সোমবার, অক্টোবর ১২, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

শার্শায় সাদা ফুলে ফুলে ভরে গেছে সজিনা গাছ

সাদা ফুলে ফুলে ভরে গেছে সজিনার গাছ। থোকায় থোকায় ঝুলছে ফুল। ফুলের পরিমাণ এতোটাই যে গাছের পাতা পর্যন্ত দেখার উপায় নেই। ফুলের গন্ধে আকৃষ্ট হয়ে মৌমাছি মধু সংগ্রহে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। বসন্তের শুরুতে সাদা ফুলে ফুলে ভরে গেছে সজিনার গাছ। রাস্তার পাশে সজিনা ফোটা সাদা ফুল পথচারীদের আকৃষ্ট করছে।

যশোরের শার্শা উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে এ সজিনা বাহিরের জেলায় সরবরাহ করার কথা ভাবছেন চাষিরা। রোগ বালাই কম হওয়ায় এখন বাণিজ্যিক ভাবেও চাষ করা হচ্ছে সজিনা।

এক সময় বাড়ির আশপাশের উঠানে সজিনার গাছ লাগানো হতো। সজিনার চাহিদা বাড়ায় এবং সময়ের পরিক্রমায় কৃষকরা এখন ফসলি জমিতে অনেকে সজিনার চাষ করছেন। পরিকল্পিত ভাবে সজিনার চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়।

মৌসুমের শুরুতে সজিনা প্রতি কেজি ১০০/১৫০ টাকা দরে বিক্রি হলেও শেষ সময়ে দাম কমে প্রতি কেজি বিক্রি হয় ৪০/৫০ টাকা। ফাল্গুনের শেষ ও চৈত্রের শুরুতে সজিনার ডাটা খাওয়ার উপযোগী হয়। সাধারণত শাখা কেটে রোপণ করার মাধ্যমে এর বংশ বিস্তার হয়। এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে গাছ থেকে সজিনা সংগ্রহ করা যায়। ডাটার পাশাপাশি ফুল, পাতাও সবজি হিসেবে খাওয়া হয়। সবজি হিসেবে এটি যেমন উপাদেয়, তেমনি এর ভেষজ গুণাবলী অসাধারণ। নানা রোগব্যাধি নিরাময়, রোগ প্রতিরোধ ও শক্তি বৃদ্ধিতে সজিনা অত্যন্ত কার্যকর।

শার্শা উপজেলার যাদবপুর গ্রামের শহিদুল ইসলাম (মন্টু) বলেন, জমির পাশে রাস্তার ধারে কয়েকটি সজিনা গাছ লাগিয়েছি। বাড়িতে খাবার পর অতিরিক্ত সজিনা বাজারে বিক্রি করা হয়। রোগ বালাই কম। খরচ তেমন না হলেও দাম ভাল পাওয়া যায়। প্রতিটি গাছে প্রায় এক থেকে দেড় মণ সজিনা হয়।

উপজেলার মাটিপুকুর গ্রামের আফছার আলী বলেন, সজিনা এখন জমির আইলে ও আবাদি জমিতে বাণিজ্যিক ভাবে লাগানো হচ্ছে। গাছে ফুল আসার পর এবং সজিনা ধরার পর একটু কীটনাশক স্প্রে করতে হয়। এতে ভালো সজিনা হয়। গাছে যে হারে ফুল আসছে তাতে মনে হচ্ছে সজিনা আসার পর এলাকার চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ অন্যান্য জেলাতেও পাঠানো সম্ভব।

উপজেলার লাউতাড়া গ্রামের মুসলিমা বেগম জানান, আগে বাড়ির উঠানে সজিনা গাছ লাগানো হতো। এখন আবাদের জন্য জমিতে লাগানো হচ্ছে। গত বছর বাড়িতে খাবারের পাশাপাশি বাজারে বিক্রি করেছি। কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে ভালো সজিনা পাবো।

উপ-সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা প্রতাপ মন্ডল বলেন, আমরা জনগণকে সজিনার গাছ লাগানোর জন্য উৎসাহিত করছি। এবার উপজেলায় বর্তমানে দেশীয় জাতের ১৭ হাজার ৫০টির মতো সজিনা গাছ আছে। গত বছর ছিল ১৫ হাজারের মতো।

তিনি আরো জানান, যেসব এলাকায় সজিনার গাছ নেই সেসব এলাকায় কৃষকদের সজিনার গাছ লাগানোর জন্য পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। সজিনার পুষ্টিগুণ অনেক। সরকারি জায়গায় সজিনার গাছ লাগানো হচ্ছে। আগামীতে সজিনার গাছ আরো বৃদ্ধি পাবে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

শার্শা থেকে কলারোয়া সীমান্তে মাদক নেটওয়ার্কের বিস্তার, আলোচনায় আমজাদ

যশোরের শার্শা উপজেলার সীমান্তবর্তী পাড়ের কায়বা গ্রামের আমজাদ হোসেনকে ঘিরে মাদক কারবারেরবিস্তারিত পড়ুন

রাজশাহীতে মনিরামপুরের শারমিনের বাজিমাত, ‘মাইন্ড ম্যারাথন-২৩’-এ রাজশাহী বিভাগে প্রথম

শিশু-কিশোরদের মেধাভিত্তিক প্রতিযোগিতা ‘মাইন্ড ম্যারাথন-২৩ (সিজন-৩)’-এর জাতীয় পর্যায়ের পরীক্ষায় ষষ্ঠ শ্রেণির মেধাবিস্তারিত পড়ুন

যশোরের অভয়নগরে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারের মাঝে জীবিকা উপকরণ হস্তান্তর

জলাবদ্ধতা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা করে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকা টেকসই করারবিস্তারিত পড়ুন

  • শার্শা সীমান্তে ৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকার স্বর্ণ জব্দ, আটক ১
  • শার্শায় সন্ত্রাস ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাগআঁচড়ায় বিএনপির বিক্ষোভ
  • মণিরামপুরে প্রবাসী বন্ধুর সঙ্গে স্ত্রীর বিয়ে দিলেন যুবক, পরে মিলল ঝুলন্ত মরদেহ
  • চৌগাছায় পুকুরের পানিতে ডুবে মামা-ভাগনে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু
  • পরিকল্পিত সন্ত্রাসের প্রতিবাদে শার্শায় যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল
  • শার্শায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল বিএইচই ইউনি
  • মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা বেনাপোলে, বেড়েছে পণ্য পরিবহনের খরচ
  • বাংলাদেশের ইলিশের দেশে ভারতীয় ইলিশ কেন, হঠাৎ বন্ধ আমদানি
  • বেনাপোল বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম
  • কেশবপুরে গভীর রাতে নির্মাণাধীন বাড়ির দেয়াল ভাঙচুর, সিমেন্ট-রড লুটের অভিযোগ
  • প্রবাসীর স্ত্রীকে গভীর রাতে ঘরে ঢুকে অশ্লীল আচরণের অভিযোগ
  • প্রেসক্লাব যশোরের নবনির্বাচিত কমিটিকে তালা প্রেসক্লাবের শুভেচ্ছা