রবিবার, অক্টোবর ১৮, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

এমন ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ চাই না

এমন ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ চাই না

শেখ শাকিল হোসেন

বাংলা, বাঙালি ও বাংলাদেশের উত্থানে যে প্রতিষ্ঠানটি সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে সেটি ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’। বায়ান্ন ’র ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন, ছেষট্টির ছয়দফা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও ঊননব্বই এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, সবখানে বিশ্ববিদ্যালয়টি তার জৌলুশ দেখিয়েছে। বলা হয়ে থাকে, এটি পৃথিবীর একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় যেটি একটি স্বাধীন দেশের জন্ম দিয়েছে। অন্যায়-অবিচারের প্রশ্নে যে প্রতিষ্ঠানটি কোনদিন আপোষ করেনি, আজ সেই প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান প্রশ্নবিদ্ধ।

বিগত ৯ দিন আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় তথ্য বিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০১৫-১৬ সেশনের শিক্ষার্থী ও ঢাকা ইউনিভার্সিটি মাইম অ্যাকশনের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান।

ঈদের পরের দিন শনিবার সকালে হাফিজুর রহমান তার নিজ জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। সেদিন সন্ধ্যায় মা তার সঙ্গে সর্বশেষ কথা বলেছেন। এরপর থেকে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। যথারীতি থানায় অভিযোগও করা হয়।

নিখোঁজের ৯ দিনের মাথায় গতকাল (২৩ মে) হাফিজুর রহমানের মৃতদেহ শনাক্ত করা হয়েছে। ঈদের পরের দিন (১৫ মে) সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকা থেকে পুলিশ তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

এতগুলো দিন তার লাশ ‘অজ্ঞাতনামা’ পরিচয়ে হাসপাতালের মর্গে পড়ে ছিল। হাফিজুর রহমানের রহস্যজনক মৃত্যুর বিষয়টা বাদ দিলাম। হত্যা নাকি আত্মহত্যা- সেই বিতর্কও বাদ দিলাম। তবুও, বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ এ ঘটনার দায় কিভাবে এড়াতে পারে? বিশ্ববিদ্যালয়েরই একজন শিক্ষার্থী ক্যাম্পাস থেকেই নিখোঁজ হয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের এলাকাতেই তার মৃতদেহ পাওয়া গেল। আর সেটা যে হাফিজুর রহমানের লাশ, এটা শনাক্ত করতে ৯ দিন চলে গেল! বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আদৌও এই ঘটনাটা জানতো? ওয়াকিবহাল থাকাটা প্রশাসনের দায়িত্বের ভেতরেই পড়ে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস দিনদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই ক্যাম্পাস থেকে পুলিশ ছাত্রদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পাওয়া শিক্ষার্থীর লাশ ‘অজ্ঞাতনামা’ পরিচয়ে দিনের পর দিন মর্গে থাকছে। অথচ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চুপ। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দিতেও ব্যর্থ। আমরা এমন বিশ্ববিদ্যালয় চাই না।

 

 

লেখক:
শেখ শাকিল হোসেন,
শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ও
সভাপতি, সাতক্ষীরা স্টুডেন্ট সোসাইটি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সাতক্ষীরায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হত্যাকাণ্ড, প্রধান আসামি আমিনী গ্রেপ্তার

সাতক্ষীরার দেবহাটায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে ওয়াহিদুজ্জামান শামীমকে গণপিটুনিতে হত্যা মামলার প্রধান আসামিবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরায় উন্নয়নও অদৃশ্য, সরকারি অনুষ্ঠানেও এমপি অদৃশ্য—তাহলে দৃশ্যমানটা কী?

মোঃ হাফিজুল ইসলাম, সংবাদকর্মী: ICT কোচিং সেন্টার সাতক্ষীরার মানুষের প্রত্যাশা ছিল, নির্বাচিতবিস্তারিত পড়ুন

শারদীয় দুর্গোৎসব: মহাসপ্তমীতে সাতক্ষীরার মণ্ডপে মণ্ডপে ভক্তদের আরাধনা

ঢাকে কাঠি পড়ার পর মায়ের নবপত্রিকা প্রবেশ ও স্থাপনের মধ্য দিয়ে আজবিস্তারিত পড়ুন

  • শ্যামনগরের আতরজান মহিলা কলেজে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ
  • সাতক্ষীরা জেলা ডাম্পার ট্রাক মালিক সমিতি (প্রস্তাবিত) কমিটির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
  • সাতক্ষীরা জেলা বাকশিস’র নব-নির্বাচিত কমিটির দায়িত্বভার হস্তান্তর
  • সাতক্ষীরায় মানব পাচার প্রতিরোধ নেটওয়ার্কের ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত
  • শ্যামনগরের লবনাক্ত এলাকায় মিষ্টি পানির প্ল্যান্ট, মিলছে সুপেয় পানি
  • নবগঠিত সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলকে স্বাগত জানিয়ে কলারোয়া উপজেলা ছাত্রদল এর সভাপতি প্রার্থী মোঃ আবির হোসেন এর নেতৃত্বে শুভেচ্ছা মিছিল
  • মেরুদণ্ডের চিকিৎসায় বিদেশমুখিতা কমাতে সরকারি হাসপাতালে স্পাইন ইউনিটের দাবি
  • সাতক্ষীরায় দুর্গপূজার নিরাপত্তায় ৩১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
  • ঘর হারিয়ে খাদ্য অধিকারও হারাচ্ছে সাতক্ষীরার বাস্তুচ্যুত মানুষ খানি-র গবেষণা
  • প্রণোদনায় বাড়ছে সাতক্ষীরায় আমন আবাদ : সবুজের মাঝে উঁকি দিচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন
  • সাতক্ষীরা জাপার সভাপতির সুস্থতা কামনায় জেলাবাসীর কাছে দোয়ার আহ্বান
  • রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে কালি লেপনের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় সমাবেশ