রবিবার, নভেম্বর ১, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

সাগর-রুনি হত্যা তদন্তে অগ্রগতি নেই, প্রতিবেদন পেছালো ১২৮ বার

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত শেষ করতে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করা হলেও এখনো তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

বুধবার (২২ জুলাই) নির্ধারিত দিনেও তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় আদালত নতুন করে আগামী ২৭ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন। এর মধ্য দিয়ে আলোচিত এ মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় পিছিয়েছে ১২৮ বারের মতো।

আদালত সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর বহুল আলোচিত সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্ধারিত দিন ছিল বুধবার। তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে পারেননি।

প্রতিবেদন না আসায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তদন্ত প্রতিবেদন জমার জন্য আগামী ২৭ আগস্ট নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাজহারুল ইসলাম জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, এ নিয়ে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় ১২৮তম বারের মতো পিছিয়ে গেলো।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। সে সময় আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় ছিল। হত্যাকাণ্ডের পর রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুণ, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাসার দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের পরিচিত তানভীর রহমান খান। তাদের মধ্যে তানভীর রহমান খান বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। পলাশ রুদ্র পালও জামিনে মুক্তি পেয়ে পলাতক। বাকি আসামিরা কারাগারে আছেন।

হত্যাকাণ্ডের পর প্রথমে শেরেবাংলা নগর থানার এক উপ-পরিদর্শক মামলাটির তদন্ত শুরু করেন। চার দিনের মাথায় তদন্তভার যায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে। তবে দুই মাসের বেশি সময় তদন্ত করেও ডিবি হত্যার রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয়। পরে একই বছরের ১৮ এপ্রিল হাইকোর্টের নির্দেশে মামলাটির তদন্তভার র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

দীর্ঘ সময় র‌্যাবের তদন্তেও দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট র‌্যাবকে তদন্তের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন সংস্থার অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন এবং ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার সময়সীমা নির্ধারণ করে দেন।

পরবর্তীতে গত বছরের ১৭ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারি করে পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করে। বর্তমানে এই টাস্কফোর্সই মামলার তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে টাস্কফোর্স গঠনের পরও তদন্ত শেষ না হওয়ায় আলোচিত এই মামলার বিচারপ্রক্রিয়া এখনো অনিশ্চয়তার মধ্যেই রয়ে গেছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

এইচএসসির সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা সম্ভাব্য ২ ডিসেম্বর, সুযোগ পাবেন যারা

এইচএসসিতে ফেল করা পরীক্ষার্থীদের সাপ্লিমেন্টারি বা সম্পূরক পরীক্ষা নেওয়া হবে। এ পরীক্ষারবিস্তারিত পড়ুন

সংবিধান সংস্কারে লংমার্চ নয়, বিরোধীদের আলোচনায় বসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সংবিধান সংস্কার নিয়ে রাজপথে লংমার্চ না করে আলোচনার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনারবিস্তারিত পড়ুন

জাটকা ইলিশ আহরণে ৮ মাসের নিষেধাজ্ঞা

ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও টেকসই সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে শনিবার (৩১ অক্টোবর) মধ্যরাতবিস্তারিত পড়ুন

  • বিএনপি মাঠে নামলে পালানোর পথ পাবে না: বিরোধী দলকে মির্জা আব্বাস
  • গায়ের জোরে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন চায় বিরোধীদল: রিজভী
  • সেই রাতে তরুণীসহ দেড় ঘণ্টা বারে ছিলেন তাহসিফ
  • তাহসিফ হত্যা মামলা: গ্রেপ্তার দীপ ৪ দিনের রিমান্ডে
  • শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠান একীভূত করার ভাবনা, শিক্ষকদের চাকরি যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী
  • এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের এক মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী
  • ২২ বছরের মধ্যে এইচএসসিতে সবচেয়ে কম পাসের হার
  • এইচএসসি ফলাফল সন্তোষজনক হয়নি: শিক্ষামন্ত্রী
  • হত্যা মামলা করলেন তাহসিফের বাবা, দীপ গ্রেপ্তার
  • এইচএসসিতে ২৯৩ প্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ
  • ‘জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে বিএনপি সব সময় জনগণের পাশে ছিল এবং থাকবে’ : মীর শাহে আলম
  • ডিবির সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার হারুন বরখাস্ত