শনিবার, অক্টোবর ১৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কলারোয়ায় ইলিশ যেনো রুপকথায়! সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে

যার নাম শুনলে বাঙ্গালীর জিবে জল এসে যায়। সাধারণ মানুষের এখন তা চোখে দেখা দুস্কর। আর আজকের প্রজন্মের শিশুরা তা চিনে না, জানে না। – হ্যাঁ বলছিলাম বাংলাদেশের রুপালী ইলিশের কথা। আজকের শিশুর কাছে “রুপালী ইলিশ” রুপ কথায় পরিণত হতে চলেছে। ষাট ও সত্তরের দশকে জৈষ্ঠ্য মাসের শেষে কলারোয়ার গ্রামগঞ্জের হাট বাজারে রুপালী ইলিশ আসা শুরু হত। আর বর্ষাকাল থেকে শরৎকালের শেষ অবধি মাঠঘাট নালা ডোবায় পাওয়া মলাঢেলা, কই, শিং, মাগুর, চ্যাং, বেতলা, শোল, ট্যাংরা, বাইন সহ নানা প্রকার মাছে গ্রামের মানুষের বাড়ি ভরে থাকত। বাড়তি মাছ পাওয়ার কারণে পুটি আর চিংড়ির শুটকি তৈরি করা হত।

বাড়িতে এসব মাছ থাকার পরেও রসনা বিলাসী বাঙালী বাড়ি রুপালী ইলিশ ছাড়া চলে কি? গ্রামের হাট বাজার গুলো ভরে যেত ইলিশে। হাটের(বাজার) দিনে বাড়ি বাড়ি আনা হত রুপালী ইলিশ। প্রতি হাটের দিন সন্ধার পরে ইলিশের মনোলোভা সুগন্ধে পাড়া মহল্লা গুলো সুবাসিত হয়ে উঠত। আর সকালে ভাজা ইলিশ নয়, পান্তা ভাতের সাথে ইলিশের ঝোলে জমে উঠত খাওয়ার আনান্দ। আর অনেক পরিবারে পরদিন ঝোলের ইলিশ মাছ আগুনে শুকিয়ে সেই ইলিশ দিয়ে মজাদার সব তরকারী রান্না খাওয়া হত। আর দুই আড়াই কেজি ইলিশের তেলের মজা ছিল আলাদা। তখন কলারোয়ার পূর্ব সীমানা দিয়ে প্রবাহিত কপোতাক্ষ নদে মাঝে মাঝে কৃষক আর জেলের জালে ইলিশ ধরা পড়ত। তাই প্রায় আশ্বিন মাসের শেষ অবধি গ্রামের বাঙালী পরিবারে চলত ইলিশ খাওয়ার ধুম।

কিন্তু আশির দশকের শেষ ভাগে এসে গ্রামের হাট বাজারে ইলিশে ভাটা পড়তে শুরু করে। আর দাম বেড়ে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যেতে থাকে।

২০০০ সালের পরে ক্রমান্বয়ে ইলিশ মাছ দূস্প্রাপ্য হয়ে উঠে। একদিকে মূল্য বৃদ্ধি; অন্যদিকে দুস্প্রাপ্যতার কারণে রুপালী ইলিশ একেবারে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে নিয়ে যায়।

এখন গ্রামগঞ্জের হাট বাজারে বছরে ১/২ দিনের বেশী ইলিশের দেখা মেলে না। কিছু চাকরীজীবি আর গ্রামের ৫/১০ জন ধনাঢ্য পরিবার এর ক্রেতা। সাধারণ মানুষ তো দূরের কথা, নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে সেই ইলিশ কেনা সম্ভব হয় না। ফলে আজকের প্রজন্মের বেশীর ভাগ শিশু ইলিশ মাছ চিনে না। মজাদার সুস্বাদু ইলিশ তাদের কাছে রুপকথার গল্প। জাটকা শিকার নিষিদ্ধ হওয়ার পরে ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধির খবর প্রচারে মানুষের মনে আবার আশা জাগে। কিন্তু ইলিশের দাম কমেনি। সেই সংগে দুস্প্রাপ্যতা প্রকট। ইলিশ পেতে হলে শহরে যেতে হয়। তাই প্রবীণ মানুষগুলোর ইলিশ খাওয়া দূরাশায় পরিণত হয়েছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

নবগঠিত সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলকে স্বাগত জানিয়ে কলারোয়া উপজেলা ছাত্রদল এর সভাপতি প্রার্থী মোঃ আবির হোসেন এর নেতৃত্বে শুভেচ্ছা মিছিল

নবগঠিত সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলকে স্বাগত জানিয়ে কলারোয়া উপজেলা ছাত্রদল এর সভাপতি প্রার্থী মোঃ আবির হোসেন এর নেতৃত্বে শুভেচ্ছা মিছিল নবগঠিত সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় বিশাল শুভেচ্ছা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।বিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় সুপেয় পানির পয়েন্ট উদ্বোধন ও ডিজিটাল পানির বিলিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত”

দি কোকা-কোলা ফাউন্ডেশন (The Coca-Cola Foundation—TCCF)-এর অর্থায়নে, ওয়াটার অ্যান্ড স্যানিটেশন ফর আরবানবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় যুবদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল কাদের বাচ্চুর সংবাদ সম্মেলন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ঘটনার প্রেক্ষিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন কলারোয়া উপজেলাবিস্তারিত পড়ুন

  • ফেসবুকে অপপ্রচারের প্রতিবাদে কলারোয়ায় যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলন
  • শার্শা থেকে কলারোয়া সীমান্তে মাদক নেটওয়ার্কের বিস্তার, আলোচনায় আমজাদ
  • কলারোয়ায় জামায়াতের লিডারশিপ ট্রেনিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
  • কলারোয়ার কেঁড়াগাছি ফুটবল টুর্নামেন্টে মুকুন্দপুর চ্যাম্পিয়ন
  • কলারোয়ায় সোনালী আঁশের পাশাপাশি পাটকাঠিতে বাড়তি আয়ের স্বপ্ন কৃষকের
  • কলারোয়ায় এবার সাদা তিলের তৈরি দুর্গা প্রতিমা
  • কলারোয়ায় মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির কমিটি গঠনে সার্চ কমিটির সভা
  • কলারোয়া বেত্রবতী হাইস্কুলে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটির সভা
  • কলারোয়ায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা
  • কলারোয়ার হিজলদী হাইস্কুল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কমিটি গঠন
  • কলারোয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জনের কারাদণ্ড
  • কলারোয়ায় হুতিদের আগ্রাসনের প্রতিবাদে মানববন্ধন