শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

জিম্মিদের ফেরত পেয়েও ফিলিস্তিনি বন্দিদের ছাড়লো না ইসরায়েল

ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস আরও ছয় ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দিলেও বিনিময়ে ছয় শতাধিক ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তি আটকে দিয়েছে ইসরায়েল।
নেতানিয়াহুর সরকার বলেছে, তারা ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে।

ইসরায়েলের এই সিদ্ধান্ত গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির জন্য আরেকটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর এই পদক্ষেপকে ‘প্রতারণামূলক বিলম্ব’ এবং ‘যুদ্ধবিরতি চুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘন’ বলে অভিহিত করেছে হামাস।

নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তির বিষয়টি স্থগিত থাকবে যতক্ষণ না হামাস পরবর্তী পর্যায়ের জিম্মি মুক্তি নিশ্চিত করে। তিনি আরও বলেন, হামাস প্রতি সপ্তাহে যে ‘অপমানজনক অনুষ্ঠান’ আয়োজন করে, তা ছাড়াই মুক্তি দিতে হবে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে নেতানিয়াহুকে বন্দিমুক্তির প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল। কিন্তু পরে তিনি তার মন্ত্রিসভার সঙ্গে বৈঠক করেন, যেখানে কট্টর ডানপন্থি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ যুদ্ধবিরতিকে প্রত্যাখ্যান করে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। ওই বৈঠকের পর নেতানিয়াহু নিরাপত্তা বাহিনীর সুপারিশ উপেক্ষা করে বন্দিদের মুক্তি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেন।

যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত
এই সিদ্ধান্তের ফলে ৬০০-এর বেশি ফিলিস্তিনির জন্য বহুল প্রতীক্ষিত মুক্তির প্রক্রিয়া থমকে গেছে। আলোচনার দ্বিতীয় ধাপে যাওয়ার জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ বলে মনে করা হচ্ছিল। তবে এখন সবকিছু অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপে জীবিত ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তির কোনো নতুন পরিকল্পনা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। মধ্যস্থতাকারীরা চুক্তিকে রক্ষা করতে তৎপর হয়ে উঠেছেন, যাতে যুদ্ধবিরতির সম্পূর্ণ ভেঙে পড়া এড়ানো যায়।

কোন ফিলিস্তিনি বন্দিরা মুক্তির তালিকায় ছিলেন?
শনিবারের জন্য নির্ধারিত এই বন্দিমুক্তি ছিল যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর সবচেয়ে বড় উদ্যোগ। মোট ৬২০ জন ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেওয়ার কথা ছিল, যাদের মধ্যে ৪৪৫ জনকে গাজা থেকে আটক করেছিল ইসরায়েলি বাহিনী।

মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ১০০ জন নারী ও ১৯ বছরের কম বয়সী কিশোর-কিশোরী ছিলেন। আল-জাজিরা খবর অনুসারে, এসব নারী ও শিশুরা ৭ অক্টোবরের হামলা বা গাজার সংঘাতে জড়িত ছিলেন না।

এই তথ্য সামনে আসার পর মানবাধিকারকর্মীরা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন যে, তারা ফিলিস্তিনি নাগরিকদের ‘বিনিময়ের হাতিয়ার’ হিসেবে ব্যবহার করছে।

সূত্র: আল-জাজিরা, বিবিসি

একই রকম সংবাদ সমূহ

সাইকেলে চড়ে ১৯ বছরে ১৯১ দেশ ভ্রমণ বাঙালির

প্রায় দুই দশক ধরে সাইকেল চালিয়ে একের পর এক দেশ ঘুরে বেড়াচ্ছেনবিস্তারিত পড়ুন

চালু হচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্রের ‘ডিভি লটারি’

যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে থাকার গ্রিন কার্ডের লটারি বা ডাইভারসিটি ভিসা (ডিভি) কার্যক্রম এখনইবিস্তারিত পড়ুন

সংসদীয় কূটনীতির মাধ্যমে বাংলাদেশ-ব্রিটেন সম্পর্ক জোরদারে অঙ্গীকার

সংসদীয় কূটনীতির মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশবিস্তারিত পড়ুন

  • জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
  • প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ৬ দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা চুক্তি সই
  • উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
  • বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান
  • বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
  • বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
  • বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ জার্মানি : উপমন্ত্রী
  • গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা জাপানের প্রধানমন্ত্রীর
  • অংশীদারিত্ব আরও জোরদারে প্রতিশ্রুতি দুই প্রধানমন্ত্রীর
  • বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান
  • ‘বিগ-বি’ উদ্যোগে একমত জাপান, এক লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগ প্রত্যাশা
  • বাংলাদেশ-জাপান বন্ধুত্ব হোক যৌথ সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী