বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

চলতি বছরই ইতিবাচক প্রবৃদ্ধিতে বিশ্ব

করোনা মহামারিতে ২০২০ সালের আর্থিক প্রবৃদ্ধি থমকে থাকলেও ২০২১ সালে সারাবিশ্বের প্রবৃদ্ধি হতে সাড়ে ৫ শতাংশের ওপরে। এ পূর্বাভাস দিয়েছে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সহযোগী সংস্থা ওইসিডির। কোভিড নাইনটিনের ভ্যাকসিন বের হওয়া এবং বিভিন্ন দেশ সফলভাবে টিকাদান কর্মসূচি শুরু করার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ প্রণোদনা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বিশ্ব অর্থনীতিতে। প্যারিসভিত্তিক সংগঠন ওইসিডি বলছে, করোনা প্রতিষেধক বের হওয়া এবং সফল টিকাদান কর্মসূচির কারণে ডিসেম্বরের চেয়ে দেড় শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়েছে সংস্থাটি।

২০২০ সালের শুরু থেকে বিশ্ব অর্থনীতিতে ধস নামার পর গত কয়েক মাস ধরে কিছুটা স্থিতিশীল হতে শুরু করেছে কয়েকটি অঞ্চল। করোনার প্রকোপ না কমলেও টিকাদান শুরু হওয়ায় গতি ফিরেছে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে। বিভিন্ন দেশই অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে ঘোষণা করেছে প্রণোদনা। ওইসিডি বলছে, চলতি বছর ইতিবাচক প্রবৃদ্ধিতে ফিরবে যুক্তরাষ্ট্র। প্রবৃদ্ধি হতে পারে সাড়ে ৬ শতাংশ। সংস্থাটি বলছে, ২০২১ সালের মাঝামাঝিতে মহামারি পূর্ববতী অবস্থায় পৌঁছাতে পারে বিশ্ব অর্থনীতি।

এদিকে চীন, ভারত আর তুরস্কের অর্থনীতি আবার মহামারির আগে যে অবস্থায় ছিল, ২০২১ সালের মাঝামাঝিতে এর চেয়েও ভালো অবস্থায় থাকবে। চীনের অর্থনীতির ২০২১ সালে প্রবৃদ্ধি হবে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ, ২০২২ সালে প্রবৃদ্ধি হবে প্রায় ৫ শতাংশ। এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অনেক দেশই করোনা মহামারির নেতিবাচক প্রভাব কাটিয়ে উঠতে শুরু করেছে। এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মধ্যে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে আছে চীনের অর্থনীতি।

তবে বিশ্ব অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করলেও কয়েকটি দেশ কিন্তু ২০২২ সাল পর্যন্ত মহামারির আগের অবস্থায় পৌঁছাতে পারবে না। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর সংগঠন ওইসিডি বলছে, ভ্যাকসিন দ্রুত সব দেশে পৌঁছে দিয়ে টিকাদান কর্মসূচি শুরু করলেই অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আসতে শুরু করবে। ইউরোজোনের বিভিন্ন দেশে এখনো ধীরগতিতে চলছে ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন ব্যবসায়িক সংগঠন বলছে, পুরো ইউরোপে ভ্যাকসিন সরবরাহ আর ভ্যাকসিনেশন কর্মসূচি নানা কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। করোনা প্রতিরোধে সক্ষম ভূমিকা রাখতে না পারলে পুরো ইউরোপের ১০ হাজার কোটি ইউরোর ক্ষতি হতে পারে। রাজনৈতিক অস্থিরতা, সরবরাহ ব্যাহত, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা আর জনমনে ভীতির কারণে এ অঞ্চলে টিকাদান কর্মসূচিতে ধীরগতি আছে। একক মুদ্রা ব্যবহারকারী এ অঞ্চলে প্রতি ১০০ জনের জন্য ভ্যাকসিন আছে মাত্র ৮টি। এক থেকে দুই মাসের মধ্যে পুরোদমে টিকাদান কর্মসূচি শুরু করতে না পারলে এ অঞ্চলের ৫ থেকে ১০ হাজার কোটি ইউরো লোকসান হবে।

ইউরোপিয়ান কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২৭ দেশের এ জোট বছরের প্রথম প্রান্তিকে ভ্যাকসিন পেতে পারে ১০ কোটি ডোজ।

একই রকম সংবাদ সমূহ

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দিয়েছেনবিস্তারিত পড়ুন

জাতিসংঘ টিকে আছে, কিন্তু প্রশ্ন হলো এটি কতটা কার্যকর: খলিলুর রহমান

জাতিসংঘ ৮০ বছর ধরে টিকে আছে। তবে শুধু এটিকে সাফল্যের প্রমাণ হিসেবেবিস্তারিত পড়ুন

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাইতির প্রধানমন্ত্রী ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্টের সাইডলাইন বৈঠক

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানেরবিস্তারিত পড়ুন

  • ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ও মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাইডলাইন বৈঠক
  • শেষ ভাষণে যুদ্ধ-এআই-জলবায়ু সংকটে জাতিসংঘের বিদায়ী মহাসচিব গুতেরেসের সতর্কবার্তা
  • জাতিসংঘে ভাষণে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির দাবি জানালেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান
  • জাতিসংঘ সফরে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী, ৪ দিনে যেসব কর্মসূচি
  • বেশ কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় ও বহুপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন
  • ঢাকা থেকে বিপুল মাদক নিয়ে কুয়েত বিমানবন্দরে ধরা বাংলাদেশি
  • শ্রীলঙ্কায় গণকবর থেকে ৫৭২ জনের কঙ্কাল উদ্ধার
  • ‘মক্কা জোট’ হবে এক যুগান্তকারী প্ল্যাটফর্ম: তুরস্ক
  • ‘নিজের ফাঁদেই আটকা ভারত’: বাংলাদেশকে পাকিস্তান না ভাবার সতর্কবার্তা শেখর গুপ্তের
  • ভারতের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্কের বিলে সই করলেন ট্রাম্প
  • মার্কিন-ভারত সম্পর্কে নতুন বাধা ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা বিল
  • সৌদি আরব রক্ষায় ‘যেকোনো কিছু’ করতে প্রস্তুত পাকিস্তান : আইএসপিআর প্রধান