বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

সামাজিক আন্দোলনের মহীয়সী নারী এড. হাসনা হেনা খান, উজ্জলতম নক্ষত্রের বিদায়

পৃথিবী নামক নিছক লালসার গ্রহে জীবনের ব্যাপ্তি নিতান্তই ক্ষণস্থায়ী। বিদায়বেলা মানুষের ভালোবাসা পাওয়াটা যেমন সৌভাগ্যের, তেমনি আপনার বিদায়ে কারও হৃদয়ে গভীর শূন্যতার সৃষ্টি হবে, যে শূন্যতা কখনও পূরণ হওয়ার নয়, সাতক্ষীরার বিদগ্ধ সমাজের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র আইনজীবী ও নারীনেত্রী হাসনা হেনা খানের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রখ্যাত শিক্ষাবিদের বিদায় আমাদের জন্য এক বিরাট শূন্যতা। তাঁর চলে যাওয়া এক অপূরণীয় ক্ষতি। শিক্ষা বিস্তার ও সামাজিক অধিকার আদায়ের আন্দোলনে তাঁর অবদান সাতক্ষীরাবাসী চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
এ্যাডভোকেট হাসনা হেনা খান ১৯৭০ সালের ১লা জানুয়ারি সাতক্ষীরা জেলার পুরাতন সাতক্ষীরায় পৈত্রিক বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা সিরাজুল করিম এবং মাতা আছিয়া করিম। তিনি যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীন সাতক্ষীরা নবারুন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৮৪ সালে এসএসসি, ১৯৮৬ সালে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ থেকে ১৯৮৮ সালে ডিগ্রী, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন খুলনা বিএল কলেজ থেকে ১৯৯০ সালে এমএ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন সাতক্ষীরা ল কলেজ থেকে ১৯৯৪ সালে এলএলবি পাশ করেন এবং ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে এ্যাডভোকেট তালিকাভুক্ত হন। ১৯৯৭ সালের ৪ঠা মার্চ তিনি পলাশপোল খান বাড়ির সন্তান এবং সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এবং সাতক্ষীরা ল কলেজের প্রিন্সিপাল ডক্টর রবিউল ইসলাম খান এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিবাহিত জীবনে তিনি তার একমাত্র সন্তান যিনি ব্যারিষ্টার এট ল এর শেষ বর্ষের ছাত্র বিথার রবিউল খানের মাতা। এ্যাডভোকেট হাসনা হেনা খান ইং ১১/০১/২০২৬ তারিখ রবিবার অনুমান রাত-২টা ১৪ মিনিটে সাবেক সাতক্ষীরা সিবি হসপিটাল বর্তমান ব্লিস হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল অনুমান ৫৫ বছর। তিনি স্বামী, এক ছেলেসহ অগণিত আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব শুভাকাঙ্খী ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। মরহুমা এডভোকেট হাসনা হেনা খান একজন সমাজসেবী, সৎ নিষ্ঠাবান ধার্মিক ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন একজন সদা হাস্যজ্জল মানুষ ছিলেন। তিনি ব্যক্তি জীবনেও একজন সজ্জন ও ভালো মানুষ হিসেবে সকলের নিকট পরিচিত ছিলেন। তিনি সাতক্ষীরা ল কলেজের প্রভাষক, আইন ও সালিস কেন্দ্র, বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড এন্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) সাতক্ষীরা জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি, সাতক্ষীরা পিকে ইউনিয়ন ক্লাব, সাতক্ষীরা জেলা সাংস্কৃতিক পরিষদ, সাতক্ষীরা জেলা শিল্পকলা একাডেমী, সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরীর সদস্য। রাজনৈতিক জীবনে তিনি মাহমুদুর রহমান মান্নার নেতৃত্বাধীন নাগরিক নারী ঐক্য সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভানেত্রী। তিনি একাধারে আইনজীবী, শিক্ষক ও নারী অধিকার আন্দোলনের পরিচিত মুখ ছিলেন। তার মৃত্যুতে সাতক্ষীরার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের মাঝেও শোকের আবহ বিরাজ করছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের আত্মহত্যার সময় বাসায় খাচ্ছিলেন এমপি গাজী নজরুল

রাজধানীর ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাট থেকে দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত লাশবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরায় জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের ৩১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিক পালন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের ৩১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিক উপলক্ষে আলোচনা সভা ওবিস্তারিত পড়ুন

শ্যামনগরের পদ্মপুকুর-গাবুরায় সড়ক নির্মাণে ২৩ কোটি ২৫ টাকা অনুমোদন

দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার পর সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ১১ নং পদ্মপুকুর ইউনিয়নের মধ্য দিয়েবিস্তারিত পড়ুন

  • সাতক্ষীরার ব্রহ্মরাজপুরে মাছচাষীদের প্রশিক্ষণ ও গাছ বিতরণ
  • সাতক্ষীরায় জাসাসের প্রতিবাদ মিছিল
  • সাতক্ষীরায় জেলা যুবদলের উদ্যোগে বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ ও মিছিল
  • সাতক্ষীরায় সার্ভিস প্রোভাইডারদের তালিকাভুক্তকরণ বিষয়ক মতবিনিময় সভা
  • রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন গাজী নজরুলের স্ত্রী : দাবি পুলিশের
  • সাতক্ষীরায় যুবদলের নবগঠিত কমিটিকে ওলামা দলের অভিনন্দন
  • তেলের দাম বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয় ও নিত্যপণ্যের দামে নতুন চাপ
  • সাতক্ষীরা পিএন হাইস্কুলের নবগঠিত এ্যাডহক কমিটির সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান
  • এমপি গাজী নজরুল ৪ দিনের ও প্রথম স্ত্রী এক দিনের রিমান্ডে
  • গাজী নজরুলের বাসা থেকে পাওয়া মরিয়মের রেখে যাওয়া শেষ চিঠিতে যা লেখা
  • এমপি গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী গ্রেফতার
  • দুপুরে দুই স্ত্রীর সঙ্গে খাবার খেয়েছেন এমপি গাজী নজরুল