বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ৮, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

মুজিব খুন হওয়ার পর কেন জনগণ মিষ্টি বিতরণ করেছিল, জানালেন বদরুদ্দীন উমর

লেখক, গবেষক ও রাজনীতিক বদরুদ্দীন উমর বলেছেন, ১৫ আগস্ট সপরিবারে শেখ মুজিবকে যখন হত্যা করা হয় তখন তার সমর্থনে একটা লোককেও রাস্তায় দেখা য়ায়নি। বরং মানুষ উল্লাস করে মিষ্টি বিতরণ করেছে। মুজিবের সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে এমন অবস্থা তৈরি হয়েছিল যে এটা নিয়ে কখনো আলাপ আলোচনা হয়নি।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি এসব কথা বলেন।

বদরুদ্দীন উমর বলেন, যারা ৭১ সালের যুদ্ধে ভারতে বসে তথাকথিত নেতৃত্ব দিয়েছিল, শেখ মুজিব ক্ষমতায় এসে আড়াই বছরে বাংলাদেশের জনগণকে কিছুই দেয়নি। সাড়ে তিন বছরে আওয়ামী লীগের শাসন থেকে জনগণ কিছুই পায়নি। ১৯৪৭ সালে জনগণের প্রত্যাশা ছিল এই অঞ্চল পাকিস্তান হলে মানুষের সুযোগ সুবিধা বাড়বে, চাকরি হবে ও ভাত-কাপড়ের ব্যবস্থা হবে। কিন্তু কিছুই হয়নি। তেমনি বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর শেখ মুজিবের আমলেও কিছুই হয়নি। শেখ মুজিব যে জনগণকে কিছুই দিতে পারেনি তার প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিল জনগণ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট।

এই গবেষক আরও বলেন, স্বাধীনতার পর ১০ জানুয়ারি যখন শেখ মুজিবুর রহমান দেশে এলেন লাখ লাখ মানুষ তাকে স্বাগত জানিয়েছিল। রাস্তায় ও রেসকোর্স ময়দানে সংবর্ধনাও জানিয়েছিল। অথচ ১৫ আগস্ট নিষ্ঠুরভাবে সপরিবারে হত্যা করল তার সমর্থনে একটা লোকও দেখা গেল না। উপরন্ত দেখা গেল, রাস্তায় উল্লাস করে মিষ্টি বিতরণ করছে। শেখ মুজিবের পক্ষে রাস্তার একটি কুকুরও দাঁড়ায়নি।

‘সাড়ে তিন বছরে শেখ মুজিব জনগণকে কিছুই দিতে পারেনি বরং শোষণ নিপীড়ন চরম আকার ধারণ করেছিল। শেখ মুজিব ১৯৭২ সালেই রক্ষী বাহিনী গঠন ও নিরাপত্তা আইন করে জনগণের ওপর জুলুম করে হাজার হাজার লোককে মেরে ফেলেছে। এরপর আওয়ামী লীগ জনগণ থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল। এতে শেখ মুজিবের যে জনপ্রিয়তা ছিল সব মুছে গেল’।

আওয়ামী লীগ কখনো জনগণের চেতনাকে ধারণ করেনি মন্তব্য করে তিনি বলেন, জনগণের চেতনা আর আওয়ামী লীগের চেতনা এক জায়গায় ছিল না। ফলে এক শ্রেণির লোকজন প্রচুর ধন সম্পদের মালিক হতে লাগল কিন্তু জনগণ কিছুই পেল না। এর ফলে ৭৫ এর ঘটনা ঘটল।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিষয়ে জানতে চাইলে বদরুদ্দীন উমর বলেন, চেতনা বলতে কী বোঝায়? কার চেতনা, কীসের ৭১ এর চেতনা? সে সময় অনেকেই তো লড়াই করেছে। কৃষক-শ্রমিক মধ্যবিত্তরা লড়াই করেছে। আওয়ামী লীগও লড়াই করেছে। শেখ মুজিব পাকিস্তানের জেলে বসে থেকেছে। লড়াই করেনি। আওয়ামী লীগের অন্য নেতারাও বিশেষ করে তাজউদ্দিন কলকতায় বসে থেকে লড়াই করেছে। সবার চিন্তা এ রকম। ৭১ এর চিন্তা আলাদা করে কিছু নেই। নানা মহলে নানাভাবে চিন্তা হয়েছে। তখন সাধারণ জনগণ যেটা মনে করেছিল ১৯৭১ সালে পাকিস্তানিদের তাড়িয়ে দিয়ে তারা দুধে-ভাতে থাকবে, দেশ থেকে নানারকম নির্যাতন শোষণ-নিপীড়ন চলে যাবে। সে রকম কিছুই দেশ স্বাধীনের পর বাংলাদেশ আমলে দেখা গেল না।
সূত্র: যুগান্তর

একই রকম সংবাদ সমূহ

বেসরকারি শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা নেই: এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণে কোনো আইনি বা নীতিগত বাধাবিস্তারিত পড়ুন

বেসরকারি শিক্ষকদের জাতীয়করণ আজ হোক বা কাল, হবেই: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয়করণের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার,বিস্তারিত পড়ুন

শিক্ষকদের চাকরি জাতীয়করণে মায়ের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবেই প্রধানমন্ত্রী: রিজভী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয়করণে কিছুদিন সময়বিস্তারিত পড়ুন

  • পানির ন্যায্য হিস্যা নিয়ে ভারতকে ছাড় দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আবরার ফাহাদের পরিবারের সাক্ষাৎ
  • প্রত্যেক ইউনিয়নে খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • কোরআন শিক্ষা উৎসাহিত করতে কাজ করবে সরকার: রাষ্ট্রপতি
  • তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে মোদির সঙ্গে ত্রিবেদীর ‘খুব ভালো’ ও ‘দীর্ঘ’ বৈঠক
  • রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্থাপন হবে ২ সেনা ক্যাম্প, জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশ একাডেমি
  • ১৬ বছরের নির্যাতন-নিপীড়ন গুম-খুনের চিত্র তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী
  • ধর্ম, বর্ণ, পরিচয় অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে বাধা হবে না : প্রধানমন্ত্রী
  • ১০ উড়োজাহাজ কিনতে এয়ারবাসের সঙ্গে বিমানের চুক্তি
  • পোস্টাল ভোটিং শুরু করতে বাংলাদেশের সহায়তা নেবে নেপাল
  • রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ একনেকে ১৩ প্রকল্পের অনুমোদন
  • দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে মুক্তিযোদ্ধাদের নির্ভুল তালিকা করা হবে: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী