বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

অবহেলায় নষ্ট হতে চলেছে কেশবপুরে মৎস্য আহরণোত্তর পরিচর্যা কেন্দ্র

যশোরের কেশবপুর শহরের পাইকারি মাছ বাজারে নির্মিত মৎস্য আহরণোত্তর পরিচর্যা কেন্দ্রটি বর্তমান দেখভালের অভাবে ভেঙে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

গত ২ বছরেও পরিচর্যা কেন্দ্রটি চালু না হওয়ায় সরকারের গর্চা যেতে বসেছে ৩০ লাখ টাকা। মৎস্যজীবীরা সংশ্লিষ্ট ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের কাছে জরুরীভাবে মৎস্য আহরণোত্তর কেন্দ্রটি পুণসংস্কারসহ চালুর দাবি জানিয়েছেন।

কেশবপুর উপজেলায় ৪ হাজার ৬‘শ ৫৮টি মাছের ঘের ও হাজার হাজার পুকুরে প্রতিবছর লাখ লাখ মেট্রিকটন মাছ উৎপাদন হয়। এসব মাছ কেশবপুরের চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রফতানী হয়। এ পেশায় জড়িয়ে হাজার হাজার মানুষ জীবন জীবিকা নির্বাহ করেন। একথা বিবেচনা করে সরকার মাছের অভয়ারণ্য সৃষ্টি, উৎপাদিত মাছ ধুয়ে, মুছে পরিস্কার করে প্যাকিং ও বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে সরকার কেন্দ্রটি নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। এ লক্ষ্যে মৎস্য অধিদপ্তরের আওতায় ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে এক তলা বিশিষ্ট একটি ভবন নির্মাণ করা হয়। ২ বছর আগে ঠিকাদার কাজ সমাপ্ত করে চলে গেলেও উদ্বোধনের অভাবে তা ভেঙেচুরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

সরেজমিনে মৎস্য আহরণোত্তর পরিচর্যা কেন্দ্রটি পরিদর্শনকালে দেখা গেছে, বর্তমান ওই ঘরটি মোটরসাইকেল, অটোভ্যান, নসিমন রাখার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। এ ভবনের দু‘পাশের সিঁড়ির টাইলস ও মেঝের টাইলস ভেঙে নষ্ট হয়ে গেছে। এ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হলেও কোন অভিভাবক না থাকায় সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করায় সন্ধ্যায় ভুতুড়ে পরিবেশের সৃষ্টি হয়। গভীর রাতে এখানে মাদকের কার্যকলাপ চলে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এ অবস্থায় মৎস্য আহরণোত্তর পরিচর্যা কেন্দ্রটি চালু না হলে সরকারের আসল উদ্দেশ্যই ব্যাহত হবে।

কেশবপুর মাছ বাজার মৎস্য আড়ৎদার সমিতির সভাপতি আব্দুল হান্নান বিশ্বাস বলেন, পাইকারি মাছ বাজারে ২৩ জন আড়ৎদার রয়েছেন। একাজে আড়তে ৪ শতাধিক শ্রমিক কর্মরত আছে। প্রতিদিন আড়ৎগুলোই ৮৪ থেকে ৮৫ মেট্রিকটন মাছ আমদানী ও রফতানী হয়। মাছ ক্রেতাদের মাছ রাখার সুবিধার্তে এটি নির্মাণ করা হয়েছিল।

তিনি অভিযোগ করেন, ভবনটি নির্মাণকালে কাউকে অবহিত করা হয়নি। ঠিকাদার তার ইচ্ছামত কাজ করে চলে গেছেন। আজও তা হস্তান্তর না হওয়ায় মাছ ব্যবসায়ীদের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে। অবহেলায় এ অবকঠামোর অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপণা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এর অভিভাবক না থাকায় বিদুৎ বিল দেয়ার অভাবে কর্তৃপক্ষ ইতোপূর্বে মিটার খুলে নিয়ে গেছে। আমাদের আড়ৎদার সমিতিকে দায়িত্ব বুঝে দিলে সবকিছু দেখভাল করা সম্ভব হতো।

কেশবপুর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা এসএম আলমগীর কবীর বলেন, জেলা মৎস্য অফিসের তত্তাবধানে কাজটি করা হয়েছিল। ভবন নির্মাণে কত টাকা বরাদ্দ ছিল তাও আমাদের জানা নেই।

এ ব্যাপারে যশোর জেলা মৎস্য অফিসার আনিসুর রহমান বলেন, ২০১৯ সলে ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে মৎস্য আহরণোত্তর পরিচর্যা কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়। ঠিকাদার কাজ বুঝে দিয়ে গেছে। শিঘ্রই উদ্বোধন করে কাজ শুরু করা হবে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

বেনাপোল বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম

“সবার আগে বাংলাদেশ” এই চেতনাকে ধারণ করে দেশের প্রতিটি স্থলবন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধিবিস্তারিত পড়ুন

কেশবপুরে গভীর রাতে নির্মাণাধীন বাড়ির দেয়াল ভাঙচুর, সিমেন্ট-রড লুটের অভিযোগ

গভীর রাতে নির্মাণাধীন বাড়িতে হামলা চালিয়ে পাকা দেয়াল ভাঙচুর ও বিপুল পরিমাণবিস্তারিত পড়ুন

প্রবাসীর স্ত্রীকে গভীর রাতে ঘরে ঢুকে অশ্লীল আচরণের অভিযোগ

যশোরের শার্শায় গভীর রাতে বসতঘরে প্রবেশ করে এক মালয়েশিয়া প্রবাসীর স্ত্রীকে অশ্লীলবিস্তারিত পড়ুন

  • প্রেসক্লাব যশোরের নবনির্বাচিত কমিটিকে তালা প্রেসক্লাবের শুভেচ্ছা
  • মণিরামপুরে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু : পরিবারকে ৫০ হাজার টাকার সহায়তা
  • যশোরের মাহিদিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নছিমন চালক নিহত
  • যশোরের রাজগঞ্জে ৪৫টি গাঁজা গাছসহ নারী গ্রেফতার
  • বাসি ও ছত্রাক ধরা মিষ্টি-দইয়ে সয়লাব রাজগঞ্জের ভাগ্যকূল মিষ্টান্ন ভান্ডার!
  • প্রতারণা মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ, ফের আদালতে মামলা দায়ের
  • পায়ের ওপর ট্রাক, তিন সন্তান ও বৃদ্ধা মাকে নিয়ে মানবেতর জীবন সাগরের
  • যশোরের রাজগঞ্জে ৫ম শ্রেণির ছাত্রীর মুখের কাছে কাগজ দিয়ে অজ্ঞান, অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ
  • যশোরের রাজগঞ্জে প্রক্রিয়াজাত শিশু খাবারের ছড়াছড়ি, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি
  • মণিরামপুরে গরু চুরির হিড়িক, ১০ দিনে অন্তত ৩০ গরু চুরি
  • শার্শার বাগআঁচড়ায় বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষীকী সফল করতে আলোচনা সভা
  • মণিরামপুর ও রাজগঞ্জে দেদারছে বিক্রি হচ্ছে ‘জেলি পুশ’ চিংড়ি