রবিবার, অক্টোবর ১৮, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

বেনাপোল বন্দরে কেমিক্যাল বর্জের স্তূপে ছড়াচ্ছে বিষক্রিয়া

দেশের বৃহত্তম বেনাপোল স্থলবন্দরে অগ্নিকাণ্ডে সৃষ্ট কেমিক্যাল বর্জের স্তূপ বছরের পর বছর ধরে যত্রতত্র ফেলে রাখায় একদিকে জায়গা সংকট অন্যদিকে মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। কিন্তু সরানোর কোনো উদ্যোগ নেই কর্তৃপক্ষের। কেমিক্যাল মিশ্রিত পানি বন্দর থেকে লোকালয়ে প্রবেশ করে গাছ, মাছ চাষ ও বাড়িঘরের ব্যাপক ক্ষতি করছে।

এছাড়া গ্রামবাসীর প্রবেশ দ্বারে বন্দরের প্রাচীরে অবরুদ্ধ জীবনযাপন করতে হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে বারবার ভুক্তভোগীরা বন্দর কর্তৃপক্ষের দারস্থ হলেও গত ৫ বছরে মেলেনি সমাধান। তবে বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, আইনি জটিলতায় এসব কেমিক্যাল বর্জ্য সরাতে পারছেন না তারা।

দেশে শিল্প কারখানায় ব্যবহারের জন্য যেসব পণ্য ভারত থেকে আমদানি হয় তার ৭০ শতাংশ আসে বেনাপোল বন্দর দিয়ে। এসব আমদানি পণ্যের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের এসিড জাতীয় কেমিক্যাল ও পাউডার জাতীয় রাসায়নিক দ্রব রয়েছে। কিছু কিছু কেমিক্যাল বা রাসায়নিক দ্রব্য এতো বিপদজনক যে ট্রাকে বা পণ্যগারে থাকা অবস্থায় নিজে থেকেই তেজষ্ক্রিয় হয়ে আগুন ধরে যায়।

অগ্নিকাণ্ডের পর ওইসব বর্জ্য বন্দর কর্তৃপক্ষ নিরাপদ কোনো জায়গায় সরিয়ে না নেওয়ায় বছরের পর বছর বন্দরের জনবসতি এলাকার রাস্তাঘাট ও বন্দর অভ্যন্তরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ফেলে রেখেছে। এতে মারাত্মকভাবে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে।

বন্দরের পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় এসিড মিশ্রিত পানি লোকালয়ে প্রবেশ করছে। এতে ওইসব এলাকার পুকুরের মাছ চাষ, গাছপালা ও ঘরবাড়ি নষ্ট হচ্ছে। নানা রোগ ব্যাধিতে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। প্রবেশ দ্বারে প্রাচীর দিয়ে আটক দেয়ায় অমানবিক জীবন যাপন করতে হচ্ছে স্থানীয়দের। অভিযোগ দিয়েও কোন প্রতিকার পাচ্ছেন না ভুক্তভোগীরা।

বন্দরে পরিবেশ দূষণের কারণে সারা বছরই শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকছেন অনেক শ্রমিক বলে দাবি শ্রমিক নেতাদের।

ভারতীয় এক ট্রাক চালক বলেন, বন্দরে জায়গা সংকট দেখা দেওয়ায় পণ্য খালাসের জন্য দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হয় এ পরিবেশেই।

বছরের পর বছর ধরে বন্দর জুড়ে কেমিক্যাল বর্জ্য থাকায় ব্যাণিজ্যিক কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে বলে জানানবেনাপোল আমদানি-রপ্তানিকারক ব্যবসায়ী তৌহিদুর রহমান।

বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক আব্দুল জলিল জানান, আই্নি জটিলতায় কেমিক্যাল বর্জ্য সরানো যাচ্ছে না জানিয়ে দ্রুত নিষ্কাশন ব্যবস্থার আশ্বাস দেন।

গত ৫ বছরে বেনাপোল বন্দরে ছোট বড় ৬টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় দুই হাজার মেট্রিক টন কেমিক্যালসহ বিভিন্ন পণ্যের বর্জ্য স্তূপ আকারে জমা হয়েছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

বেনাপোলে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক আটক

যশোরের বেনাপোলে মুরগিবাহী একটি ভ্যান থেকে বিদেশি পিস্তল, ম্যাগজিন ও দুই রাউন্ডবিস্তারিত পড়ুন

মুরগিবাহী ভ্যানের ছাউনিতে মিললো পিস্তল-গুলি, আটক ভ্যানচালক

যশোরের বেনাপোলে মুরগিবাহী একটি ইঞ্জিনচালিত ভ্যানের চালকের আসনের ওপর স্থাপিত ছাউনির ভেতরবিস্তারিত পড়ুন

চাহিদার চেয়ে ১ কোটি টন বেশি চাল উৎপাদন

মিঠুন সরকার, যশোর: সবুজ বাংলার বিস্তীর্ণ প্রান্তরজুড়ে এখন কৃষকের সাফল্যের সোনালি হাসি।বিস্তারিত পড়ুন

  • শার্শা থেকে কলারোয়া সীমান্তে মাদক নেটওয়ার্কের বিস্তার, আলোচনায় আমজাদ
  • রাজশাহীতে মনিরামপুরের শারমিনের বাজিমাত, ‘মাইন্ড ম্যারাথন-২৩’-এ রাজশাহী বিভাগে প্রথম
  • যশোরের অভয়নগরে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারের মাঝে জীবিকা উপকরণ হস্তান্তর
  • শার্শা সীমান্তে ৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকার স্বর্ণ জব্দ, আটক ১
  • শার্শায় সন্ত্রাস ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাগআঁচড়ায় বিএনপির বিক্ষোভ
  • মণিরামপুরে প্রবাসী বন্ধুর সঙ্গে স্ত্রীর বিয়ে দিলেন যুবক, পরে মিলল ঝুলন্ত মরদেহ
  • চৌগাছায় পুকুরের পানিতে ডুবে মামা-ভাগনে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু
  • পরিকল্পিত সন্ত্রাসের প্রতিবাদে শার্শায় যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল
  • শার্শায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল বিএইচই ইউনি
  • মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা বেনাপোলে, বেড়েছে পণ্য পরিবহনের খরচ
  • বাংলাদেশের ইলিশের দেশে ভারতীয় ইলিশ কেন, হঠাৎ বন্ধ আমদানি
  • বেনাপোল বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম