শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কলারোয়ায় ইলিশ যেনো রুপকথায়! সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে

যার নাম শুনলে বাঙ্গালীর জিবে জল এসে যায়। সাধারণ মানুষের এখন তা চোখে দেখা দুস্কর। আর আজকের প্রজন্মের শিশুরা তা চিনে না, জানে না। – হ্যাঁ বলছিলাম বাংলাদেশের রুপালী ইলিশের কথা। আজকের শিশুর কাছে “রুপালী ইলিশ” রুপ কথায় পরিণত হতে চলেছে। ষাট ও সত্তরের দশকে জৈষ্ঠ্য মাসের শেষে কলারোয়ার গ্রামগঞ্জের হাট বাজারে রুপালী ইলিশ আসা শুরু হত। আর বর্ষাকাল থেকে শরৎকালের শেষ অবধি মাঠঘাট নালা ডোবায় পাওয়া মলাঢেলা, কই, শিং, মাগুর, চ্যাং, বেতলা, শোল, ট্যাংরা, বাইন সহ নানা প্রকার মাছে গ্রামের মানুষের বাড়ি ভরে থাকত। বাড়তি মাছ পাওয়ার কারণে পুটি আর চিংড়ির শুটকি তৈরি করা হত।

বাড়িতে এসব মাছ থাকার পরেও রসনা বিলাসী বাঙালী বাড়ি রুপালী ইলিশ ছাড়া চলে কি? গ্রামের হাট বাজার গুলো ভরে যেত ইলিশে। হাটের(বাজার) দিনে বাড়ি বাড়ি আনা হত রুপালী ইলিশ। প্রতি হাটের দিন সন্ধার পরে ইলিশের মনোলোভা সুগন্ধে পাড়া মহল্লা গুলো সুবাসিত হয়ে উঠত। আর সকালে ভাজা ইলিশ নয়, পান্তা ভাতের সাথে ইলিশের ঝোলে জমে উঠত খাওয়ার আনান্দ। আর অনেক পরিবারে পরদিন ঝোলের ইলিশ মাছ আগুনে শুকিয়ে সেই ইলিশ দিয়ে মজাদার সব তরকারী রান্না খাওয়া হত। আর দুই আড়াই কেজি ইলিশের তেলের মজা ছিল আলাদা। তখন কলারোয়ার পূর্ব সীমানা দিয়ে প্রবাহিত কপোতাক্ষ নদে মাঝে মাঝে কৃষক আর জেলের জালে ইলিশ ধরা পড়ত। তাই প্রায় আশ্বিন মাসের শেষ অবধি গ্রামের বাঙালী পরিবারে চলত ইলিশ খাওয়ার ধুম।

কিন্তু আশির দশকের শেষ ভাগে এসে গ্রামের হাট বাজারে ইলিশে ভাটা পড়তে শুরু করে। আর দাম বেড়ে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যেতে থাকে।

২০০০ সালের পরে ক্রমান্বয়ে ইলিশ মাছ দূস্প্রাপ্য হয়ে উঠে। একদিকে মূল্য বৃদ্ধি; অন্যদিকে দুস্প্রাপ্যতার কারণে রুপালী ইলিশ একেবারে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে নিয়ে যায়।

এখন গ্রামগঞ্জের হাট বাজারে বছরে ১/২ দিনের বেশী ইলিশের দেখা মেলে না। কিছু চাকরীজীবি আর গ্রামের ৫/১০ জন ধনাঢ্য পরিবার এর ক্রেতা। সাধারণ মানুষ তো দূরের কথা, নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে সেই ইলিশ কেনা সম্ভব হয় না। ফলে আজকের প্রজন্মের বেশীর ভাগ শিশু ইলিশ মাছ চিনে না। মজাদার সুস্বাদু ইলিশ তাদের কাছে রুপকথার গল্প। জাটকা শিকার নিষিদ্ধ হওয়ার পরে ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধির খবর প্রচারে মানুষের মনে আবার আশা জাগে। কিন্তু ইলিশের দাম কমেনি। সেই সংগে দুস্প্রাপ্যতা প্রকট। ইলিশ পেতে হলে শহরে যেতে হয়। তাই প্রবীণ মানুষগুলোর ইলিশ খাওয়া দূরাশায় পরিণত হয়েছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করাবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক কার্যক্রম বাস্তবায়নে কলারোয়ায় মতবিনিময় সভা

সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক কার্যক্রম বাস্তবায়নের দাবিতে কলারোয়ায় এক মতবিনিময়বিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় পৃথক অভিযান ও মামলায় ৭ ব্যক্তি আটক

কলারোয়ায় পৃথক অভিযান ও মামলায় ৭ ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহষ্পতিবার রাতেবিস্তারিত পড়ুন

  • কলারোয়া আলিয়া মাদ্রাসা ও কলারোয়া মডেল হাইস্কুলে বিশুদ্ধ পানির পয়েন্ট উদ্বোধন
  • কলারোয়া আলিয়া মাদ্রাসায় নবীন বরণ ও সুপেয় পানি প্রকল্পের উদ্বোধন
  • মাছের ঘেরে জাল পাতা নিয়ে বিরোধ, বাবা-ছেলেকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ
  • কলারোয়ায় কোরআন প্রশিক্ষণ ও তারবিয়াতি মজলিস
  • কলারোয়ায় যুবদলের সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশ ও মিছিল
  • কলারোয়ার কেঁড়াগাছি ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে মোকন্দপুরের গোলবন্যা
  • কলারোয়ায় বার্ষিক পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা বিষয়ে সেমিনার
  • কলারোয়ায় ইউনিয়ন পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা অনুষ্ঠিত
  • কলারোয়ার কেঁড়াগাছি ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে কয়লার জয়
  • কলারোয়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আফজাল করিম আর নেই
  • কলারোয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ