বৃহস্পতিবার, জুন ৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধে প্রয়োজন কঠোর ঐক্য

সোনার দেশের মানুষ আজ শতকরা ১০% শিক্ষিত লুটেরা ও তাদের মূর্খ অনুসারী দুর্বৃত্তদের কাছে জিম্মি! এদের অপকর্ম রুখতে দেশপ্রেমিক জনতাকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। পাশাপাশি দুর্বৃত্তদের সকল অপকর্ম তুলে ধরতে প্রকৃত পেশাদার সাংবাদিকদের ঐক্যের বিকল্প নেই। যারা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন তাদের সাথে হাত মিলিয়ে এখনই দুর্বৃত্তদের রুখের দেওয়ার উপযুক্ত সময়। না হয়- দুর্বৃত্তরা আমাদের সোনার বাংলার বুক ছিড়ে খেয়ে ফেলবে।

সাংবাদিকরা হলো সমাজের আয়না যে আয়নায় প্রতিদিন-প্রতিক্ষণ মানুষ এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তের খবর মূহুর্তের মধ্যেই জানতে পারে। কিন্তু বর্তমানে এই সাংবাদিকরা সব চেয়ে বেশি অবহেলিত ও বঞ্চিত। করোনা মহামারির সময় যখন মানুষ ঘর বন্দী ছিল তখনও এই সাংবাদিকরা দেশের আনাচে কানাচে ছুটে বেড়িয়েছেন খবরের জন্য। কখন কোথায় কি ঘটছে তা মূহুর্তের মধ্যে তুলে ধরেছেন দেশবাসীর সামনে। আজ ভাবতেই অবাক লাগে সত্য আর ন্যায়ের কথা লিখতে গেলেই সাংবাদিকদের হতে হয় নাজেহাল, হত্যা, হুমকি কিংবা জনসম্মুখে মারপিট এর শিকার হতে হয়। এই যদি হয় সমাজের বিবেক বলা সাংবাদিকদের অবস্থা তখন এই সমাজ বা দেশ থেকে ভালো কিছু কি আশা করা যায়?

যখনি কোন সংবাদে দুর্বৃত্তদের স্বার্থে আঘাত লাগে, সত্য বেরিয়ে আসতে শুরু করে, তখনি তারা হামলা চালায়, মামলার মার-প্যাচে ফেলে ঘায়েল করতে থাকে।

এতে করে সাংবাদিকরা প্রতিনিয়ত হচ্ছেন হামলা ও মামলার শিকার। অনেক সময় পরিবারের উপরও হয় হামলা। এতে করে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগেন সাংবাদিকরা। এই সকল অপকর্ম করে দুর্বৃত্তরা রাজনৈতিক লুটেরাদের ঘাড়ে সওয়ার হয়ে পার পেয়ে যায়। ছড়ায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে প্রপাগাণ্ডা। তাই পেশাদার প্রকৃত সাংবাদিকরা নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে বড় ঝুঁকি নিতে চাননা।

এই সুযোগে দুর্বৃত্তরা দূর্নীতিতে উৎসাহী হয়ে উঠে। তখন লুটেরা দেশের সম্পদ লোপাট করে ও প্রতিবাদীদের করে নির্যাতন ও হয়রানি। এই সকল মিষ্টিভাষি প্রতারকদের মন ভোলানো কথা ও সাময়িক সহযোগিতায় প্রভাবিত না হয়ে, দেশপ্রেমিক জনতাকে সচেতন হয়ে ঐক্যবদ্ধ ভাবে লুটেরাদেরকে রুখতে হবে। সোনার দেশকে বাঁচাতে হবে, আগামী প্রজন্মদের জন্য সুন্দর দেশ গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

পাশাপাশি সাংবাদিকদের নিরাপত্তার জন্য সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ ও জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া রাজনৈতিক দলের সুনাম ধরে রাখতে লুটেরা ও দুর্বৃত্তদের দুরে সরিয়ে রাখতে হবে। আমাদের সবাইকে মনে রাখতে হবে এই দেশের মান রক্ষা করা আমাদের সকলেরই দায়িত্ব।

সাংবাদিকদের এই ঝুকিপূর্ণ পেশায় সরকারকে তাদের জান-মালের নিরাপত্তা ও পরিবার রক্ষার্থে সহজ নিয়মে অস্ত্রের লাইসেন্স প্রদান সময়ের দাবী। এক্ষেত্রে স্থানীয় সাংবাদিক সংগঠন ও প্রশাসনের সহযোগিতায় পেশাদার সাংবাদিকদের তালিকা করতে হবে। তখন অপসাংবাদিকরা নিপাত যাবে।

লেখক:
রোটারিয়ান শাহজাহান সেলিম বুলবুল

একই রকম সংবাদ সমূহ

চতুর্থ স্তম্ভের নীরব কান্না- কষ্টে দিন কাটে অনেক সংবাদকর্মীর পরিবার

রাষ্ট্র ও সমাজের বিভিন্ন অসঙ্গতি, দুর্নীতি, অনিয়ম এবং মানুষের সুখ-দুঃখের খবর তুলেবিস্তারিত পড়ুন

ভ্যানিটি ব্যাগে করে ৩ পৃষ্ঠার পদত্যাগপত্র নিয়ে গেছেন শেখ হাসিনা- দাবি মতিউর রহমান চৌধুরীর

ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার আগে তিনবিস্তারিত পড়ুন

প্রধানমন্ত্রীর ফ্যামিলি কার্ড হবে ‘গেম-চেঞ্জার’

বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন সময় নানা ধরনের সামাজিক সুরক্ষাবিস্তারিত পড়ুন

  • মফস্বল সাংবাদিকদের অবহেলা : কার দায়?
  • আমি তো ‘অযোগ্য’ উপদেষ্টাই বটে : মাহফুজ
  • অস্ট্রেলিয়ার ভিসা বাতিল ইস্যুতে আজহারির বার্তা
  • খাল খনন কর্মসূচি: বাংলাদেশের স্বনির্ভরতার নতুন দিগন্ত
  • যেভাবে মাথাব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়
  • জলবায়ুর পরির্বতন : টিকে থাকার লড়াইয়ে বাংলাদেশ
  • আহমাদুল্লাহর আবেগঘন পোস্ট
  • পরিবেশগত হুমকির মুখে শহরগুলো
  • গাজী মোক্তার হোসেন: সাংবাদিকতার নিবেদিত প্রাণ
  • মহররম ও আশুরার শিক্ষা-তাৎপর্য
  • দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ ঘোষণা
  • প্রতিটি শিশু হোক সাবলীল পাঠক