বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই- ডিসি মিজ কাউসার আজিজ

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবিলা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেছেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ। তিনি বলেছেন, প্রকৃতিকে রক্ষা করতে হলে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে হলে ব্যাপক সবুজায়নের কোনো বিকল্প নেই।

শনিবার (১৩ জুন) বেলা সাড়ে ১২টায় সাতক্ষীরা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী প্রাণসায়ের খালপাড়ে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। খালের দুই পাড়জুড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণের মধ্য দিয়ে পাঁচ বছর মেয়াদি এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা বৃদ্ধি, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রকোপ বাড়ছে। উপকূলীয় জেলা হিসেবে সাতক্ষীরাও এসব ঝুঁকির বাইরে নয়। এ বাস্তবতায় পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ হিসেবে বৃহৎ পরিসরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন অত্যন্ত সময়োপযোগী।

তিনি জানান, সরকারের ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ৫০ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে। এই জাতীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে চলতি বছর এক কোটি গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বৃক্ষরোপণের পর প্রতিটি গাছের যথাযথ পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

মিজ কাউসার আজিজ আরও উল্লেখ করেন, সাতক্ষীরা জেলার প্রতিটি উপজেলায় কমপক্ষে দুই একর জমিতে বনায়ন গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের সমন্বয়ে এই বনায়ন কর্মসূচি জেলার পরিবেশগত উন্নয়ন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহবায়ক এইচ এম রহমত উল্লাহ পলাশ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. মইনুল ইসলাম খান, সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, সহকারী বন সংরক্ষণ কর্মকর্তা প্রিয়াংকা হালদার, কৃষিবিদ সাইফুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু এবং পৌরসভার সচিব মোহাম্মদ লিয়াকত আলীসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

শেষে প্রাণসায়ের খালের দুই পাশে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয় এবং স্থানীয় জনগণকে এই কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত হওয়ার আহবান জানান জেলা প্রশাসক।

উল্লেখ্য, একসময় প্রাণসায়ের খাল ছিল সাতক্ষীরার অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান। সময়ের ব্যবধানে এর সৌন্দর্য অনেকটাই ম্লান হয়ে গেলেও নতুন এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে খালপাড়ে আবারও সবুজের সমারোহ ফিরে আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে এটি শহরের পরিবেশ উন্নয়ন ও সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের আত্মহত্যার সময় বাসায় খাচ্ছিলেন এমপি গাজী নজরুল

রাজধানীর ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাট থেকে দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত লাশবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরায় জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের ৩১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিক পালন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের ৩১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিক উপলক্ষে আলোচনা সভা ওবিস্তারিত পড়ুন

শ্যামনগরের পদ্মপুকুর-গাবুরায় সড়ক নির্মাণে ২৩ কোটি ২৫ টাকা অনুমোদন

দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার পর সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ১১ নং পদ্মপুকুর ইউনিয়নের মধ্য দিয়েবিস্তারিত পড়ুন

  • সাতক্ষীরার ব্রহ্মরাজপুরে মাছচাষীদের প্রশিক্ষণ ও গাছ বিতরণ
  • সাতক্ষীরায় জাসাসের প্রতিবাদ মিছিল
  • সাতক্ষীরায় জেলা যুবদলের উদ্যোগে বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ ও মিছিল
  • সাতক্ষীরায় সার্ভিস প্রোভাইডারদের তালিকাভুক্তকরণ বিষয়ক মতবিনিময় সভা
  • রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন গাজী নজরুলের স্ত্রী : দাবি পুলিশের
  • সাতক্ষীরায় যুবদলের নবগঠিত কমিটিকে ওলামা দলের অভিনন্দন
  • তেলের দাম বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয় ও নিত্যপণ্যের দামে নতুন চাপ
  • সাতক্ষীরা পিএন হাইস্কুলের নবগঠিত এ্যাডহক কমিটির সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান
  • এমপি গাজী নজরুল ৪ দিনের ও প্রথম স্ত্রী এক দিনের রিমান্ডে
  • গাজী নজরুলের বাসা থেকে পাওয়া মরিয়মের রেখে যাওয়া শেষ চিঠিতে যা লেখা
  • এমপি গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী গ্রেফতার
  • দুপুরে দুই স্ত্রীর সঙ্গে খাবার খেয়েছেন এমপি গাজী নজরুল