রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

ভয়াল আম্ফানের ১ বছর : এখনো ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি সাতক্ষীরার কয়েক লাখ মানুষ

আজ সেই ভয়াল ২০ মে। প্রলংকারী ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের দীর্ঘ এক বছর পার হলেও ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারেনি সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকার কয়েক লাখ মানুষ। লবণাক্ততার তীব্রতায় কৃষিকাজ হয়না বিধায় তীব্র অভাবগ্রস্থ অধিকাংশ মানুষ। বেড়িবাঁধ ভাঙ্গনের আতঙ্কে এখনও তটস্থ সবাই। যোগাযোগ ব্যবস্থাও রয়েছে বিচ্ছিন্ন। চিকিৎসা, সুপেয় পানি, স্যানিটেশনসহ বিভিন্ন সংকটে বিপর্যস্থ উপকূলীয় এলাকার এখনও লক্ষাধিক মানুষ।

জানা যায়, ২০২০ সালের ২০ মে ঘূর্ণিঝড় আম্পানের তান্ডবে লন্ডভন্ড হয় গোটা সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকা। পানিবন্দী হয়ে পড়ে উপকূলীয় এলাকার ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ। ঘর-বাড়ি ধ্বসে পড়ে ২ হাজারেরও বেশি। এখনো ডুবে আছে শতাধিক ঘর-বাড়ি। এতে মাছের ক্ষতি হয় ১৭৬ কোটি ৩ লাখ টাকার। কৃষিতে মোট ক্ষতি হয় ১৩৭ কোটি ৬১ লাখ ৩০ হাজার টাকার। এলজিইডি ও সড়ক বিভাগের ক্ষতি হয় কমপক্ষে ৩০ কি. মি. সড়ক। কাজ না থাকায় সেখানকার লোকজন বর্তমানে বেকার হয়ে পড়েছেন। আম্পানের এক বছর পার হলেও উপকূলীয় এলাকায় গৃহহীনের সংখ্যা এখনও দুই শতাধিক। বেড়িবাঁধের রাস্তার ওপর খুপড়ী ঘরে বসবাস তাদের।

আশাশুনি উপজেলার শুভদ্রকাটি গ্রামের আতাউর রহমান ও কুড়িকাউনিয়া গ্রামের আবু সালেহসহ উপকুলীয় এলাকাবাসী জানান, তাদের এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা একেবারে ভেঙে পড়েছে। নেই চিকিৎসার ব্যবস্থা। সূপেয় পানির সংকট তীব্র। বেড়িবাঁধের অবস্থাও নাজুক। উপকূলীয় এলাকার এসব মানুষ সরকারের কাছে পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ ও টেকসই বেঁড়িবাধ নির্মাণের দাবি জানান।

আশাশুনি উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অসিম কুমার চক্রবর্তী জানান, প্রলংকারী ঘূর্ণিঝড়ের এক বছর পেরিয়ে গেলেও সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকার মানুষ এখনও মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারেননি। আজও সেখানকার মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানের অভাব রয়েছে। একই সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থাও রয়েছে বিচ্ছিন্ন। আর পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেঁড়িবাধগুলো রয়েছে ভয়াবহ অবস্থায়। দু’একটি জায়গায় সংস্কার করা হলেও অধিকাংশ জায়গায় রয়েছে ভয়াবহ ফাটল। যে কোন সময় প্রবল জোয়ারের চাপে তা আবারও ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হতে পারে। তিনি টেকসই বেঁড়িবাধ নির্মাণে এ সময় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল জানান, ভয়াবহ ক্ষতি হয়েছিল এ অঞ্চলের বেড়িবাঁধগুলোর। প্রধানমন্ত্রী পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে নির্দেশনা দিয়েছিলেন যে অতিসত্ত্বর ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাধ সংস্কারের। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা প্রশাসন, পানিউন্নয়ন বোর্ড, সেনাবাহিনীসহ জেলার সংশ্লিষ্ট সংস্থা অক্লান্ত পরিশ্রম করাই বেড়িবাঁধগুলো প্রাথমিকভাবে সংস্কার করা সম্ভব হয়েছে। তিনি এসময় সাতক্ষীরা জেলাকে দুর্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত জেলা ঘোষণার দাবী জানান।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সাতক্ষীরার ​ধুলিহরে যুব প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ও ফিংড়ি ইউনিয়ন যুব ওবিস্তারিত পড়ুন

বিপিএইচসিডিএ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাথে সাতক্ষীরা জেলা কমিটির মতবিনিময় সভা

বাংলাদেশ প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাথে সাতক্ষীরাবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে টাকা ছাড়া মেলে না ছাড়পত্র!

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে রোগীর ছাড়পত্র নিতে ২০০ টাকা এবংবিস্তারিত পড়ুন

  • সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক কার্যক্রম বাস্তবায়নে কলারোয়ায় মতবিনিময় সভা
  • বিচারিক কার্যক্রম দ্রুত ও কার্যকর করতে সাতক্ষীরায় পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি সম্মেলন
  • সাতক্ষীরায় যুব নেতৃত্বে অধিকার ও জলবায়ু সহনশীলতায় ‘এনগেজ’ প্রকল্প পরিচিতি সভা
  • সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা
  • সাতক্ষীরা জেলা ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন সার্কিট হাউজ মোড় শাখার অফিস উদ্বোধন ও কমিটি গঠন
  • সাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে হলেন সহকারী জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রাম
  • সাতক্ষীরায় যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে প্রতিরোধ মিছিল-সমাবেশ
  • সাতক্ষীরায় জিপিএ-৫ পাওয়া ৩০০ শিক্ষার্থীকে ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা
  • সাতক্ষীরায় প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়
  • সাতক্ষীরায় জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রকল্পের সমাপনী, কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান
  • সাতক্ষীরায় জীবন বীমা কর্পোরেশনের ব্যবসায় উন্নয়ন ও পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত
  • সাতক্ষীরার লাবসা স্কুলের সামগ্রিক পরিবেশ ঘুরে দেখলেন ডিসি