাতে। এরপর বিধিনিষেধ আর বাড়বে কি-না, সেই ব্যাপারে আজ শনিবার (২৯ মে) রাত পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সিদ্ধান্ত যাই হোক- রোববারই তা জানা যাবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় গত ৫ এপ্রিল সকাল ৬টা থেকে লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। সেই শিথিল লকডাউন ছিল অনেকটাই অকার্যকর।

পরে গত ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে আটদিনের কঠোর লকডাউন শুরু হয়। পরে পাঁচ দফা লকডাউন বা বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ানো হয়। সর্বশেষ গত ২৩ মে বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও ৭ দিন অর্থাৎ ২৪ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত বাড়িয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

এ সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে আন্তঃজেলা বাস, লঞ্চ এবং ট্রেনসহ সব ধরনের গণপরিবহন চলার অনুমতি দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে হোটেল-রেস্তোরাঁগুলো আসন সংখ্যার অর্ধেক মানুষকে সেবা দেয়ার অনুমতি পায়।

এছাড়া বিধিনিষেধে আগে থেকেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান ও শপিংমল সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা ছিল। খোলা ছিল শিল্প-কারখানাও। তবে জরুরি সেবা দেয়া প্রতিষ্ঠান ছাড়া যথারীতি অফিস বন্ধ রয়েছে। সীমিত পরিসরে হচ্ছে ব্যাংকের লেনদেন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিধিনিষেধ বাড়ানো বা তুলে দেয়ার বিষয়ে সরকার চুলচেরা বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নিতে চাইছে। কারণ করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট শঙ্কা হয়ে ঝুলে আছে। সবকিছু একেবারে খুলে দিলে মানুষের বেপরোয়া আচরণ নিয়ন্ত্রণ না করতে পারলে বিপর্যয় হতে পারে। আবার অফিস-আদালত দীর্ঘদিন বন্ধ করে রাখাও ক্ষতির কারণ হচ্ছে।

বিধিনিষেধ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকা একজন সচিব নাম প্রকাশ না করার শর্তে শনিবার সন্ধ্যায় বলেন, রোববারের পর বিধিনিষেধ বাড়বে নাকি তুলে দেয়া হবে, সেই বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। মিটিংয়ের জন্য আমরা রেডি ছিলাম, সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যে একটা মিটিং হয়, সেটা এখনও হয়নি। সরকার বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলছে, বিদেশের খোঁজ-খবর নিচ্ছে। মোটামুটি সব তো চলছেই। তারপরও বিধিনিষেধ থাকলে একটা সুবিধা তো পাওয়া যায়ই।

তিনি বলেন, এছাড়া এখন সীমান্ত এলাকাগুলোতে লকডাউন দেয়া হচ্ছে। সেটা বহাল রাখার সঙ্গে বেশি সংক্রমিত এলাকায় লকডাউন আরোপ করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে সার্বিক লকডাউন তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত আসতে পারে। তবে মাস্ক ব্যবহারসহ স্বাস্থ্যবিধিতে জোর থাকবে। আনুষ্ঠানিকভাবে লকডাউন না থাকলেও কিছু বিধিনিষেধ তো থাকবেই। তাই লকডাউনের মেয়াদ বাড়নো কিংবা না বাড়ানোর বিষয়ে এসব বিষয় বিবেচনায় নেয়া হচ্ছে।

ওই সচিব আরও বলেন, রোববার ফার্স্ট আওয়ারে (প্রথম ঘণ্টায়) একটি মিটিং হতে পারে। সেখানে হয়তো সবার মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হবে।

লকডাউন বা বিধিনিষেধ বাড়ানোর বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘আমি একটি মিটিংয়ে আছি। এখন কথা বলতে পারব না।’

একই রকম সংবাদ সমূহ

রাজধানীর মিরপুরে দখলমুক্ত ফুটপাত পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকার দখলমুক্ত ফুটপাত পরিদর্শন করেছেন। এ সময়বিস্তারিত পড়ুন

ডেঙ্গু পরিস্থিতি দেখতে হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

ডেঙ্গু ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতি দেখতে হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আকস্মিক পরিদর্শনে বের হয়েছেনবিস্তারিত পড়ুন

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিবেশ সুরক্ষা এবং পরিচ্ছন্ন ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তরুণবিস্তারিত পড়ুন

  • বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব চুক্তি করতে যাচ্ছে বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী
  • মোটরসাইকেল চালকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা, ১৫ নভেম্বরের মধ্যে না মানলে বিপদ
  • দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের
  • বেহেশতের লোভ দেখিয়ে ভোট নিয়ে বিরোধীদল দায়িত্বহীন আচরণ করছেন: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
  • ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে কমবে মূল্যস্ফীতির চাপ ও দারিদ্র্য: বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ
  • ড. ইউনূসকে ‘হিলারি ক্লিনটন অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান, দাঁড়িয়ে সম্মান জানালেন ৪০০ অতিথি
  • সীমান্তে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে ১৫ ঘণ্টা পর ফেরত দিয়েছে বিএসএফ
  • নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখা ও সংস্কারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • বস্তুনিষ্ঠতার প্রশ্নে সাংবাদিকদের আপসহীন থাকতে হবে: কাদের গনি চৌধুরী
  • বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সহযোগিতা জোরদারে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর ডেপুটি স্পিকারের গুরুত্বারোপ
  • আইনগত সহায়তার মাধ্যমে ন্যায়বিচারের পথ সুগম করতে হবে: আইনমন্ত্রী