শুক্রবার, জুলাই ১৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

সবচেয়ে বেশি মানুষের বসবাস ঢাকার লালবাগে

ঢাকাকে বাসযোগ্য করতে হলে শহরের ভারবহন ক্ষমতা বিবেচনায় এলাকাভিত্তিক ধারণ ক্ষমতা ও জনঘনত্ব নির্দিষ্ট করে উন্নয়ন পরিকল্পনা করতে হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি)।

মঙ্গলবার ‘ঢাকা শহরের জনঘনত্ব, বাসযোগ্যতা ও উন্নয়ন ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিআইপির প্রতিবেদন প্রকাশ’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানানো হয়।

এতে আরও বলা হয়, বিশ্বে এক একর জায়গার মধ্যে সবচেয়ে বেশি মানুষের বসবাস ঢাকার লালবাগ এলাকায়। আর বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ১২ ভাগেরও বেশি মানুষ থাকেন রাজউক এলাকায়।

রাজউক এলাকার আয়তন দেশের মোট আয়তনের মাত্র ১ ভাগ।

সংবাদ সম্মেলনে বিআইপির সাধারণ সম্পাদক ড. আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, যেকোনও শহরের বাসযোগ্যতার অন্যতম পরিমাপক শহরের জনঘনত্ব। সেই হিসেবে বাসযোগ্যতার সূচকে ঢাকা শহরের অতি নিম্ন অবস্থানের প্রধান কারণ অতিরিক্ত জনসংখ্যা ও অধিক জনঘনত্ব। উন্নয়ন পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনায় জনসংখ্যা, জনঘনত্ব ও শহরের বিদ্যমান অবকাঠামো ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধাদির সাপেক্ষে শহরের ভারবহন ক্ষমতা বিবেচনা না করা হলে যে কোনও শহর তার বাসযোগ্যতা হারাবে।
ঢাকা এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

বিআইপির প্রতিবেদনে অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের জনঘনত্বের একটি তুলনা চিত্র তুলে ধরা হয়। এতে জানানো হয়, একটি বড় শহরের জনঘনত্বের জন্য মানদণ্ড ধরা হয় প্রতি একরে ৭০-৮০ জন। যা সর্বোচ্চ ১২০ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শহর এলাকায় হতে পারে।

জাপানের টোকিও শহরের কেন্দ্রীয় এলাকার ওয়ার্ড সমূহের জনঘনত্ব একর প্রতি ৯০ এর নিচে, অস্ট্রেলিয়ায় সিডনি শহরের সর্বোচ্চ জনঘনত্ব প্রতি একরে ৫৮ জন এবং সিঙ্গাপুরকে উঁচু ভবন এর শহর বলা হয়, কিন্তু সেখানেও শতকরা ৮০ ভাগ জমি সরকারের মালিকানাধীন এবং শতকরা ৯০ ভাগ আবাসন সরকার প্রদান করে থাকে এবং একটা পরিকল্পনা এলাকা (প্ল্যানিং ডিসট্রিক্ট) ব্যতীত বাকি সকল পরিকল্পিত শহরের জনঘনত্ব প্রতি একরে ৮০ জন এর নিচে।

তিনি বলেন, যে কোন শহরের ইমারত নির্মাণ বিধিমালায় রাস্তাকে বিবেচনায় নেওয়া হয়। কিন্তু ঢাকার ইমারত নির্মাণ বিধিমালা ২০০৮ এ ভবনের উচ্চতা নির্ধারণে রাস্তার প্রশস্ততার বিবেচনা বাদ দিয়ে করা হয়েছে। এতে অবকাঠামো ও নাগরিক সুবিধাদির ভিত্তিকে এলাকাভিত্তিক ভারবহন ক্ষমতাকে বিবেচনায় না নিয়ে সুউচ্চ ফ্লোর এরিয়া অনুপাত (এফএআর) প্রস্তাব করার ফলে ঢাকা শহরের জনসংখ্যা ও জনঘনত্ব ক্রমাগত বেড়েই চলছে।

এছাড়াও ঢাকার অতিঘন এলাকায় ব্যক্তিগত মালিকানায় ১, ২ বা ৩ তলা বিশিষ্ট ভবনের সংখ্যা শতকরা ৪০-৫০ ভাগ আছে, যেগুলো বিদ্যমান ইমারত সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী ভবিষ্যতে পুনঃউন্নয়ন করা হলে এসব এলাকার জনসংখ্যা ও জনঘনত্ব বাসযোগ্যতার জন্য ভয়ংকর হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

প্রতিকূল আবহাওয়া বা অনিবার্য কারণে যারা কোনো বিষয়ে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে পারেননিবিস্তারিত পড়ুন

মেধাবী উদ্যোক্তাদের ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত সহযোগিতা দেবে সরকার

আইসিটি বিভাগ থেকে স্টার্টআপের জন্য ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্তবিস্তারিত পড়ুন

অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ৭ জেলায় বন্যা, প্রাণহানি বেড়ে ৪৪

টানা অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে দেশের সাত জেলায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতিরবিস্তারিত পড়ুন

  • নতুন নয়, বিদ্যমান কারিকুলামই পরিমার্জন করা হচ্ছে: মাহদী আমিন
  • প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশ, বৃত্তি পেল ৭৯২৪৬ জন
  • স্থানীয় সরকার নির্বাচন, কাউন্সিল ও সাংগঠনিক প্রস্তুতিতে বিএনপির জোর
  • বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ ৯ বন্যা
  • প্রবাসী কার্ড চালু হচ্ছে চলতি মাসেই, মিলবে যেসব সুবিধা
  • জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
  • আমাদের কঠিন সময়ে পরম সহানুভূতিশীল ছিলেন জমির উদ্দিন: জামায়াত আমির
  • সাবেক রাষ্ট্রপতি ও স্পিকার জমির উদ্দিন মারা গেছেন
  • দেশে আগামী ১০০ বছরেও আর কোনো গণ–অভ্যুত্থান হবে না: রুমিন ফারহানা
  • আইএমএফের সঙ্গে নতুন ঋণ নিয়ে বৈঠক শুরু কাল, আলোচনা হবে নতুন বেতনকাঠামো নিয়ে
  • ৯০ ভাগ সিসিইউ রাজধানীতে, প্রান্তিক মানুষ কীভাবে সেবা পাবে: ডা. জুবাইদা রহমান
  • দুর্যোগ মোকাবিলায় ১০ নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান