শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

শ্যামনগরে মাছচাষীদের মাঝে জৈব সার ও মাছের খাদ্য বিতরণ

নবপল্লব প্রকল্পের আওতায় মাছচাষীদের মাঝে জৈব সার ও মাছের খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলগুলোর মধ্যে সাতক্ষীরার শ্যামনগর অন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা। এই অঞ্চলের দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী প্রতিনিয়ত জীবিকার অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হচ্ছে। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে British High Commission–এর আর্থিক সহায়তায় এবং CARE Bangladesh-এর কনসোর্টিয়াম পার্টনার হিসেবে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা Cordaid বাস্তবায়ন করছে “নবপল্লব প্রকল্প”, যার লক্ষ্য জলবায়ু সহনশীল টেকসই জীবিকার মাধ্যমে উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর আর্থ- সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখা।

এই প্রকল্পের অংশ হিসেবে ১২ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে শ্যামনগর উপজেলায় “নবপল্লব প্রকল্প”-এর আওতায় নির্বাচিত অ্যাকুয়াকালচার (মাছচাষ) গ্রুপের সদস্যদের মাঝে ২০ কেজি জৈব সার ও ২৫ কেজি করে মাছের খাদ্য বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এস এম দেলোয়ার হোসেন। তিনি উপস্থিত থেকে উপকারভোগীদের হাতে এই সহায়তা তুলে দেন।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের ৯০০ জন দরিদ্র পরিবারগুলোকে এই সহায়তা প্রদান করা হবে।

প্রধান অতিথি উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা বলেন, “Cordaid-এর নবপল্লব প্রকল্পের এই উদ্যোগ উপকূলীয় অঞ্চলের মাছচাষীদের জন্য অত্যন্ত সময়োপযোগী। জৈব সার ও মানসম্মত মাছের খাদ্য ব্যবহারের ফলে উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং পুকুরের পানির মান উন্নত হবে, যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।”

Cordaid-এর নবপল্লব প্রকল্পের কর্মকর্তা জাকারিয়া রায়হান বলেন, “আমরা শুধু উপকরণ বিতরণ করছি না, বরং মাছচাষীদের কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ ও নিয়মিত মনিটরিংয়ের মাধ্যমে তাদেরকে টেকসই জীবিকার পথে এগিয়ে নিচ্ছি। জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত এই অঞ্চলে টেকসই মাছচাষ একটি কার্যকর বিকল্প জীবিকার মাধ্যম হতে পারে।”

অনুষ্ঠানে নবপল্লব প্রকল্পের কর্মকর্তা, মাঠকর্মী এবং উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন। সহায়তা পেয়ে উপকারভোগীরা আনন্দ প্রকাশ করেন এবং জানান, এই সহায়তা তাদের জীবিকায় নতুন গতি আনবে ও আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হতে সাহায্য করবে।

Cordaid-এর নবপল্লব প্রকল্প বর্তমানে শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কৃষি, গবাদিপশু পালন, অ্যাকুয়াকালচার, নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন, ক্ষুদ্র ব্যবসা সহায়তা ও সামাজিক সচেতনতা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পটি উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

‎শ্যামনগরে লবণাক্ততা নিরসন ও কৃষি অভিযোজনবিষয়ক প্রশিক্ষণ ও পরিকল্পনা সভা

‎জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে মাটির লবণাক্ততা ক্রমাগত বাড়ছে। এবিস্তারিত পড়ুন

শ্যামনগরে ৬৯ বছরেও মেলেনি বয়স্ক ভাতার কার্ড, জরাজীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবন

বয়স ৬৯ বছর। জীবনের শেষ প্রান্তে এসেও জোটেনি সরকারি বয়স্ক ভাতার কার্ড।বিস্তারিত পড়ুন

সুন্দরবন, নদী ও জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ সাতক্ষীরা, পরিবেশ রক্ষায় বাড়ছে উদ্বেগ

প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য, বিস্তীর্ণ সবুজ বনভূমি, নদ-নদী, খাল-বিল, জলাভূমি, কৃষিজমি এবং নানাবিস্তারিত পড়ুন

  • বনদস্যু নির্মূল দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি
  • শ্যামনগরে বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত
  • সুন্দরবনে বনদস্যুদের তৎপরতা বন্ধে জাল পুড়িয়ে জেলেদের বিক্ষোভ
  • সুন্দরবনে আধুনিক অস্ত্রধারী জলদস্যুদের দৌরাত্ম্য, হুমকিতে বন্যপ্রাণী ও উপকূলীয় জীবিকা
  • এইচএসসি পরীক্ষায় সাতক্ষীরার দুই কলেজে পাস করেনি কেউ
  • শ্যামনগরে জীবন-জীবিকা উন্নয়নে হাঁস-মুরগি পালন বিষয়ক প্রশিক্ষণ
  • শ্যামনগরে স্থানীয় অভিযোজন কৌশলবিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
  • শ্যামনগরে সম্পদ ভিত্তিক কমিউনিটি নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ
  • শ্যামনগরে পরিবারে আয় বৃদ্ধি করতে হাঁস-মুরগি পালন বিষয়ক প্রশিক্ষণ
  • সাতক্ষীরায় ‘প্রেরণা’ এনজিও’র পরিচালক শম্পা গোস্বামীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা
  • শ্যামনগরে প্রতিবন্ধকতা জয় করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন সোহাগের
  • উপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ ও চারা রোপণে ঐক্যবদ্ধ অঙ্গীকার