শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

স্বর্ণের ক্ষুর দিয়ে শেভ!

ব্যবসা চালাতে নানা ধরনের কৌশল করেন দোকানিরা। ক্রেতা বা গ্রাহক টানতে দিয়ে থাকেন বিভিন্ন ধরনের ডিসকাউন্ট। তবে এবার সেলুন ব্যবসায় অভিনব কৌশল বেছে নিলেন এক নরসুন্দর। গ্রাহক টানতে তিনি সেলুনে এনেছেন স্বর্ণের ক্ষুর। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পুনেতে।

পুনে সংলগ্ন পিম্পরি চিঞ্চওয়াড় শহরের ওই সেলুনে প্রত্যেক গ্রাহকই ‘স্পেশাল’! অন্তত ওই সেলুনের মালিক অবিনাশ বরুন্ডিয়ার তেমনই দাবি।

ব্যবসা বাড়াতে প্রচার যে অন্যতম হাতিয়ার, তা ফের বোঝাচ্ছেন পুনের ওই নরসুন্দর। গ্রাহকের গোঁফদাড়ি ছাঁটা বা কামানোর কাজে আট তোলা ওজনের স্বর্ণের ক্ষুর ব্যবহার করছেন তিনি।
অবিনাশের এই অভিনব ভাবনা বেশ হইচই ফেলে দিয়েছে নেটদুনিয়ায়। আচমকাই প্রচারের আলোয় উঠে এসেছেন তিনি। ভারতের নানা সংবাদমাধ্যমে এখন শিরোনাম অবিনাশ!

প্রায় ৮০ গ্রাম ওজনের ওই স্বর্ণের ক্ষুরটি কিনতে কত টাকা খরচ হয়েছে? অবিনাশ জানিয়েছেন, চার লাখ টাকা দিয়ে ওই ক্ষুর কিনেছেন তিনি।

হঠাৎ করে স্বর্ণের ক্ষুরই বা কিনতে গেলেন কেন? অবিনাশের দাবি, তার সেলুনে আসা প্রতিটি গ্রাহকই ‘স্পেশাল’। গ্রাহকদের স্পেশাল মনে করেন বলেই স্বর্ণের ক্ষুর ব্যবহার করা শুরু করেছেন তিনি।

তার সেলুনে যে স্বর্ণের ক্ষুরে গোঁফদা-দাড়ি কাটা যায়, সে কথা ঘটা করে প্রচারও করছেন অবিনাশ। এমনকি, সম্প্রতি সেলুনের উদ্বোধনে স্থানীয় এক রাজনৈতিক নেতাকে আমন্ত্রণ জানান তিনি। এমন প্রচারে ফলও পাচ্ছেন অবিনাশ। ধীরে ধীরে হলেও পসার বাড়ছে।

তবে করোনাকালে পসার বাড়ানো তো দূরের কথা, ব্যবসা লোপাট হওয়ার দায় হয়েছিল অবিনাশদের মতো ছোট দোকানিদের। করোনার সংক্রমণ রুখতে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ থেকে দফায় দফায় ভারতজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করেছিলেন দেশটির সরকার। বন্ধ রাখতে হয়েছে দোকানপাট-হাটবাজার, সেলুন-স্পা-জিম-রেস্তরাঁ বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এর জেরে ভীষণ লোকসান হয়েছে অবিনাশ-সহ অগণিত ছোটখাটো ব্যবসায়ীদের। কাজ হারিয়েছেন বহু শ্রমিক।

ধীরে ধীরে লকডাউন শিথিল হওয়ার পর সব কিছুর মতোই ফের খুলেছে দোকান-বাজার, রেস্তরাঁ-সেলুনও। তারপর থেকে গ্রাহক টানতে উঠেপড়ে লেগেছেন অবিনাশের মতো ব্যবসায়ীরা।

অবিনাশের দাবি, স্বর্ণের ক্ষুর দিয়ে গোঁফদাড়ি কামানোয় প্রত্যেক গ্রাহকই নিজেকে ‘স্পেশাল’ বলে মনে করবেন। তাই এমন উপায় বের করেছেন তিনি। এতে তার সেলুনে লোকজনও ভিড় করবেন বলে মনে করেন অবিনাশ।

সেলুনে লোকজনের ভিড়ের পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমের নজরেও পড়েছেন অবিনাশ। সাংবাদিকদের কাছে তিনি বলেছেন, “সোনার ক্ষুর দিয়ে গোঁফদাড়ি কামানোয় সাধারণ মানুষজন নিজেকে ‘স্পেশাল’ বলে মনে করবেন। যাদের বেশি টাকাপয়সা নেই, তারাও স্বর্ণের ক্ষুর দিয়ে গোঁফদা-দাড়ি কামাতে পারবেন।”

তা অবিনাশের চার লাখ টাকার ক্ষুরে গোঁফ-দাড়ি কামাতে গ্রাহকদের কত টাকা লাগে? সংবাদমাধ্যমের কাছে সে কথাও জানিয়েছেন তিনি। অবিনাশ বলেন, “আমার সেলুনে স্বর্ণের ক্ষুর দিয়ে দাড়ি কাটার খরচ মাত্র ১০০ রুপি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১১৪ টাকা।
সূত্র: আনন্দবাজার

একই রকম সংবাদ সমূহ

সংসদীয় কূটনীতির মাধ্যমে বাংলাদেশ-ব্রিটেন সম্পর্ক জোরদারে অঙ্গীকার

সংসদীয় কূটনীতির মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশবিস্তারিত পড়ুন

জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাপান সফরের অংশ হিসেবে দেশটির নাগোয়ায় অবস্থিত টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করেছেনবিস্তারিত পড়ুন

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ৬ দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা চুক্তি সই

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চলমান জাপান সফরে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে ছয়টি দ্বিপক্ষীয়বিস্তারিত পড়ুন

  • উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
  • বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে আগ্রহী জাপান
  • বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
  • বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
  • বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ জার্মানি : উপমন্ত্রী
  • গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা জাপানের প্রধানমন্ত্রীর
  • অংশীদারিত্ব আরও জোরদারে প্রতিশ্রুতি দুই প্রধানমন্ত্রীর
  • বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান
  • ‘বিগ-বি’ উদ্যোগে একমত জাপান, এক লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগ প্রত্যাশা
  • বাংলাদেশ-জাপান বন্ধুত্ব হোক যৌথ সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী
  • জাপানকে বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
  • জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক