শুক্রবার, অক্টোবর ৯, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

শেরপুরে মসজিদের দানের টাকা নয়ছয়, এলাকায় উত্তেজনা

শেরপুর সদর উপজেলার কামারিয়া ইউনিয়নের দানের ২৩ লক্ষ টাকার মধ্যে ১০ লক্ষ টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ উঠেছে ছাইফুল ইসলাম মিন্টু নামে এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। মসজিদের দানের টাকা নয়ছয়ের কারণে এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। কোন সুরাহা না এ মাসের প্রথম দিকে চারটি মসজিদ কমিটি ময়মনসিংহ বিভাগীয় পুলিশের ডিআইজি কাছে আবেদন করেছেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে শেরপুর সদর থানার ওসি (তদন্ত) তদন্ত করছেন।

অভিযোগকারীদের মধ্যে একজন ওই অভিযুক্ত ব্যবসায়ীর সহোদর ভাইও রয়েছেন। স্থানীয়রা জানিয়েছে সজিবের দেয়া ২৩ লক্ষ টাকার মধ্যে ১৩ লক্ষ টাকা খরচ করে বাকি ১০ লক্ষ টাকা আত্মসাত করেছেন ওই ব্যবসায়ী।
জানা গেছে, প্রায় দেড় বছর আগে ওই এলাকার খন্দকার পাড়া, মধ্য আলিনা পাড়া, বড়বাড়ি ও পূর্ব আলিনা পাড়া জামে মসজিদের উন্নয়নের জন্য ওই গ্রামের ঢাকার জনৈক ব্যবসায়ী সজিব হোসেন স্থানীয় লোকজন নিয়ে ব্যবসায়ী মো. ছাইফুল ইসলাম মিন্টুকে ২৩ লাখ টাকা অগ্রিম দেন। মিন্টু মসজিদগুলোর কাছেই নকলা শহরের মেসার্স হাজী এন্টারপ্রাইজ এর মালিক।

আবার ওই ব্যবসায়ী মিন্টু ও সজিবের বাড়ী একই গ্রামে। এই দুজনের মধ্যে চুক্তি হয় মসজিদের মালামাল দিয়ে গ্রহীতার স্বাক্ষর নিতে হবে। টাকা দেওয়ার বছরখানেক পরে ব্যবসায়ী মিন্টু সজিবকে জানান ২৩ লাখ টাকা শেষ হয়ে গেছে এবং আরও ৫ লাখ টাকা অতিরিক্ত দিতে হবে। সজিব খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন মিন্টুর দেওয়া মালামালের হিসাবের সাথে মসজিদ কমিটির গ্রহণ করা মালামালের যথেষ্ট গরমিল রয়েছে।

এক পর্যায়ে কমিটিসহ স্থানীয় লোকজন ও ব্যবসায়ী মিন্টুর মধ্যে বেশ উত্তেজনা শুরু হয়। সেই থেকেই চরম বিরোধ চলে আসছে। এখন বিষয়টি ময়মনসিংহ অঞ্চলের ডিআইজি পর্যন্ত গড়িয়েছে। লিখিতভাবে বিচার চেয়েছেন প্রত্যেক মসজিদের কমিটি। তদন্ত ভার পড়েছে সদর থানার ওসির (তদন্ত) উপর।
সম্প্রতি বিরোধ মিটাতে মিন্টুর আরেক ভাই ফরিদুজ্জামান পদক্ষেপ নিয়েও ব্যর্থ হয়েছেন। মসজিদে লাগানো মালামালের সঠিক হিসাব করে সিদ্ধান্ত দিতে চাইলেও মিন্টু মানেননি।

এই বিষয়ে সরেজমিনে মিন্টুর দেয়া সকল ভাউচারে দেখা গেছে কোথাও মালামাল গ্রহণকারীর সাক্ষর নেই। এলাকার প্রতিটি মানুষ মিন্টুর আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে ব্যবসায়ি মিন্টু বলেন, সকল মালামাল তৎকালীন মধ্য আলিনাপাড়া মসজিদের সভাপতি সদ্য প্রয়াত আমার বাবা জয়নাল আবেদীনের মাধ্যমে মালামাল ও টাকা লেনদেন হয়েছে। আমি স্বচ্ছভাবে সকল হিসাব যথা সময়ে বুঝিয়ে দিয়েছি। পারিবারিক দ্বন্দ্বের জের ধরে আমাকে হেয় করতে মিথ্যে অভিযোগ দাঁড় করানো হয়েছে।

এ বিষয়ে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. মনির হোসেন বলেন, বিষয়টির তদন্ত চলছে। দু’পক্ষকে শান্ত থাকার জন্য বলা হয়েছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবায় ক্যাশলেস পেমেন্ট বিষয়ক আলোচনা সভা

স্বাস্থ্যসেবায় আধুনিক ও নিরাপদ লেনদেন ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালসমূহে ক্যাশলেসবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরায় কলেজ ছাত্র জাকারিয়া হত্যায় গ্রেপ্তারকৃত নাহিদ ও শিপন ৫ দিনের রিমাণ্ডে

সাতক্ষীরার কলেজ ছাত্র জাকারিয়া খাঁনকে ছুরিকাঘাত করে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত নাহিদ হাসানবিস্তারিত পড়ুন

বেসরকারি শিক্ষকদের স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা নেই: এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণে কোনো আইনি বা নীতিগত বাধাবিস্তারিত পড়ুন

  • দুই মাসে সারা দেশে ১ হাজার খেলার মাঠ স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • বেসরকারি শিক্ষকদের জাতীয়করণ আজ হোক বা কাল, হবেই: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
  • শিক্ষকদের চাকরি জাতীয়করণে মায়ের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবেই প্রধানমন্ত্রী: রিজভী
  • রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্থাপন হবে ২ সেনা ক্যাম্প, জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশ একাডেমি
  • রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ একনেকে ১৩ প্রকল্পের অনুমোদন
  • দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে মুক্তিযোদ্ধাদের নির্ভুল তালিকা করা হবে: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী
  • জামিন পেলে সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়তে পারে: গাজী নজরুলের বিষয়ে বিচারক
  • দুর্গাপূজার ছুটি পাবে না জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান
  • রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে পে-স্কেল কার্যকরের নির্দেশ
  • দুর্গোৎসবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য আওয়ামী লীগ ভারতে বসে ষড়যন্ত্র করছে: রাশেদ খাঁন
  • ভোমরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জলাবদ্ধতা, নতুন ভবন নির্মাণের আবেদন
  • মাসউক’র ভিডব্লিউবি কর্মসূচীর প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষন জোরদার