শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

জলাবদ্ধ জমিতেই সোনার ফসল, হাসি ফুটছে কৃষকের মুখ

জাহাঙ্গীর হোসেন, (কলারোয়া): সাতক্ষীরার কলারোয়া পৌর এলাকার গোপিনাথপুরের ঈমান আলী সরদারের ছেলে মেহেদী হাসান পানি ফল চাষ করে এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে তিনি এই চাষের সঙ্গে যুক্ত থেকে নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের পাশাপাশি আশপাশের বহু বেকারের কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি করেছেন।

বর্তমানে তিনি প্রায় ৮ বিঘা জমিতে পানি ফল চাষ করছেন। মৌসুমজুড়ে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ জন শ্রমিক এ কাজে নিয়োজিত থাকেন। এবছর তার খরচ হয়েছে প্রায় ১ লাখ টাকা। তবে তিনি আশাবাদী, পানি ফল বিক্রি করে এবার তার আয় হবে ৮ লাখ টাকারও বেশি।

ইতোমধ্যে যশোর–সাতক্ষীরা মহাসড়কের কলারোয়া পৌরসভার গোপিনাথপুর এলাকায় সড়কের দুই পাশে বসেছে অস্থায়ী পানি ফলের দোকান। মিষ্টি ও রসালো পানি ফল প্রতি কেজি ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। চলতি পথে যাত্রীরা গাড়ি থামিয়ে কিনে খাচ্ছেন, আবার অনেকে পরিবারের জন্য নিয়ে যাচ্ছেন।

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের পাইকাররাও প্রতিদিন এখান থেকে পানি ফল সংগ্রহ করে নিয়ে যাচ্ছেন। এতে একদিকে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে, অন্যদিকে ক্রেতারাও পাচ্ছেন মৌসুমি এই ফলের স্বাদ।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সাতক্ষীরার দক্ষিণাঞ্চলের কালীগঞ্জ থেকে পানি ফল চাষের সূচনা হয়। ধীরে ধীরে কলারোয়া উপজেলাসহ আশপাশের এলাকায় এর জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। বর্তমানে শুধু কলারোয়া পৌর এলাকাতেই প্রায় ১০ জন কৃষক পানি ফল চাষ করছেন। এতে নারী-পুরুষ উভয়েরই নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

চাষী মেহেদী হাসান বলেন “পানি ফল চাষ লাভজনক হলেও ধৈর্য ও যত্নের প্রয়োজন। আমি দীর্ঘদিন ধরে এই চাষ করছি। নিজের পরিবারের পাশাপাশি অনেকের জীবিকার সুযোগ তৈরি হয়েছে এতে। সরকারিভাবে যদি সহযোগিতা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, তবে আরও অনেকে পানি ফল চাষে আগ্রহী হবে।”

কলারোয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এস. এম. এনামুল বলেন, “বর্ষার মৌসুমে জলাবদ্ধ জমিতে অন্য ফসল হয় না। সেখানে পানি ফল চাষ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা। এতে খরচ তুলনামূলকভাবে কম হলেও বাজারে চাহিদা বেশি। আমরা সবসময় পানি ফল চাষীদের নানা ধরনের পরামর্শ দিচ্ছি।

এই চাষের একটি ভালো দিক শুষ্ক মৌসুমে একই জমিতে ধানসহ অন্যান্য ফসল চাষ করলে তেমন সার প্রয়োগেরও প্রয়োজন হয় না। নতুন করে কেউ এই চাষ শুরু করতে চাইলে আমরা সার্বিক সহযোগিতা করবো।”

স্থানীয় কৃষকদের মতে, সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ নিলে পানি ফল চাষ শুধু কলারোয়া নয়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। এতে শুধু কৃষক নয়, স্থানীয় ফল বিক্রেতা, পরিবহন শ্রমিক থেকে শুরু করে সাধারণ খুচরা ব্যবসায়ী—সবাই উপকৃত হবেন। সচেতন মহলের ধারণা, কৃষি অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে পানি ফল চাষ এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়া আলিয়া মাদ্রাসা ও কলারোয়া মডেল হাইস্কুলে বিশুদ্ধ পানির পয়েন্ট উদ্বোধন

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় দি কোকা-কোলা ফাউন্ডেশন (The Coca-Cola Foundation-TCCF) এর অর্থায়নে, ওয়াটারবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়া আলিয়া মাদ্রাসায় নবীন বরণ ও সুপেয় পানি প্রকল্পের উদ্বোধন

কলারোয়া আলিয়া কামিল মাদ্রাসায় আলিম ১ম বর্ষের নবীন বরণ ও সুপেয় পানিবিস্তারিত পড়ুন

মাছের ঘেরে জাল পাতা নিয়ে বিরোধ, বাবা-ছেলেকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় মাছের ঘেরে জাল পাতা নিয়ে বিরোধের জেরে এক বৃদ্ধ ওবিস্তারিত পড়ুন

  • কলারোয়ায় কোরআন প্রশিক্ষণ ও তারবিয়াতি মজলিস
  • কলারোয়ায় যুবদলের সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশ ও মিছিল
  • কলারোয়ার কেঁড়াগাছি ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে মোকন্দপুরের গোলবন্যা
  • কলারোয়ায় বার্ষিক পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা বিষয়ে সেমিনার
  • কলারোয়ায় ইউনিয়ন পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা অনুষ্ঠিত
  • কলারোয়ার কেঁড়াগাছি ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে কয়লার জয়
  • কলারোয়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আফজাল করিম আর নেই
  • কলারোয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ
  • সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে মিয়াওয়াকি বনায়নের উদ্বোধন
  • কলারোয়ায় শাকদাহ বালিকা বিদ্যালয়ে এডহক কমিটির সংবর্ধনা ও অভিভাবক সমাবেশ
  • স্কুল সভাপতির পিতার মৃত্যুতে শোক জ্ঞাপন
  • কলারোয়ায় সিংগা হাইস্কুলে জিবি সভাপতি-এ প্লাস প্রাপ্তদের সংবর্ধনা ও অভিভাবক সমাবেশ