কলারোয়া পৌরসভা : দুই পাশে উন্নত সড়ক, মাঝখানে ৪০০ মিটারের দুর্ভোগ


কলারোয়া পৌরসভা এলাকার হাসপাতাল সড়কের নজরকাড়া ইউনিব্লক রাস্তা শেষ হতেই শুরু হয়েছে দুর্ভোগের এক নির্মম চিত্র। পশ্চিমমুখী এই রাস্তা কদম আলী মেসের সামনের অংশ থেকে পৌরসভার শেষ প্রান্ত কানিপাড়া পর্যন্ত প্রায় ৪০০ মিটার দীর্ঘ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সড়কটির পূর্ব ও পশ্চিম উভয় পাশেই উন্নত ও চলাচল উপযোগী রাস্তা থাকলেও মাঝখানের এই অংশটি এখন পথচারী ও যানবাহন চলাচলের অন্যতম বড়ো অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। জরুরিভিত্তিতে বেহাল রাস্তাটি নির্মাণের দাবি উঠেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে সড়কটি সংস্কারের দাবি জানানো হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। পৌরসভার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। এমনকি উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা সভায়ও সংবাদকর্মীরা বিষয়টি তুলে ধরেন। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক আরিফুল ইসলাম বিষয়টি অবগত হয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দিয়েছেন বলে জানা গেছে। তারপরও গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি চলাচলের উপযোগী করতে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।
বর্তমানে সড়কটির বিভিন্ন স্থানে বড়ো বড়ো খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। চলতি বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানিতে এসব গর্ত ভরে যাওয়ায় রাস্তাটি প্রায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ শত শত মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে এই পথ ব্যবহার করছেন। মাত্র ৪০০ মিটার পথ অতিক্রম করতে গিয়ে তাদের নাজেহাল অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে। সীমান্তবর্তী চন্দনপুর ইউনিয়নের কাঁদপুর গ্রামের বাসিন্দা আতাউর রহমান জানান, মোটরসাইকেলোগে এই ৪০০ মিটার ভঙ্গুর রাস্তাটি অতিক্রম করতে দশ-পনেরো মিনিট সময় লাগে।এছাড়া থ্রিহুইলার বাহনের যাত্রীরা এই ভাঙাচোরা রাস্তাটি পার হতে যে পরিমাণ ঝাঁকুনির দুর্ভোগ মোকাবেলা করেন, তা অবর্ণনীয়।
স্থানীয় বাসিন্দা রমজান আহমেদ বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন একটি চলমান প্রক্রিয়া হলেও এই সড়কের প্রতি বছরের পর বছর ধরে যে অবহেলা প্রদর্শিত হয়েছে, তা অত্যন্ত হতাশাজনক। দেখে মনে হয়, সড়কটির দুর্দশা দেখার যেন কেউ নেই।
এলাকাবাসী ও পথচারীরা প্রশ্ন তুলেছেন— উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসকের নির্দেশনার পরও কেনো সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না? তারা অবিলম্বে সড়কটি নির্মাণ বা সংস্কারের মাধ্যমে জনদুর্ভোগ লাঘবের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, জরুরিভিত্তিতে সড়কটির সংস্কারকাজ শুরু না হলে চলতি বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। তাই জনস্বার্থে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা দরকার বলে তারা অভিমত ব্যক্ত করেন। বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক আরিফুল ইসলাম জানান, খুব শীঘ্র এ রাস্তাটি সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করা হবে। এরপর রাস্তাটির কার্পেটিংও করা হবে।
কলারোয়া নিউজে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। (Unauthorized use of news, image, information, etc published by kalaroa News is punishable by copyright law. Appropriate legal steps will be taken by the management against any person or body that infringes those laws.)
একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়ার চন্দনপুর ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতা থেকে মোটরসাইকেল চুরি
কলারোয়ার চন্দনপুর ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতা থেকে একটি মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটেছে। ICTবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতে দুই হোটেল মালিককে জরিমানা
কলারোয়ায় দুই হোটেল মালিককে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। ICT কোচিং সেন্টার বৃহস্পতিবারবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ার সেই অন্ধ ঘোড়ার দেখভাল করা কলেজছাত্রের পাশে তারেক রহমান
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার চান্দুড়িয়া গ্রামের কলেজছাত্র সোহানের মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করে তারবিস্তারিত পড়ুন


