বুধবার, অক্টোবর ১৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

গ্রীনল্যান্ড গার্মেন্টসে শ্রমিক নির্যাতন ও হত্যার নিন্দা ও বিচার দাবি কমিউনিস্ট পার্টির

১ জুলাই সংবাদ মাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)র কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কমরেড এম এ সামাদ ও সাধারণ সম্পাদক কমরেড সাহিদুর রহমান এই দাবি জানান।

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, এ ঘটনার জন্য দায়ীদের চিহ্নিত কর, হত্যা মামলায় গ্রেফতার ও শাস্তি নিশ্চিত কর, গাজীপুরের কাশিমপূরে অবস্থিত গ্রীনল্যান্ড গার্মেন্টসে কর্মরত ইলেকট্রিশিয়ান হৃদয় কে কারখানা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক চুরির অপবাদ দিয়ে নির্যাতন করে হত্যার নিন্দা এবং দায়ী কারখানা কর্তৃপক্ষ ও তাদের পোষ্য পান্ডাদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে হত্যা মামলায় গ্রেফতার করে শাস্তি দাবি করে নেতৃদ্বয় অবিলম্বে হৃদয়ের পরিবার কে যথাযথ ক্ষতিপূরণ এবং কারখানা খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা জানতে পেরেছি এবং গ্রীনল্যান্ড গার্মেন্টেসের শ্রমিকদের ভাষ্য অনুসারে নিহত হৃদয় উক্ত কারখানায় ইলেকট্রিশিয়ান পদে কর্মরত ছিলেন। কারখানা কর্তৃপক্ষ গত ২৮ জুন সকালে কর্মরত অবস্থায় তার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ তুলে তার হাত পা বেঁধে কাঠের বাটাম দিয়ে নির্মমভাবে প্রহার করে। কারখানা মালিকের পোষ্য পান্ডাদের নির্মম অত্যাচারে হৃদয় মারাত্মক ভাবে আহত হলেও কারখানা কর্তৃপক্ষ তাকে দ্রুত চিকিৎসা করানোর পরিবর্তে ফাঁকা কক্ষে আটকে রাখে। হৃদয়ের অবস্থার অবনতি হলে তাকে কয়েক ঘন্টা পরে হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালে ঐদিনই হৃদয়ের মৃত্যু হয়। হৃদয় মৃত্যুবরণ করলেও কারখানা কর্তৃপক্ষ হৃদয়ের পরিবার কে অবহিত না করে ঘটনা চাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। হৃদয়ের মৃত্যুতে কারখানার সহকর্মীরা বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করলে কারখানা কর্তৃপক্ষ অপরাধীদের আইনের হাতে সোপার্দ করার পরিবর্তে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানা বন্ধ ঘোষণা করে। অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানা বন্ধের ঘোষণা দিয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষ মুলত, শ্রমিকদের মধ্যে প্রতিবাদ করলে চাকরি হারানোর ভয় আর অত্যাচারের প্রমাণ লুকানোর সুযোগ তৈরি করতে চেয়েছে। তাই, গ্রীনল্যান্ড গার্মেন্টসের মালিক কর্তৃপক্ষও এই হত্যাকান্ডের দায় এড়াতে পারেনা। মালিক কর্তৃপক্ষকে আইনের আওতায় আনতে হবে।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, এটা একটা বর্বোরোচিত হত্যাকান্ড শ্রমিক হৃদয় সত্য সত্য চুরি করে থাকলেও তার হাত-পা বেধেঁ নিপীড়ন চালানোর অধিকার কারখানা কর্তৃপক্ষের নেই আর সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রশাসন, আইন হাতে তুলে নেয়ার এই ধরণের ঘটনার জন্য দায়ীদের যথাযথভাবে আইনের আওতায় আনতে ব্যর্থ হলে, শ্রমিকদের মধ্যে সঞ্চিত ক্ষোভের বিস্ফোরণের দায় প্রশাসন কে বহন করতে হবে। নেতৃবৃন্দ, হৃদয়ের হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির পাশাপাশি হৃদয়ের পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং অবিলম্বে কারখানা খুলে দেওয়ার দাবি জানান।

একই রকম সংবাদ সমূহ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শহীদ জেহাদের পরিবারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে ১৯৯০ সালের ১০ অক্টোবর পুলিশের গুলিতে শহীদ কে.বিস্তারিত পড়ুন

বেসরকারি শিক্ষকদের স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা নেই: এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণে কোনো আইনি বা নীতিগত বাধাবিস্তারিত পড়ুন

বেসরকারি শিক্ষকদের জাতীয়করণ আজ হোক বা কাল, হবেই: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয়করণের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার,বিস্তারিত পড়ুন

  • আমরা ভারতবিরোধী না, আধিপত্যবাদ বিরোধী: আসিফ মাহমুদ
  • শিক্ষকদের চাকরি জাতীয়করণে মায়ের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবেই প্রধানমন্ত্রী: রিজভী
  • জামিন পেলে সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়তে পারে: গাজী নজরুলের বিষয়ে বিচারক
  • দুর্গোৎসবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য আওয়ামী লীগ ভারতে বসে ষড়যন্ত্র করছে: রাশেদ খাঁন
  • হাসানুল হক ইনুর সাজা বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল
  • জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী
  • শেখ হাসিনাকে হস্তান্তরের প্রশ্নে বিশদ ব্যাখা দিলেন ত্রিবেদী
  • ট্রাম্পের নৈশভোজের উচ্ছ্বসিত ছবি প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • জানুয়ারিতে নতুন বই, প্রাথমিকে দেওয়া হবে ইউনিফর্ম: শিক্ষামন্ত্রী
  • ভোটে নির্বাচিত সরকারকেই জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে : এলজিআরডি মন্ত্রী
  • নিজ বাসভবনের ছাদের সৌরবিদ্যুৎ থেকে জাতীয় গ্রিডে ১২শ’ ইউনিট দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী : মীর শাহে আলম
  • অপতথ্য রোধে তরুণদের সচেতন হতে হবে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী