শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

জীবন যুদ্ধে পরাজিত মুক্তিযোদ্ধা নড়াইলের মীরা রাণী সরকার

যশোর উপশহর এলাকার এফ ব্লকে (বাসা নং-২০৩) তার স্বামীর বাড়ি। ২ বছর আগে স্বামী পশুপতি মারা গেলে সতীনের সন্তানদের কারণে ওই বাসা ছেড়ে চলে আসতে হয় নারী বীর মুক্তিযোদ্ধা মীরা রানীকে। তখন থেকে তিনি স্বামীর বাড়ি ছেড়ে নড়াইল সদর উপজেলার ভদ্রবিলা ইউনিয়নের পাইকড়া গ্রামে মেয়ের বাড়িতে আশ্রয় নেন। সেই থেকে মেয়ের বাড়িতেই থাকেন। মেয়ে কবিতা সরকার ও জামাই গৌতম সরকার সাধ্যমত তাঁর সেবা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করছেন। বর্তমানে তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত।

রোগাক্রান্ত মীরা রানীকে দেখতে গেলে জীবন স্মৃতির নানা কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, একবার যশোরে রওশন সাহেব এর বাড়ী এসেছিলেন বঙ্গবন্ধু’র মেয়ে শেখ হাসিনা। সেসময় তিনি তাঁর মাথার চুল আঁচড়িয়ে দিয়েছিলেন পরম মমতার সাথে। বঙ্গবন্ধু মারা গেলে ২ দিন কিছুই খেতে পারেননি।
তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। দেশ স্বাধীনের পর বঙ্গবন্ধু ডেকে নিয়ে ১ হাজার টাকা পুরস্কার দিয়েছিলেন।
এমন নানা স্মৃতির কথা বলতে বলতে আবেগে কেঁদে ফেলেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, চৌগাছা সীমান্তে পাকিস্তানি সেনাদের সাথে তিনি যুদ্ধ করেন। সেই যুদ্ধে তার ঘনিষ্ঠ সঙ্গী নিহত হন। তার বাড়ি মাগুরায় ছিল।

তিনি জানান, স্বামীর মৃত্যুর পর তার নিকট হতে বাড়ির অংশ লিখে নেয় সতীনের পুত্ররা। তার একমাত্র মেয়ে কবিতা রানী সরকারকে নড়াইলের পাইকড়া গ্রামে বিয়ে দেয়া হয়। মন চাইলেও স্বামীর বাড়িতে যাওয়ার মত কোন পরিবেশ নেই। তাই জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত তিনি পাইকড়া গ্রামে কাটাতে চান।
জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত মেয়ের বাড়িতে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

তিনি কেবলমাত্র মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা পান। এছাড়া আর কোন সুযোগ সুবিধা পাননি বলে জানান তিনি।

অর্থাভাবে ঠিকমত চিকিৎসা নিতে না পারার কথা বলে তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

তার জামাই সেলুন দোকানী গৌতম কুমার সরকার বলেন, অভাবের সংসারে শ্বাশুড়ির চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে কষ্ট হলেও শ্বাশুড়ির সেবা করার মধ্যে তিনি আনন্দ খুজে পান।

তাঁর মেয়ে কবিতা রানী সরকার দুঃখের সাথে বলেন, সন্তান হিসেবে মায়ের সুচিকিৎসার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। কিন্তু ক্যান্সার আক্রান্ত মায়ের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ তাদের কাছে নেই। এমন পরিস্থিতিতে তিনি মুক্তিযোদ্ধা মায়ের জন্য সকলের আশির্বাদ ও সুস্থতা কামনা করেছেন।

স্বাধীনতা যুদ্ধে জয়ী হলেও আজ জীবন যুদ্ধে পরাজিত সৈনিক নারী মুক্তিযোদ্ধা মীরা রাণী সরকার (৬৮)। তিনি দুরারোগ্য ক্যান্সারে ভুগছেন। চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ না থাকায় ঠিকমত চিকিৎসা নিতে পারছেন না তিনি। তার মুক্তিযোদ্ধা নম্বর ম-১১৪৭৭৬।

একই রকম সংবাদ সমূহ

ঔষধি গাছ চাষে বাড়তি আয়ের সুযোগ: সবুজ পাতার আড়ালে সচ্ছলতার হাতছানি

মিঠুন সরকার, কৃষি প্রতিবেদক: প্রচলিত ফসল চাষের গণ্ডি পেরিয়ে দেশের কৃষকরা এখনবিস্তারিত পড়ুন

সাইকেলে চড়ে ১৯ বছরে ১৯১ দেশ ভ্রমণ বাঙালির

প্রায় দুই দশক ধরে সাইকেল চালিয়ে একের পর এক দেশ ঘুরে বেড়াচ্ছেনবিস্তারিত পড়ুন

দীপের বক্তব্যে ‘আশ্বস্ত’ নয় পিবিআই, ধাওয়া খেয়ে নদীতে ঝাঁপের দাবি মানছেন না তাহসিফের বাবা

ঢাকার তুরাগ নদের যে স্থান (রাজবাড়ী ঘাট) থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কেবিস্তারিত পড়ুন

  • টঙ্গীর মাজার বস্তিতে একসঙ্গে যান তাহসিফ-দীপ, ফিরে আসেন একজন: পিবিআই
  • ‘পুলিশের লোকের ধাওয়া খেয়ে নদীতে ঝাঁপ দেয় তাহসিফ, আমি পালিয়ে আসি’ : জিজ্ঞাসাবাদে দীপের দাবি
  • ভারতের পুনেতে যৌনপল্লি থেকে ৬ বাংলাদেশি তরুণী উদ্ধার
  • বজ্রপাতে একসঙ্গে প্রাণ গেল ৬ জনের
  • জামায়াত প্রার্থীর বাসায় গিয়ে মিষ্টিমুখ করালেন মির্জা ফয়সল
  • একযোগে ২৮ পুলিশ সদস্য ক্লোজড
  • ‘আমার ছেলে সাঁতার জানতো, ঘটনা ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে’: তাহসিফের বাবার শঙ্কা
  • দীপের বক্তব্যে ‘গরমিল’, তাহসিফের মৃত্যু ঘিরে বাড়ছে রহস্য
  • মোটরসাইকেলটি তাহসিফের কি না, চলছে যাচাই-বাছাই
  • ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিপুল ভোটে বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফয়সল বিজয়ী
  • ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা, গেজেট প্রকাশ করল সরকার
  • নিখোঁজের দিন দ্বীপের সঙ্গে বাসার নিচে তাহসিফ, সিসি ফুটেজে যা দেখা গেল