শনিবার, অক্টোবর ১০, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

খুলনার বিএল কলেজের দুই ছাত্রাবাস পরিত্যক্ত ঘোষণা

দক্ষিণ জনপদের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ দৌলতপুর সরকারি বিএল কলেজের দুটি ছাত্রাবাস কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছাত্রাবাস ও শহিদ তিতুমীর হল পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ায় ভবন দুটি নিলামে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে জেলা প্রশাসনের কাছে নির্দেশনা চেয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে।

কলেজ সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রাবাস দুটি বহু বছর ধরে অবহেলায় পড়ে আছে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছাত্রাবাসটি সম্পূর্ণভাবে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে। গত দুই বছরে ভবনটির দরজা-জানালাসহ বিভিন্ন স্থাপনা নষ্ট বা হারিয়ে গেছে, ফলে এটি বসবাসের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

কলেজ অঙ্গনের উত্তর পাশে ১৯৬৩ সালে ‘নিউ মুসলিম ছাত্রাবাস’ নামে ভবনটির নির্মাণ হয়। তখন কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন আবু সাঈদ আহমদ। সে সময় ছাত্র সংসদের ভিপি ছিলেন ছাত্র ইউনিয়ন মনোনীত মিয়া সাদেকুর রহমান এবং জিএস ছিলেন বিমলেন্দু হাওলাদার।

পরবর্তীতে মহান মুক্তিযুদ্ধের পর এই ছাত্রাবাসটির নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছাত্রাবাস’। এ নামকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন ১৯৬৯-১৯৭৩ সময়কালের কলেজ সংসদের ভিপি স ম বাবর আলী এবং জিএস ফ ম সিরাজুল হক। ছাত্রাবাসটিতে একসময় ৩৬ জন শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা ছিল।

অন্যদিকে, কলেজের ইতিহাসভিত্তিক গ্রন্থ অনুযায়ী ১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় শহিদ তিতুমীর হল। এই হলটিতে ১৪৪ জন শিক্ষার্থীর আবাসনের সুবিধা ছিল, যা একসময় শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আবাসন ব্যবস্থা হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সাইফুল ইসলাম জানান, ভবন দুটি বর্তমানে বসবাসের জন্য নিরাপদ নয়। কাঠামোগত দুর্বলতা, অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি এবং নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে এগুলো পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ভবন দুটি নিলামে দেওয়ার জন্য ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসনের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে। নির্দেশনা পাওয়া গেলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অধ্যক্ষ আরও জানান, এই পুরোনো স্থাপনাগুলোর জায়গায় আধুনিক ছাত্রাবাস নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট হুইপের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি ৫০০ আসনবিশিষ্ট মোট চারটি নতুন ছাত্রাবাস নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া ছাত্রাবাসসহ অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়নে প্রায় আড়াইশ’ কোটি টাকার একটি বড় প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, নতুন আধুনিক ছাত্রাবাস নির্মাণ হলে আবাসন সংকট অনেকটাই দূর হবে এবং শিক্ষার পরিবেশ উন্নত হবে। তবে একই সঙ্গে তারা কলেজের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর স্মৃতি সংরক্ষণের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

শিক্ষার্থীদের অবশ্যই প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জন করতে হবে: অর্থমন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হলে অবশ্যই কম্পিউটার সম্পর্কেবিস্তারিত পড়ুন

ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবায় ক্যাশলেস পেমেন্ট বিষয়ক আলোচনা সভা

স্বাস্থ্যসেবায় আধুনিক ও নিরাপদ লেনদেন ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালসমূহে ক্যাশলেসবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরায় কলেজ ছাত্র জাকারিয়া হত্যায় গ্রেপ্তারকৃত নাহিদ ও শিপন ৫ দিনের রিমাণ্ডে

সাতক্ষীরার কলেজ ছাত্র জাকারিয়া খাঁনকে ছুরিকাঘাত করে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত নাহিদ হাসানবিস্তারিত পড়ুন

  • বেসরকারি শিক্ষকদের স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা নেই: এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী
  • দুই মাসে সারা দেশে ১ হাজার খেলার মাঠ স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • বেসরকারি শিক্ষকদের জাতীয়করণ আজ হোক বা কাল, হবেই: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
  • শিক্ষকদের চাকরি জাতীয়করণে মায়ের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবেই প্রধানমন্ত্রী: রিজভী
  • রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্থাপন হবে ২ সেনা ক্যাম্প, জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশ একাডেমি
  • রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ একনেকে ১৩ প্রকল্পের অনুমোদন
  • দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে মুক্তিযোদ্ধাদের নির্ভুল তালিকা করা হবে: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী
  • জামিন পেলে সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়তে পারে: গাজী নজরুলের বিষয়ে বিচারক
  • দুর্গাপূজার ছুটি পাবে না জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান
  • রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে পে-স্কেল কার্যকরের নির্দেশ
  • দুর্গোৎসবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য আওয়ামী লীগ ভারতে বসে ষড়যন্ত্র করছে: রাশেদ খাঁন
  • ভোমরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জলাবদ্ধতা, নতুন ভবন নির্মাণের আবেদন