বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

এখনো ৭ বছর পিছিয়ে চলে যে দেশ

সময়টা এখন ২০২৪, আর মাত্র ২ মাস পরই নতুন বছরকে স্বাগত জানাবে পুরো বিশ্ব। তারই তোরজোড় চলছে। কিন্তু এমন এক দেশ আছে যেখানে গেলে আপনি ২০১৭ তে ফিরে যাবেন। না, এজন্য কোনো টাইম ট্রাভেল করতে হবে না। দেশটিতে এখন ক্যালেন্ডারের পাতা ২০১৭ সালেই চলছে।

বিশ্ব দ্রুত এগিয়ে চললেও দেশটি চলছে তার আপন গতিতে। এই দেশটি হচ্ছে ইথোপিয়া। দেশের তুলনায় ৭ বছর পিছিয়ে সেই দেশ। ইথিওপিয়ান ক্যালেন্ডারে ১২ নয়, ১৩ মাস রয়েছে। সেখানকার ক্যালেন্ডার বাকি বিশ্বের থেকে ৭ বছর ৩ মাস পিছিয়ে।

এখানে শেষ মাসকে বলা হয় পাইগুম, যা মাত্র ৫ বা ৬ দিনের। একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই শেষ মাসটিতে কয়েকটি দিন জুড়ে দেওয়া হয়েছে, যে দিনগুলো কোনো কারণে বছরের গণনায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

ইথিওপিয়া এখনো তার প্রাচীন ক্যালেন্ডার ব্যবহার করছে। এখানকার লোকজন তাদের সেই ক্যালেন্ডারের কারণে ১১ সেপ্টেম্বর ২০০৭ তারিখে নতুন শতাব্দী উদযাপন করেছিল। বলা হয়, এই ক্যালেন্ডার ৫২৫ খ্রিস্টাব্দে রোমান চার্চ দ্বারা সংশোধন করা হয়েছিল।

এখানে বছর শুরু হয় ১১ সেপ্টেম্বর বা ১২ সেপ্টেম্বর গ্রেগরিয়ান লিপ ইয়ারে। যীশুর জন্মের ঘোষণার তারিখ নির্ধারণে বিকল্প গণনার কারণে গ্রেগরিয়ান বছরের থেকে এটি সাত থেকে আট বছর পিছিয়ে।

বিশ্বের অধিকাংশ দেশ গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসরণ করে। ইথিওপিয়া তার নিজস্ব ক্যালেন্ডার সিস্টেম অনুসরণ করে। এখানে গুরুত্বপূর্ণ ছুটির দিনগুলো হয় যে দিনগুলো বাকি বিশ্বের থেকে আলাদা। ইথিওপিয়া ক্যালেন্ডারটি কপ্টিক মিশরীয় ক্যালেন্ডারের অনুরূপ কারণ উভয়েরই ১৩ মাস রয়েছে, যার মধ্যে ১২টি ৩০ তারিখ এবং বছরের শেষে একটি আন্তঃকালী মাস যা গ্রীক ভাষায় ‘ভুলে যাওয়া দিন’ বলে। এই শেষ মাসে একটি অধিবর্ষে পাঁচ দিন বা ছয় দিন থাকে।

ইথিওপিয়া ক্যালেন্ডারটিও মিশরীয় কপ্টিক ক্যালেন্ডারের অনুরূপ কারণ উভয়েরই একটি বছর রয়েছে ৩৬৫ দিন এবং একটি অধিবর্ষে ৩৬৬ দিন, যা প্রতি চতুর্থ বছরে হয়। অর্থোডক্স তেওয়াহেডো চার্চ যেখানে ইথিওপিয়া ক্যালেন্ডার প্রথম তার শিকড় খুঁজে পেয়েছিল তাও ক্যালেন্ডারের শারীরস্থান এবং অস্তিত্বকে প্রভাবিত করেছে।

যদিও ইথিওপিয়ার ক্যালেন্ডার কপটিক এবং জুলিয়ান উভয় ক্যালেন্ডার থেকে আলাদা; কপটিক এবং ইথিওপিয়ান ক্যালেন্ডারের মধ্যে পার্থক্য ২৭৬ বছর। ইথিওপিয়া একমাত্র আফ্রিকান জাতি হিসেবে আছে যারা তার নিজস্ব ক্যালেন্ডার সিস্টেম ব্যবহার করে।

এই দেশে আসা পর্যটকদের কোনো অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয় না। প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধানে এখানকার আফার অঞ্চলকে সবচেয়ে প্রাচীন বলা হয়। বিশ্বাস করা হয়, মানুষ এখানে প্রথম বসবাস শুরু করেছিল। খননকালে ৩.২ মিলিয়ন বছরের পুরোনো একটি হোমিনিড কঙ্কাল পাওয়া গিয়েছিল সেখানে।
সূত্র: ইথোপিয়া ক্যালেন্ডার

একই রকম সংবাদ সমূহ

জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাপান সফরের অংশ হিসেবে দেশটির নাগোয়ায় অবস্থিত টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করেছেনবিস্তারিত পড়ুন

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ৬ দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা চুক্তি সই

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চলমান জাপান সফরে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে ছয়টি দ্বিপক্ষীয়বিস্তারিত পড়ুন

উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করতে প্রবাসীবিস্তারিত পড়ুন

  • বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান
  • বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
  • বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
  • বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ জার্মানি : উপমন্ত্রী
  • গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা জাপানের প্রধানমন্ত্রীর
  • অংশীদারিত্ব আরও জোরদারে প্রতিশ্রুতি দুই প্রধানমন্ত্রীর
  • বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান
  • ‘বিগ-বি’ উদ্যোগে একমত জাপান, এক লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগ প্রত্যাশা
  • বাংলাদেশ-জাপান বন্ধুত্ব হোক যৌথ সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী
  • জাপানকে বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
  • জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক
  • বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী