বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কলারোয়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ‘জামাই ষষ্ঠী’ উদযাপন

কলারোয়ায় সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম উৎসব ‘জামাই ষষ্ঠী’ উদযাপন করা হয়েছে। মেয়ের স্বামীকে নানান পদের খাদ্যখাবার, আদর আপ্যায়নসহ নানান আয়োজন করা হয়। সনাতন ধর্মাবলম্বী যাদের মেয়ের বিয়ে হয়েছে সেসকল প্রায় প্রতিটি বাড়িতে এই উৎসব চলে।

জানা গেছে, জামাই ষষ্ঠীর সমস্ত আয়োজন মূলত বাড়ির জামাইকে ঘিরে। জৈষ্ঠ্য মাসের শুক্ল পক্ষের ষষ্ঠী তিথিতে এ লৌকিক আচারটি পালন করা হয় বলেই এর নাম জামাই ষষ্ঠী।

সুকুমার বিশ্বাস নামে হিন্দু সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি জানান, ‘এদিন জামাইকে আনুষ্ঠানিক দাওয়াত করে শশুর বাড়িতে আনা হয়। শশুর বাড়ির লোকজন তাদের জামাইকে বিভিন্ন রকমের খাদ্য খাবার পরিবেশনসহ নানান আয়োজনে ‘জামাই ষষ্ঠী’ উদযাপন করে থাকে।’

তিনি আরো জানান, ‘জামাই ষষ্টি উপলক্ষে কলারোয়ার প্রায় সকল সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ঘরে ঘরে আজ মেয়ে জামাইয়ের দেখা মিলছে। এদিন ধর্মীয় রীতিতে বিভিন্ন কর্মকান্ড থাকলেও মূল আকর্ষণ থাকে খাদ্যখাবারের দিকেই। জামাই ষষ্টী পর্বটি জামাইদের জন্য খুবই লোভনীয়। কারণ ভুড়িভোজ, সাত রকমের ভাজা, শুপ্তো, মুগের ডালের মুড়িঘন্টো, বিভিন্ন মাছের বাহারি রকমের পদ, পাঁঠার মাংসের ঝোল, চাটনি, দই-মিষ্টি, আম কাঁঠালসহ যে পরিবার যেমন পারে তেমন খাবারের আয়োজন করে থাকে।’

জানা গেছে, জামাই ষষ্টী পার্বনটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের হলেও এর প্রভাব প্রাচীনকাল থেকে বাঙালি জীবনেও দেদীপ্যমান ও উৎসবমূখর।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মতে, ‘বিবিধ প্রকার ফলজ, বনজ ও ওষুধী গাছের ডাল একত্র করে অনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় স্নান দিয়ে পূজা করা হয়। প্রথমে জামাইরা, তারপরে বাচ্চারা এবং সবশেষে বাড়ির বাকি সদস্যরা ষষ্টীর জল নেন। দূর্বা ঘাস জলে ডুবিয়ে শরীরে ছোঁয়ানো হয়। তারপর জলে ডোবানো পাখার বাতাস করতে করতে ‘ষাট ষাট, বালাই ষাট’ মন্ত্র আওড়ানো, সবশেষে দূর্বা পুঁটুলির চাল আর গামলাতে ডোবানো ফল হাতে দিয়ে প্রাথমিক ষষ্ঠীর ইতি টানা হয়। পরবর্তীতে শ্বাশুড়ি মেয়ে জামাইকে নিয়ে মন্দিরে যান তাদের ভবিষ্যৎ মঙ্গল কামনার্থে। শ্বাশুড়ি বা শশুর বাড়ির লোকজন হরেক রকম খাদ্যখাবারের বন্দোবস্ত করেন। নিজেরা কিন্তু উপোস থাকেন, কেউ কেউ আবার নিরামিশ খান।’

সনাতন ধর্মাবলম্বী মতে, ‘এই পার্বণ মূলত পরিবেশ রক্ষার্থে গাছ কে দেবতা বিশ্বাসে পূজা করা। কেননা এ আয়োজনে বিবিধ গাছের ডাল যেমন দরকার হয় তেমনি এ দিনে সনাতন পরিবারে থাকে বাহারি মৌসুমি ফল। কিন্তু এখন সময়ের পরিক্রমায় দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে এ পার্বনের মূল উদ্দেশ্য।’

একই রকম সংবাদ সমূহ

মাছের ঘেরে জাল পাতা নিয়ে বিরোধ, বাবা-ছেলেকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় মাছের ঘেরে জাল পাতা নিয়ে বিরোধের জেরে এক বৃদ্ধ ওবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় কোরআন প্রশিক্ষণ ও তারবিয়াতি মজলিস

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় দিনব্যাপী কোরআন প্রশিক্ষণ ও তারবিয়াতি মজলিস অনুষ্ঠিত হয়েছে। ICT কোচিংবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় যুবদলের সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশ ও মিছিল

পরিকল্পিত সন্ত্রাস-সহিংসতার মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবেবিস্তারিত পড়ুন

  • কলারোয়ার কেঁড়াগাছি ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে মোকন্দপুরের গোলবন্যা
  • কলারোয়ায় বার্ষিক পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা বিষয়ে সেমিনার
  • কলারোয়ায় ইউনিয়ন পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা অনুষ্ঠিত
  • কলারোয়ার কেঁড়াগাছি ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে কয়লার জয়
  • কলারোয়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আফজাল করিম আর নেই
  • কলারোয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ
  • সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে মিয়াওয়াকি বনায়নের উদ্বোধন
  • কলারোয়ায় শাকদাহ বালিকা বিদ্যালয়ে এডহক কমিটির সংবর্ধনা ও অভিভাবক সমাবেশ
  • স্কুল সভাপতির পিতার মৃত্যুতে শোক জ্ঞাপন
  • কলারোয়ায় সিংগা হাইস্কুলে জিবি সভাপতি-এ প্লাস প্রাপ্তদের সংবর্ধনা ও অভিভাবক সমাবেশ
  • কলারোয়ার কেঁড়াগাছি ৮দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টে এসএম ফুটবল একাডেমির জয়
  • কলারোয়ায় পানির মাধ্যমে মাংসের ওজন বাড়ানোর দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা