বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ৮, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

নকলের অভিনব কৌশল শিক্ষার্থীর, অস্ত্রোপচার করে কানে ব্লুটুথ ডিভাইস!

পরীক্ষায় পাস করার জন্য নকল করা বা নানা অসৎ উপায় অবলম্বন করার ঘটনা প্রায়শই সামনে আসে, কিন্তু নকল করতে গিয়ে নিজের শরীরে অস্ত্রোপচার করানোর ঘটনা বিরল। তবে পরীক্ষায় নকল করতে এমনই অভিনব কৌশলের আশ্রয় নিলেন ভারতের এক মেডিকেল শিক্ষার্থী।
কানে অস্ত্রোপচার করে মাইক্রো ব্লুটুথ ডিভাইস বসিয়ে এমবিবিএস চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেন ওই শিক্ষার্থী।

ঘটনা ভারতের মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের একটি মেডিকেল কলেজের।

ইন্দোরের এমজিএম মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস ছাত্রদের পরীক্ষা চলছিল। যথানিয়মে পরীক্ষা শুরু হয় কিন্তু হঠাৎ করেই পরীক্ষার ৬৫ মিনিট পর সেখানে হাজির হন একটি পরীক্ষক দল। এই দলটি ছিল জবলপুর মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের। তারা এক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন পান। এরপর একের পর এক জিজ্ঞাসাবাদ করতে বেরিয়ে আসে অবাক করা সব তথ্য। মোবাইল নিয়ে কঠোরভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে , জানা যায় ওই শিক্ষার্থী একা নয় আর কয়েকজন রয়েছেন যারা পরীক্ষায় নকল করছেন।

মহাত্মা গান্ধী মেডিকেল কলেজের একজন কর্মকর্তা জানান, ওই শিক্ষার্থী ১১ বছর ধরে মেডিকেল কলেজে পড়ছেন। কিন্তু বারবার ফাইনাল অকৃতকার্য হয় সে। আর এবারই ছিল তার শেষ সুযোগ।

মেডিকেল কলেজের ডিন ডা. সঞ্জয় দীক্ষিত বলেন, ওই শিক্ষার্থী অন্যান্য ৭৮ জনের সঙ্গে জেনারেল মেডিসিন পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। তখন দেবী অহিল্যা বাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার রচনা ঠাকুরের নেতৃত্বে একটি দল সেখানে পৌঁছায়। দলের একজন সদস্য, ওই শিক্ষার্থীর ট্রাউজারের ভেতরের পকেটে একটি মোবাইল ফোন খুঁজে পান। ফোনটি চালু ছিল এবং একটি ব্লুটুথ ডিভাইসের সঙ্গে সংযুক্ত ছিল। তবে শিক্ষার্থীর কাছে তখন ব্লুটুথ ডিভাইস খুঁজে পাননি তারা। এরপর টানা জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি স্বীকার করেন যে, একজন ইএনটি সার্জন তার কানে ত্বকের রঙের সামঞ্জস্য করে একটি মাইক্রো ব্লুটুথ ডিভাইস লাগিয়েছিলেন।

ওই শিক্ষার্থী জানান, যাতে ব্লুটুথ কেউ দেখতে না পান তাই অস্ত্রোপচার করে কানে ব্লুটুথ লাগিয়েছেন। ওই শিক্ষার্থী জানান, তার আরেক সহপাঠী একটি মাইক্রো ডিভাইসও বসিয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই কলেজ প্রশাসনের গাফিলতি সামনে চলে আসে। ওই কক্ষ থেকে প্রায় ২০ জন শিক্ষার্থীকে পর্যবেক্ষণ করা হয় পাশাপাশি সেখানে উপস্থিত ছিলেন একজন শিক্ষিকা। আসলে নিয়ম অনুযায়ী , পরীক্ষা কক্ষে একজন শিক্ষক এবং একজন শিক্ষিকার থাকা জরুরি। ওই দুই শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, দুইজনই অহিল্যা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী। এই বিষয়ে যে চিকিৎসক এমন ধরনের অস্ত্রোপচার করেয়েছেন, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

১৬ বছরের নির্যাতন-নিপীড়ন গুম-খুনের চিত্র তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ১৬ বছর ধরে এদেশের জনগণের ওপর চালানো নির্যাতন-নিপীড়ন,বিস্তারিত পড়ুন

বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকার আর নেই

ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম শক্তিশালী অভিনেতা ও নির্মাতা নানা পাটেকার আর নেই। গোয়ায়বিস্তারিত পড়ুন

পোস্টাল ভোটিং শুরু করতে বাংলাদেশের সহায়তা নেবে নেপাল

নেপালের প্রাদেশিক নির্বাচনে পোস্টাল ভোটিং শুরু করতে বাংলাদেশের আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ভোটিংবিস্তারিত পড়ুন

  • বিদায়ী ম্যাচে হলুদ-লালকার্ড ও বল পেলেন মেসি!
  • ইতালিতে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৫০ বিদেশি কর্মী নেওয়ার ঘোষণা, আবেদন যেভাবে
  • সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য না দি‌লে ভিসা প্রত্যাখ্যান হ‌তে পা‌রে : মার্কিন দূতাবাসের বার্তা
  • চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী
  • ট্রাম্পের নৈশভোজের উচ্ছ্বসিত ছবি প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে এক মঞ্চে মেলানিয়া ট্রাম্প ও জুবাইদা রহমান
  • মক্কার মসজিদে আত্মঘাতী হামলার ভুয়া খবর, আটক ১
  • ৭ মাসে বিদেশে গেছে ৪ লাখ ৩৪ হাজার কর্মী : প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী
  • হজযাত্রীদের জন্য এক প্যাকেজে সব সেবা, নতুন উদ্যোগ সৌদি আরবের
  • ঘরজামাই দত্তক নিচ্ছে জাপানের ধনী পরিবারগুলো, আবেদন করতে পারবে বাংলাদেশিরাও
  • আ.লীগের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশ সরকার: যুক্তরাষ্ট্র
  • প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফরে ১১ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকসহ ৩০ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত: মাহদী আমিন