শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক আর নেই

সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক আর নেই। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

রাজধানীর ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।

রোববার (৪ মে) তার জুনিয়র আইনজীবী শিশির জানান, বিকাল চারটা ১০ মিনিটে ইন্তেকাল করেন ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক।

তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের আইনজীবী ছিলেন।

এক সময়ের আলোচিত সিনিয়র অ্যাডভোকেট ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক গত ২১ এপ্রিল গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।

গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর ১১ বছর পর যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফেরেন তিনি। এরপর সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশায় যুক্ত হন আবারও। ৬ জানুয়ারি তার জুনিয়র আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনে তাকে সংবর্ধনাও দেন।

যুক্তরাজ্যে থাকা অবস্থায় ২০১৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি জামায়াত থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। তখন দলটির আমির শফিকুর রহমান এক বার্তায় বলেছিলেন, তার পদত্যাগে আমরা ব্যথিত ও মর্মাহত। পদত্যাগ করা যে কোনো সদস্যের স্বীকৃত অধিকার। আমরা দোয়া করি তিনি যেখানেই থাকুন, ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। আমরা আশা করি তার সঙ্গে আমাদের মহব্বতের সম্পর্ক অব্যাহত থাকবে।

এরপর তিনি নতুন দল আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির প্রধান উপদেষ্টা হন। ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর ১৭ আগস্ট সেই পদ থেকেও পদত্যাগ করেন তিনি।

২৬ ডিসেম্বর দেশে ফিরে বিমানবন্দরে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি একজন আইনজীবী। আমি কোর্ট রুম ব্যারিস্টার। আমি আইনের অঙ্গনে আমার অবদান রাখার চেষ্টা করব। আইনের শাসন একটি অতি বড় জিনিস। দেশে যদি আমরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করতে পারি, তাহলে আমাদের রাজনীতি সফল হবে, অর্থনৈতিক উন্নতি হবে। সুতরাং আইন অঙ্গনে আমার বিচরণ, আইন অঙ্গনে আমি থাকব।

ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকের জন্ম ১৯৪৪ সালে সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার মাথিউরা ইউনিয়নের শেখলাল গ্রামে। বিএ (অনার্স) ও এম এ ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৮০ সা‌লে তিনি যুক্তরাজ্যের লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত তিনি লন্ডনেই আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। দেশে ফিরে ১৯৮৬ সালে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ১৯৮৮ সালে হাইকোর্ট বিভাগে এবং ১৯৯৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। ১৯৯০ সালে তিনি দ্য ল’ কাউন্সেল নামে একটি আইনি ফার্ম প্রতিষ্ঠা করেন। ২০০২ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সিনিয়র আইনজীবী হন।

ব্যারিস্টার রাজ্জাকের দুই ছেলে ও এক মে‌য়ে রয়েছেন। দুই ছেলেও ব্যারিস্টার এবং সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত।

একই রকম সংবাদ সমূহ

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিপুল ভোটে বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফয়সল বিজয়ী

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বেসরকারকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন। ১৮৫বিস্তারিত পড়ুন

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা, গেজেট প্রকাশ করল সরকার

সিটি করপোরেশন এলাকায় ব্যাটারিচালিত তিন চাকার স্বল্পগতির রিকশা বা ই-রিকশা চলাচল নিয়ন্ত্রণেবিস্তারিত পড়ুন

নিখোঁজের দিন দ্বীপের সঙ্গে বাসার নিচে তাহসিফ, সিসি ফুটেজে যা দেখা গেল

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরি নিখোঁজ হওয়ার দিন সন্ধ্যায় তার বাসাবিস্তারিত পড়ুন

  • ডিজিটাল পদ্ধতিতে আসামি হাজিরা চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার: আইনমন্ত্রী
  • অপতথ্য মোকাবিলায় সচেতনতার বিকল্প নেই : জাহেদ উর রহমান
  • পে-স্কেলে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন
  • কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগকে রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ দেবে না জনগণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • তাহসিফের মৃত্যু: মিলছে না ৬ প্রশ্নের উত্তর
  • বিমান বাহিনী সাবেক কর্মকর্তার মৃত্যুর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি নাহিদ ইসলামের
  • ‘আম্মু আমি আসছি’ শেষ মেসেজ পাঠিয়েছিলেন তাহসিফ
  • মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলা: মাহবুব উল আলম হানিফের মৃত্যুদণ্ড
  • ইউপি নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনে প্রার্থিতা বাতিল, সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড
  • চার বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেবে সরকার
  • সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বে জনগণের আস্থা অর্জনের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
  • জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান