শুক্রবার, নভেম্বর ৬, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কলারোয়ায় ইলিশ যেনো রুপকথায়! সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে

যার নাম শুনলে বাঙ্গালীর জিবে জল এসে যায়। সাধারণ মানুষের এখন তা চোখে দেখা দুস্কর। আর আজকের প্রজন্মের শিশুরা তা চিনে না, জানে না। – হ্যাঁ বলছিলাম বাংলাদেশের রুপালী ইলিশের কথা। আজকের শিশুর কাছে “রুপালী ইলিশ” রুপ কথায় পরিণত হতে চলেছে। ষাট ও সত্তরের দশকে জৈষ্ঠ্য মাসের শেষে কলারোয়ার গ্রামগঞ্জের হাট বাজারে রুপালী ইলিশ আসা শুরু হত। আর বর্ষাকাল থেকে শরৎকালের শেষ অবধি মাঠঘাট নালা ডোবায় পাওয়া মলাঢেলা, কই, শিং, মাগুর, চ্যাং, বেতলা, শোল, ট্যাংরা, বাইন সহ নানা প্রকার মাছে গ্রামের মানুষের বাড়ি ভরে থাকত। বাড়তি মাছ পাওয়ার কারণে পুটি আর চিংড়ির শুটকি তৈরি করা হত।

বাড়িতে এসব মাছ থাকার পরেও রসনা বিলাসী বাঙালী বাড়ি রুপালী ইলিশ ছাড়া চলে কি? গ্রামের হাট বাজার গুলো ভরে যেত ইলিশে। হাটের(বাজার) দিনে বাড়ি বাড়ি আনা হত রুপালী ইলিশ। প্রতি হাটের দিন সন্ধার পরে ইলিশের মনোলোভা সুগন্ধে পাড়া মহল্লা গুলো সুবাসিত হয়ে উঠত। আর সকালে ভাজা ইলিশ নয়, পান্তা ভাতের সাথে ইলিশের ঝোলে জমে উঠত খাওয়ার আনান্দ। আর অনেক পরিবারে পরদিন ঝোলের ইলিশ মাছ আগুনে শুকিয়ে সেই ইলিশ দিয়ে মজাদার সব তরকারী রান্না খাওয়া হত। আর দুই আড়াই কেজি ইলিশের তেলের মজা ছিল আলাদা। তখন কলারোয়ার পূর্ব সীমানা দিয়ে প্রবাহিত কপোতাক্ষ নদে মাঝে মাঝে কৃষক আর জেলের জালে ইলিশ ধরা পড়ত। তাই প্রায় আশ্বিন মাসের শেষ অবধি গ্রামের বাঙালী পরিবারে চলত ইলিশ খাওয়ার ধুম।

কিন্তু আশির দশকের শেষ ভাগে এসে গ্রামের হাট বাজারে ইলিশে ভাটা পড়তে শুরু করে। আর দাম বেড়ে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যেতে থাকে।

২০০০ সালের পরে ক্রমান্বয়ে ইলিশ মাছ দূস্প্রাপ্য হয়ে উঠে। একদিকে মূল্য বৃদ্ধি; অন্যদিকে দুস্প্রাপ্যতার কারণে রুপালী ইলিশ একেবারে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে নিয়ে যায়।

এখন গ্রামগঞ্জের হাট বাজারে বছরে ১/২ দিনের বেশী ইলিশের দেখা মেলে না। কিছু চাকরীজীবি আর গ্রামের ৫/১০ জন ধনাঢ্য পরিবার এর ক্রেতা। সাধারণ মানুষ তো দূরের কথা, নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে সেই ইলিশ কেনা সম্ভব হয় না। ফলে আজকের প্রজন্মের বেশীর ভাগ শিশু ইলিশ মাছ চিনে না। মজাদার সুস্বাদু ইলিশ তাদের কাছে রুপকথার গল্প। জাটকা শিকার নিষিদ্ধ হওয়ার পরে ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধির খবর প্রচারে মানুষের মনে আবার আশা জাগে। কিন্তু ইলিশের দাম কমেনি। সেই সংগে দুস্প্রাপ্যতা প্রকট। ইলিশ পেতে হলে শহরে যেতে হয়। তাই প্রবীণ মানুষগুলোর ইলিশ খাওয়া দূরাশায় পরিণত হয়েছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়ায় সাংবাদিকদের সঙ্গে শফিউল আলম শফির মতবিনিময়

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নকে আধুনিকবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ এর উদ্বোধন

উৎসবমুখর পরিবেশে কলারোয়ায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২-এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবারবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় ৭ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ

সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে প্রায় ৭বিস্তারিত পড়ুন

  • কলারোয়া পাইলট হাইস্কুল ও গার্লস হাইস্কুলে বিশুদ্ধ পানির পয়েন্ট উদ্বোধন
  • কলারোয়ার বিভিন্ন সড়কের উন্নয়নকাজ পরিদর্শনে এমপি ইজ্জত উল্লাহ
  • কলারোয়ায় পাটগুদামে আগুন, পুড়লো ৬৫লাখ টাকার পাট
  • কলারোয়ার সাবেক পৌর মেয়র আখতারুলের বিরুদ্ধে ইটভাটা দখলের অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট
  • সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ কিশোর আটক
  • কলারোয়ার কেঁড়াগাছি-কাকডাঙ্গা ছাফেদের মোড় সড়কের সংস্কার কাজ শুরু, স্বস্তির অপেক্ষায় এলাকাবাসী
  • কলারোয়া বাজারে ডেঙ্গু সচেতনতায় ইউএনও’র প্রচারাভিযান
  • রাস্তার মধ্যে পণ্য রাখায় কলারোয়ায় ৯জন দোকানীকে জরিমানা
  • কলারোয়ায় দোকান ভাংচুর ও মারপিটের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
  • সাতক্ষীরা সীমান্তে ২০ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্যসহ আটক ১
  • ২৮ অক্টোবরের রক্তের চেতনা দলীয়করণের জন্য নয় : এমপি ইজ্জত উল্লাহ
  • কলারোয়ায় কিশোরী ও অভিভাবক সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ