শুক্রবার, নভেম্বর ৬, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

আসছে দুর্গাপূজা, কলারোয়ায় প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত শিল্পীরা

আগামি মাসে সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। দুর্গাপূজা উপলক্ষে ইতোমধ্যে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ততা বেড়েছে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় প্রতিমা শিল্পীদের।

জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে সকাল হতে গভীর রাত পর্যন্ত মাটি দিয়ে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমা তৈরি কাজে ভাস্কর শিল্পীরা।

পৌরসদরের তুলসীডাঙ্গা ঘোষপাড়া মাতৃপূজা মন্ডপে প্রতিমা তৈরি করছেন সাতক্ষীরার এল্লারচরের প্রতিমা ভাস্কর সুভাষ পাল।
তিনি জানান, ‘এবছর ১২টি প্রতিমা তৈরির কাজ করছেন তিনি।’

উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সন্দীপ রায় জানান, ‘বর্তমানে মহামারী করোনার প্রকোপ কিছুটা কমে আসায় স্বাস্থ্য বিধি মেনে শারদীয়া দুর্গাপূজা পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামি ৬ অক্টোবর মহালয়ের মধ্যে দিয়ে আমন্ত্রণ ও ১০ অক্টোবর মহাপঞ্চমীর বোধন ঘট স্থাপন করে পূজা শুরু হবে। আর ১৫ অক্টোবর বিজয় দশমীর মাধ্যমে সমাপ্তি হবে।’

তিনি আরো জানান, ‘কলারোয়া উপজেলায় এবার ৪২ টি পূজামন্ডপে দুর্গাপূজা হবে।’

সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলায় দুর্গাপূজার প্রতিমা তৈরির ৩ জন কারিগর রয়েছেন। তারা হলেন তুলসীডাঙ্গা গ্রামের সঞ্জয় দাস, কাজীহাটের রবিন পাল ও যুগিবাড়ীর ষষ্ঠী পাল। আর বেশির ভাগ ভাস্কর বাইরের। তাদের মধ্যে রয়েছেন এল্লারচরের সুভাষ, ধূলিহারের নবদীপ ও অন্যান্যরা।

প্রতিমা তৈরির কারিগর বা শিল্পীরা জানান, ‘একটি প্রতিমা তৈরিতে শুরু থেকে সর্বশেষ পর্যন্ত আনুমানিক ১৫-২০ দিন সময় লাগে। প্রতিদিন আনুমানিক ১৪ থেকে ১৬ ঘন্টা কাজ করেন তারা।’

তারা আরো জানান, ‘প্রকারভেদে প্রতিটি প্রতিমা তৈরিতে তারা মজুরী হিসেবে ২৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা নেন। সম্পূর্ণ প্রতিমা তৈরিতে ২৫ থেকে ৮০ হাজার টাকার মতো খরচ হয়।’

প্রতিমা তৈরির শিল্পী সুভাষ পাল, সঞ্জয় দাস, রবিন পাল ষষ্ঠী পালসহ অন্যরা জানান, ‘একটি প্রতিমা তৈরিতে বাঁশ, পেরেক ব্যবহার করে কাঠামো তৈরী করা হয়। তারপর কাঠামের সাথে খড় বা বিচুলি দিয়ে পাটের রশি বা দড়ি দিয়ে বাধা হয়। পরে মাটি দিয়ে সংযুক্ত করে পাট, বালি ও মাটির সংমিশ্রণ করে বিভিন্ন রকম প্রতিমা মুর্তি তৈরি করা হয়। এগুলো করতে ধীরে ধীরে, শুকানোর জন্য সময় দিতে হয়। কিছু দিন পর মাটির তৈরি গহনা বা ইমিটাশন গহনা ব্যবহার করা হয়। শেষ পর্যায়ে বিভিন্ন রং এর সাহায্যে পরিপূর্ণতা রূপ দেয়া হবে তৈরিকৃত প্রতিমার।’

সব মিলিয়ে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতিমা তৈরীর প্রস্তুতি চলছে জোড় কদমে। এখন শুধু অপেক্ষা দুর্গা উৎসবের।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়ায় সাংবাদিকদের সঙ্গে শফিউল আলম শফির মতবিনিময়

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নকে আধুনিকবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ এর উদ্বোধন

উৎসবমুখর পরিবেশে কলারোয়ায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২-এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবারবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় ৭ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ

সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে প্রায় ৭বিস্তারিত পড়ুন

  • কলারোয়া পাইলট হাইস্কুল ও গার্লস হাইস্কুলে বিশুদ্ধ পানির পয়েন্ট উদ্বোধন
  • কলারোয়ার বিভিন্ন সড়কের উন্নয়নকাজ পরিদর্শনে এমপি ইজ্জত উল্লাহ
  • কলারোয়ায় পাটগুদামে আগুন, পুড়লো ৬৫লাখ টাকার পাট
  • কলারোয়ার সাবেক পৌর মেয়র আখতারুলের বিরুদ্ধে ইটভাটা দখলের অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট
  • সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ কিশোর আটক
  • কলারোয়ার কেঁড়াগাছি-কাকডাঙ্গা ছাফেদের মোড় সড়কের সংস্কার কাজ শুরু, স্বস্তির অপেক্ষায় এলাকাবাসী
  • কলারোয়া বাজারে ডেঙ্গু সচেতনতায় ইউএনও’র প্রচারাভিযান
  • রাস্তার মধ্যে পণ্য রাখায় কলারোয়ায় ৯জন দোকানীকে জরিমানা
  • কলারোয়ায় দোকান ভাংচুর ও মারপিটের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
  • সাতক্ষীরা সীমান্তে ২০ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্যসহ আটক ১
  • ২৮ অক্টোবরের রক্তের চেতনা দলীয়করণের জন্য নয় : এমপি ইজ্জত উল্লাহ
  • কলারোয়ায় কিশোরী ও অভিভাবক সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ