শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

২৪ কিমি পথ পায়ে হেঁটে গ্রামবাসীর কাছে মুখ্যমন্ত্রী!

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তিনি। ফলে যেখানেই যান, সেখানেই সঙ্গে যায় তার গাড়ির বিশাল বহর। কিন্তু পাহাড়-জঙ্গলের রাজ্য অরুণাচল প্রদেশে এমন অনেক প্রত্যন্ত গ্রাম রয়েছে যেখানে যাওয়ার ঠিকমতো রাস্তা নেই। তার ওপর পাহাড়ি পথ।
কোনও সমস্যা নেই।

হেঁটেই রওনা দিলেন তিনি। ১১ ঘণ্টা ধরে ২৪ কিলোমিটার ট্রেক করে রাজ্যের প্রত্যন্ত গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ভারতের অরুণাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্দু।

খবর এনডিটিভির।

অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং জেলার মুক্তো এলাকা তার নিজের নির্বাচনী এলাকার মধ্যেই পড়ে। তাওয়াং থেকে ৯৭ কিলোমিটার দূরে জঙ্গল-পাহাড়ে ঘেরা লুংথাং গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে দেখা করতে যান ৪১ বছরের মুখ্যমন্ত্রী। আর তার জন্যই ট্রেক করতে হয় তাকে।

বৃহস্পতিবার এই যাত্রার কথা টুইটও করেন পেমা খান্দু। তিনি লিখেন, ‘খারপু লা (১৬ হাজার ফুট) অতিক্রম করে লুংথাং (১৪ হাজার ৫০০ ফুট) যাওয়ার এই অভিজ্ঞতা এক কথায় অসাধারণ।

লুংথাংয়ের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা হল। তাদের সুবিধা-অসুবিধার কথা শুনলাম। সরকারের সব রকমের সুবিধা যেন সেখানে পৌঁছায় সেই চেষ্টা করব।’

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৪ হাজার ৫০০ ফুট উচ্চতায় থাকা থিংবু তেহসিলে ১০টি ঘর রয়েছে। সেখানে ৫০ জন বাস করেন। তাদের সঙ্গে দেখা করতেই ১১ ঘণ্টা ট্রেক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই লুংথাং যাওয়ার কোনও পাকা রাস্তা নেই। এখানকার বাসিন্দাদের পাহাড় ভেঙেই যাতায়াত করতে হয়। তবে এই যাত্রার সময় আশপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখার মতো। শুধু খারপু লা নয়, এই যাত্রাপথের মধ্যে অসংখ্য লেক অতিক্রম করতে হয়, যার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখার মতো।

লুংথাংয়ে গিয়ে এক গ্রামবাসীর বাড়িতে দু’রাত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পরের দিন তিনি, তাওয়াংয়ের বিধায়ক সেরিং তাশি, তাওয়াং মনেস্ট্রির সাধু ও গ্রামবাসীরা জাংচুপ স্তূপে একটি প্রার্থনা সভায় অংশ নেন। এই স্তূপ তৈরি করা হয়েছিল পেমা খান্দুর বাবা তথা অরুণাচল প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী দর্জি খান্দুর নামে। ২০১১ সালের ৩০ এপ্রিল তাওয়াং থেকে ইটানগর যাওয়ার সময় এই লুংথাং গ্রামের কাছেই হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি।

লুংথাংয়ের বাসিন্দারা হলেন ব্রোকপা জনজাতির মানুষ। তাদের পেশা হল পশুপালন। গ্রীষ্মকালে পশুপালনের জন্য হিমালয়ের উপরের দিকে উঠে যান তারা। শীতকালে আবার নিজেদের গ্রামে তারা ফিরে আসেন। এই এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে দেখা করতেই ট্রেক করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

একই রকম সংবাদ সমূহ

জাতিসংঘে বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাইডলাইন বৈঠক

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেকবিস্তারিত পড়ুন

জাতিসংঘে বিরল ইতিহাস গড়লেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিয়ে তাঁর পরিবারের তৃতীয়বিস্তারিত পড়ুন

দেশ মেরামতে সরকার থ্রি-আর কৌশল অনুসরণ করছে : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণে ক্ষতবিক্ষত বাংলাদেশ মেরামতের জন্য সরকার রিকভারি,বিস্তারিত পড়ুন

  • জাতিসংঘে বিরল ইতিহাস গড়লেন প্রধানমন্ত্রী
  • সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেয়াই একমাত্র সমাধান: জাতিসংঘে তারেক রহমান
  • নেতানিয়াহু জাতিসংঘের মঞ্চে উঠতেই বাংলাদেশসহ ৭৭ দেশের ওয়াকআউট
  • জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
  • জাতিসংঘে খলিলুর রহমানের দপ্তরের ‘লিগ্যাল অফিসার’ হলেন জাইমা
  • গণমাধ্যম কখনো সরকারের শত্রু বা প্রতিপক্ষ নয়: কাদের গনি চৌধুরী
  • উন্নয়নের অধিকার বাস্তবায়নে সম্মিলিত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাল শামা ওবায়েদ
  • ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
  • জাতিসংঘে বিশ্বনেতাদের পারিবারিক ঐতিহ্য: ইতিহাসে যুক্ত হলো জিয়া পরিবার
  • নারীরা নেতৃত্ব দিলেই বিশ্ব এগিয়ে যায়: খলিলুর রহমান
  • জলবায়ু ক্ষতি মোকাবিলায় অর্থায়ন ও প্রযুক্তি সহায়তা চান প্রধানমন্ত্রী