সোমবার, নভেম্বর ২, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

খামেনি পরবর্তী যে কোনো উত্তরসূরিকে নির্মূল করার অঙ্গীকার ইসরায়েলের

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেননি স্থলাভিষিক্ত হিসেবে নিযুক্ত যে কোনো নেতাকেই হত্যা করার প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বুধবার (৪ মার্চ) এক কঠোর বিবৃতিতে জানিয়েছেন, খামেনেইর পর যাকে এই পদে বসানো হোক না কেন, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী তাকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণ্য করবে।

কাটজ উল্লেখ করেন যে, ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা বা তাদের ভাষায় ‘সন্ত্রাসী শাসকগোষ্ঠী’ যদি ইসরায়েল ধ্বংসের পরিকল্পনা অব্যাহত রাখার জন্য কাউকে মনোনীত করে, তবে তাকে রেহাই দেওয়া হবে না। এই ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে আরও ব্যক্তিগত এবং ভয়াবহ পর্যায়ের দিকে নিয়ে যাবে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ তার বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘ইরানের সন্ত্রাসী শাসনব্যবস্থা কর্তৃক নিযুক্ত যে কোনো নেতা, যিনি ইসরায়েল ধ্বংসের পরিকল্পনা এগিয়ে নেবেন, যুক্তরাষ্ট্র ও মুক্ত বিশ্ব এবং এই অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবেন এবং ইরানি জনগণকে নিপীড়ন করবেন, তিনি আমাদের নির্মূল তালিকার প্রধান লক্ষ্যবস্তু হবেন।’

কাটজ আরও যোগ করেন যে, ‘সেই ব্যক্তির নাম কী বা তিনি কোথায় লুকিয়ে আছেন, তা আমাদের কাছে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়।’ ইসরায়েলের এই সরাসরি হুমকি থেকে বোঝা যায় যে, তারা ইরানের নেতৃত্ব পর্যায়ে শূন্যতা তৈরি করতে এবং দেশটিকে অভিভাবকহীন করার কৌশল গ্রহণ করেছে।

ইসরায়েল কাটজ আরও দাবি করেছেন যে, ইসরায়েল বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একযোগে কাজ করছে যাতে ইরানের সামরিক ও কৌশলগত সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করা যায়। তার মতে, সামরিক অভিযানের মাধ্যমে ইরানের সক্ষমতা চূর্ণ করার পাশাপাশি এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি করা হবে যাতে ইরানি জনগণ নিজেরাই তাদের বর্তমান সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে অনুপ্রাণিত হয়।

ইসরায়েলের এই কৌশলগত উদ্দেশ্য তেহরানের শাসনব্যবস্থার পরিবর্তনের দিকেই ইঙ্গিত করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খামেনেইর মৃত্যুর পর ইরানে এখন পর্যন্ত নতুন কোনো নেতার নাম ঘোষণা না করা হলেও ইসরায়েলের এই আগাম হুমকি পুরো অঞ্চলে এক নতুন রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করেছে।

বিবৃতিতে কাটজ ইরানের বর্তমান অবস্থাকে নিপীড়নমূলক হিসেবে অভিহিত করে দাবি করেন যে, ইরান কেবল ইসরায়েল নয় বরং পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি। ইসরায়েলি বিমানবাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ইরানের সম্ভাব্য পরবর্তী নেতাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছে বলেও সূত্রের খবর।

এর আগে গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানে খামেনেই নিহত হওয়ার পর থেকেই তেহরান এবং তেল আবিবের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারি তুঙ্গে রয়েছে। ইসরায়েলের এই ‘নির্মূল অভিযান’ বা এলিমিনেশন নীতি ইরানের রাজনৈতিক কাঠামোকে লক্ষ্য করে একটি বড় ধরনের সামরিক চাল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সূত্র: আল জাজিরা

একই রকম সংবাদ সমূহ

সাইকেলে চড়ে ১৯ বছরে ১৯১ দেশ ভ্রমণ বাঙালির

প্রায় দুই দশক ধরে সাইকেল চালিয়ে একের পর এক দেশ ঘুরে বেড়াচ্ছেনবিস্তারিত পড়ুন

চালু হচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্রের ‘ডিভি লটারি’

যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে থাকার গ্রিন কার্ডের লটারি বা ডাইভারসিটি ভিসা (ডিভি) কার্যক্রম এখনইবিস্তারিত পড়ুন

সংসদীয় কূটনীতির মাধ্যমে বাংলাদেশ-ব্রিটেন সম্পর্ক জোরদারে অঙ্গীকার

সংসদীয় কূটনীতির মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশবিস্তারিত পড়ুন

  • জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
  • প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ৬ দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা চুক্তি সই
  • উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
  • বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান
  • বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
  • বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
  • বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ জার্মানি : উপমন্ত্রী
  • গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা জাপানের প্রধানমন্ত্রীর
  • অংশীদারিত্ব আরও জোরদারে প্রতিশ্রুতি দুই প্রধানমন্ত্রীর
  • বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান
  • ‘বিগ-বি’ উদ্যোগে একমত জাপান, এক লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগ প্রত্যাশা
  • বাংলাদেশ-জাপান বন্ধুত্ব হোক যৌথ সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী